ঢাকা ০৫:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬, ১৯ চৈত্র ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
৭০ বছরের বসতভিটা দখলের অভিযোগ, আদালতের রায়েও মিলছে না জমি শ্রীনগরে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে কর্মস্থলে যোগদানে নৈশপ্রহরীর বাঁধা, ইউএনও’র কাছে অভিযোগ  লালমোহনে বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসাসেবা ক্যাম্প অনুষ্ঠিত স্পিকারের সহধর্মিনী সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দিলারা হাফিজের ইন্তেকাল হাঁসাড়া ইউনিয়ন বিএনপির পুষ্পস্তবক অর্পন লালমোহনে ন্যাশনাল লাইফ ইন্স্যুরেন্সের মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন ও উন্নয়ন সভা লালমোহনে যথাযোগ্য মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন লালমোহনে পেট্রোল, অকটেন ও ডিজেলের তীব্র সংকট ! ভোগান্তিতে যানবাহন চালকরা লালমোহনে ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে আলোচনা সভা লালমোহনে ঘর উত্তোলন করতে গিয়ে প্রতিপক্ষের হামলায় আহত-৫

৭০ বছরের বসতভিটা দখলের অভিযোগ, আদালতের রায়েও মিলছে না জমি

নাজমুল খান সুজন
  • আপডেট : ০৪:১৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬ ৫৭ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চরফ্যাশন  প্রতিনিধি।। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা এলাকায় প্রায় ৭০ বছর ধরে ভোগদখলে থাকা পৈতৃক বসতভিটা ও ৭০ একর জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্রের বিরুদ্ধে। আদালতের রায় পাওয়ার পরও জমি ফেরত না পেয়ে ভুক্তভোগী পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

‎ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ আইচা থানাধীন নজরুল নগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মজু সর্দার বাজার এলাকায়।

‎মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে দক্ষিণ আইচা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মোঃফারুক ও হাবিব বলেন, দক্ষিণ আইচা থানাধীন নজরুল নগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মজু সর্দার বাজার এলাকায় আমাদের  পৈতৃক সম্পত্তি প্রায় ৭০ বছর ধরে ভোগদখলে ছিল।  আমাদের দাদা মৃত আবদুল ওয়াজেদ ও মৃত ইসমাইল মিয়া, স্থানীয় সন্তরত দাস গুপ্ত  পিতা বিপিন বিহারী দাস গুপ্ত এর কাছ থেকে ১৯৪০ সনে  ৭০ একর জমি ক্রয় করেন। যার মৌজা: মাঝের চর, পি এস খতিয়ান নম্বর ৫৫, পিএস দাগ: ৭৩৭,৭৩৮,৭৩৯,৭৪০,৭৪১,৭৪২,৭৪৪,৭৪৫,৭৪৬,৭৪৭, ডিয়ারা খতিয়ান নাম্বার  ৬০৮, ডিয়ারা দাগ ৬২২৪,৬২২৫,৬২২৬,৬২২৭,৬২৩৮, ৬২৪১,৬২৪২,৬২৪৫ এরপর থেকে আমরা ওই জমিতে বসবাস করে আসছিলাম। তাদের দাবি, ২০০০ সালে স্থানীয় সোনা মিয়া সর্দার গংরা আবদুল ওয়াজেদের ওয়ারিশের কাছ থেকে মাত্র ১ একর ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করলেও প্রতারণার মাধ্যমে পুরো ৭০ একর জমি দখল করে নেয়।পরবর্তীতে আ লীগ সরকারের আমলে বসতঘর ভেঙে তাদের উচ্ছেদ করা হয়। এই দখল প্রক্রিয়ায় নজরুল নগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদারের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন তারা।

‎তারা আরও বলেন, এ ঘটনার পর আদালতে মামলা দায়ের করলে তাদের পক্ষে রায় আসে। কিন্তু অভিযুক্তরা সেই রায় বাস্তবায়ন না করে বরং বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। গত ৫ আগস্ট, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, নিরাপত্তাহীনতার কারণে দীর্ঘদিন তারা জমির কাছে যেতে পারেননি। সম্প্রতি গত ৭ মার্চ, জমি ও বসতভিটা দেখতে গেলে সোনা মিয়া সর্দার ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর সর্দারের নেতৃত্বে একদল লোক তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হন। বর্তমানে তারা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তারা প্রশাসনের কাছে তাদের বে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

‎এ বিষয় সোনা মিয়া সর্দার ও তার ছেলে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে গেলে তাদেরকে পাওয়া যায়নি। এবং তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

‎দক্ষিণ আইচা থানার ওসি আহসান কবির জানান, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতের রায়ে পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

৭০ বছরের বসতভিটা দখলের অভিযোগ, আদালতের রায়েও মিলছে না জমি

আপডেট : ০৪:১৩:০১ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

চরফ্যাশন  প্রতিনিধি।। ভোলার চরফ্যাশন উপজেলার দক্ষিণ আইচা এলাকায় প্রায় ৭০ বছর ধরে ভোগদখলে থাকা পৈতৃক বসতভিটা ও ৭০ একর জমি জবরদখলের অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় প্রভাবশালী একটি চক্রের বিরুদ্ধে। আদালতের রায় পাওয়ার পরও জমি ফেরত না পেয়ে ভুক্তভোগী পরিবার চরম দুর্ভোগে পড়েছে।

‎ঘটনাটি ঘটেছে দক্ষিণ আইচা থানাধীন নজরুল নগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডে মজু সর্দার বাজার এলাকায়।

‎মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) সকাল ১০ টার দিকে দক্ষিণ আইচা প্রেসক্লাবে এক সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবারের সদস্যরা এ অভিযোগ তুলে ধরেন।

‎সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ভুক্তভোগী মোঃফারুক ও হাবিব বলেন, দক্ষিণ আইচা থানাধীন নজরুল নগর ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের মজু সর্দার বাজার এলাকায় আমাদের  পৈতৃক সম্পত্তি প্রায় ৭০ বছর ধরে ভোগদখলে ছিল।  আমাদের দাদা মৃত আবদুল ওয়াজেদ ও মৃত ইসমাইল মিয়া, স্থানীয় সন্তরত দাস গুপ্ত  পিতা বিপিন বিহারী দাস গুপ্ত এর কাছ থেকে ১৯৪০ সনে  ৭০ একর জমি ক্রয় করেন। যার মৌজা: মাঝের চর, পি এস খতিয়ান নম্বর ৫৫, পিএস দাগ: ৭৩৭,৭৩৮,৭৩৯,৭৪০,৭৪১,৭৪২,৭৪৪,৭৪৫,৭৪৬,৭৪৭, ডিয়ারা খতিয়ান নাম্বার  ৬০৮, ডিয়ারা দাগ ৬২২৪,৬২২৫,৬২২৬,৬২২৭,৬২৩৮, ৬২৪১,৬২৪২,৬২৪৫ এরপর থেকে আমরা ওই জমিতে বসবাস করে আসছিলাম। তাদের দাবি, ২০০০ সালে স্থানীয় সোনা মিয়া সর্দার গংরা আবদুল ওয়াজেদের ওয়ারিশের কাছ থেকে মাত্র ১ একর ৫ শতাংশ জমি ক্রয় করলেও প্রতারণার মাধ্যমে পুরো ৭০ একর জমি দখল করে নেয়।পরবর্তীতে আ লীগ সরকারের আমলে বসতঘর ভেঙে তাদের উচ্ছেদ করা হয়। এই দখল প্রক্রিয়ায় নজরুল নগর ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদারের সংশ্লিষ্টতার অভিযোগ তোলেন তারা।

‎তারা আরও বলেন, এ ঘটনার পর আদালতে মামলা দায়ের করলে তাদের পক্ষে রায় আসে। কিন্তু অভিযুক্তরা সেই রায় বাস্তবায়ন না করে বরং বিভিন্নভাবে হুমকি-ধমকি দিয়ে আসছে। গত ৫ আগস্ট, আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, নিরাপত্তাহীনতার কারণে দীর্ঘদিন তারা জমির কাছে যেতে পারেননি। সম্প্রতি গত ৭ মার্চ, জমি ও বসতভিটা দেখতে গেলে সোনা মিয়া সর্দার ও তার ছেলে জাহাঙ্গীর সর্দারের নেতৃত্বে একদল লোক তাদের ওপর হামলা চালায়। এতে পরিবারের কয়েকজন সদস্য আহত হন। বর্তমানে তারা চরম আতঙ্কের মধ্যে দিন কাটাচ্ছেন। তারা প্রশাসনের কাছে তাদের বে দখল হওয়া জমি উদ্ধার করে বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

‎এ বিষয় সোনা মিয়া সর্দার ও তার ছেলে জাহাঙ্গীরের বাড়িতে গেলে তাদেরকে পাওয়া যায়নি। এবং তাদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে।

‎দক্ষিণ আইচা থানার ওসি আহসান কবির জানান, জমি সংক্রান্ত বিষয়ে আদালতের রায়ে পেলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।