চরফ্যাশন সাব-রেজিষ্ট্রে অফিসের সহকারী নাহিদার বিরুদ্ধে অভিযোগের পাহাড়
- আপডেট : ০৪:০৭:৪২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৫ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ ১২১ বার পড়া হয়েছে
স্টাফ রিপোর্টার:
সাব-রেজিস্ট্রার কে না জানিয়ে দলিল রেজিস্টার করা, অনৈতিক সুবিধা গ্রহণ, নিয়মনীতির তোয়াক্কা না করা, দলিলে মোটা অঙ্কের টাকা আদায় করা, অনিয়মের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে সাব-রেজিস্ট্রারকে হুমকিসহ বিভিন্ন অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে চরফ্যাশন সাব-রেজিষ্ট্রে অফিসের সহকারী নাহিদা পারভীনের বিরুদ্ধে। তার বিরুদ্ধে উঠা অনিয়মের কারণে ভোলা জেলা রেজিস্ট্রার গত ৮ ফেব্রুয়ারি তাকে চরফ্যাশন থেকে ভোলা জেলা রেজিস্টারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করেন।

ভোলা জেলা রেজিস্টারের কার্যালয়ে সংযুক্ত করার কারণে ক্ষিপ্ত হয়ে নাহিদা পারভীন, তার দুই বোন ও বোনের স্বামীসহ ৫জন মিলে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে লালমোহন সাব-রেজিষ্টারের অফিস কক্ষে গিয়ে সাব-রেজিস্টার মো. মঞ্জুরুল ইসলামের রুমে প্রবেশের চেষ্টা করলে অবস্থা খারাপ দেখে দ্রুত তিনি রুম বন্ধ করে দেন। এরপর তারা তাকে হেনস্তা করার চেষ্টা করেন। এ ব্যাপারে সাব-রেজিস্টার মো. মঞ্জুরুল ইসলাম লালমোহন থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করেন।
ঘটনার ব্যাপারে লালমোহন সাব-রেজিস্টার মো. মঞ্জুরুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান, আমি এখানে আসার পর দেখি অফিস সহকারী নাহিদা পারভীন এখানে বিভিন্ন অনিয়ম শুরু করে। এসব অনিয়মের কারণে আমি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানোলে তাকে চরফ্যাশন সাব-রেজিস্টার অফিসে বদলি করা হয়। গত ২৫ জানুয়ারি ভোলা জেলা রেজিস্টার আমাকে চরফ্যাশন অফিসের অতিরিক্ত দায়িত্ব প্রদান করেন। আমি ২৭ জানুয়ারি রেজিস্ট্রেশন কার্য পরিচালনার জন্য চরফ্যাশন অফিসে যাই। ওখানে মামলা সংক্রান্ত কোন দলিল রেজিস্ট্রি করা হয়না। ওই দিন নাহিদা পারভীন কে আমি বলে দিয়েছিলাম মামলা সংক্রান্ত কোন দলিল হবে না। কিন্তু নাহিদা পারভীন কৌশলে তথ্য গোপন করে মামলা সংক্রান্ত দলিল রেজিস্ট্রি করে নেন। এটি পরে যাচাই বাছাই করে ধরা পড়লে আমি ভোলা সাব-রেজিস্টার কে লিখিত ভাবে জানালে নাহিদা পারভীনের অনিয়মের কারণে তাকে ভোলাতে সংযুক্ত করেন।
নাহিদা পারভীন ভোলায় সংযুক্ত হওয়ার পর আমার উপর ক্ষিপ্ত হয়ে গত ১১ ফেব্রুয়ারি বিকেলে তার দুই বোন ও বোনের স্বামীসহ ৫ জন মিলে আমার কর্মস্থল লালমোহন সাব-রেজিষ্টারের অফিস কক্ষে গিয়ে আমার রুমে প্রবেশের চেষ্টা করলে আমি অবস্থা পর্যবেক্ষণ করে আমার রুম বন্ধ করে দেই। এরপর তারা আমাকে হেনস্তা করার চেষ্টা করেন। এরপর এই বিষয়ে আমি লালমোহন থানায় লিখিত অভিযোগ দাখিল করি।
এ ব্যাপারে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. অলিউল বলেন, অভিযোগ পেয়েছি, বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে, তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাগ্রহণ করা হবে।
নিউজটি শেয়ার করুন



















