ঢাকা ০১:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন সোহরাওয়ার্দী কলেজে লালমোহনে হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার ২০২৬ ইং সনের দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আইচা কলেজের গভর্নিং বডির কমিটি অনুমোদন লালমোহনে অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত লালমোহন নয়ানীগ্রামে মসজিদের বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙ্গার ঘটনায় ক্ষোভ হিউম্যান রাইটস অ্যালাইভের উপদেষ্টা কমিটিতে মোঃ সাহাবুদ্দিন খান, চাঁদপুরবাসীর অভিনন্দন মুন্সীগঞ্জের তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ লালমোহনে চালের ডিওতে সমঝোতা বাণিজ্য টনপ্রতি নূন্যতম ৫শ টাকা নেওয়ার অভিযোগ লালমোহনে ওরকাইতের বিরুদ্ধে ভুয়া ষ্টাম্প তৈরী করে জমি দখলে নিয়ে ভবন নির্মানের অভিযোগ

‘কিংবদন্তির কথা বলছি’ মুহিউদ্দিন খান রহ.-এর বর্ণাঢ্য জীবনের গল্পভাষ্য

দীপ্ত বার্তা ডেস্ক
  • আপডেট : ০৫:১৪:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৯ ৪০৭ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

সময়ের প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ লেখক আহামাদ সাব্বির রচিত ‘কিংবদন্তির কথা বলছি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার সন্ধ্যায় বাইতুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ চত্বরে এ মোড়ক উন্মোচন ও সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়।

লেখক ইমরান রাইহানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন, লেখক ও অনুবাদক কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক, লেখক ও সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মাসউদ, তরুণ অনুবাদক মানসূর আহমাদ, ইফতেখার জামিল, সালমান মোহাম্মাদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই আয়োজকের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ‘কিংবদন্তির কথা বলছি’ বইয়ের লেখক আহমাদ সাব্বির৷ স্বাগত বক্তব্যে তিনি নাশাত পাবলিকেশনের মতন একটি নতুন প্রকাশনের আহ্বানে এতো মানুষের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং নাশাত পাবলিকেশন ও লেখকের এগিয়ে চলার পথে তারা এভাবেই পাশে থাকবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

প্রসঙ্গত, ‘কিংবদন্তির কথা বলছি’ মাওলানা মুহিউদ্দিন খান রহ.-এর বর্ণাঢ্য জীবনের গল্পভাষ্য৷ অনুষ্ঠিত আড্ডায় আলোচকরা মাওলানা খানের জীবন ও কর্মের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সবশেষে লেখক নিজেকে উপস্থিত করেন পাঠকের কাঠগড়ায়৷ তারা বইটি সম্পর্কে লেখককে নানা ধরনের প্রশ্ন করেন এবং তিনি সেসব প্রশ্নের গোছালো উত্তর প্রদান করেন৷

লেখক আহমাদ সাব্বিরের সাথে পাঠকের আলাপচারিতার মূল বক্তব্য ছিল— ইসলামকে উপজীব্য করে এ দেশে যারা বাংলা ভাষায় লেখালেখির চর্চা করে যাচ্ছেন তাদের পেছনে মাওলানা খানের অনস্বীকার্য অবদান রয়েছে; দায় রয়েছে৷ সেই দায় থেকেই এবং তার প্রতি হৃদয়ের সুপ্ত ভালোবাসা থেকেই প্রথম কাজটি মাওলানা খানকে নিয়ে করা৷ তা ছাড়া নতুন প্রজন্মের কাছে তার বর্ণাঢ্য জীবন কিছুটা নতুন ও আধুনিক আঙ্গিকে উপস্থাপন করাও এ গ্রন্থের উদ্দেশ্য৷

মাওলানা খান যে বিস্তৃত জীবন কাটিয়ে গেছেন সেটা নিয়ে লিখলে তো হাজার পৃষ্ঠা হবার কথা— পাঠকের এমন এক প্রশ্নের জবাবে লেখক বলেন, অবশ্যই৷ তবে আমি লেখকের সংগ্রামী জীবনের প্রারম্ভিকতার ওপর মূল ফোকাস রেখেছি৷ আর তা ছাড়া এটাতো একটি সূচনা মাত্র৷ আমি বিশ্বাস করি আমার এ কাজে উদ্বুদ্ধ হয়ে পরবর্তীতে কোন তরুণ তাকে নিয়ে হাজার পৃষ্ঠার গ্রন্থ রচনা করবেন এবং সেটা হবারও৷

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

‘কিংবদন্তির কথা বলছি’ মুহিউদ্দিন খান রহ.-এর বর্ণাঢ্য জীবনের গল্পভাষ্য

আপডেট : ০৫:১৪:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ নভেম্বর ২০১৯

সময়ের প্রতিশ্রুতিশীল তরুণ লেখক আহামাদ সাব্বির রচিত ‘কিংবদন্তির কথা বলছি’ বইয়ের মোড়ক উন্মোচন ও সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়েছে।  শুক্রবার সন্ধ্যায় বাইতুল মোকাররম মসজিদের দক্ষিণ চত্বরে এ মোড়ক উন্মোচন ও সাহিত্য আড্ডা অনুষ্ঠিত হয়।

লেখক ইমরান রাইহানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত আড্ডায় উপস্থিত ছিলেন, লেখক ও অনুবাদক কাজী আবুল কালাম সিদ্দীক, লেখক ও সম্পাদক আবদুল্লাহ আল মাসউদ, তরুণ অনুবাদক মানসূর আহমাদ, ইফতেখার জামিল, সালমান মোহাম্মাদ প্রমুখ।

অনুষ্ঠানের শুরুতেই আয়োজকের পক্ষ থেকে স্বাগত বক্তব্য রাখেন, ‘কিংবদন্তির কথা বলছি’ বইয়ের লেখক আহমাদ সাব্বির৷ স্বাগত বক্তব্যে তিনি নাশাত পাবলিকেশনের মতন একটি নতুন প্রকাশনের আহ্বানে এতো মানুষের স্বতস্ফূর্ত অংশগ্রহণের জন্য সবার প্রতি কৃতজ্ঞতা জ্ঞাপন করেন এবং নাশাত পাবলিকেশন ও লেখকের এগিয়ে চলার পথে তারা এভাবেই পাশে থাকবেন বলে প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন।

প্রসঙ্গত, ‘কিংবদন্তির কথা বলছি’ মাওলানা মুহিউদ্দিন খান রহ.-এর বর্ণাঢ্য জীবনের গল্পভাষ্য৷ অনুষ্ঠিত আড্ডায় আলোচকরা মাওলানা খানের জীবন ও কর্মের নানা দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সবশেষে লেখক নিজেকে উপস্থিত করেন পাঠকের কাঠগড়ায়৷ তারা বইটি সম্পর্কে লেখককে নানা ধরনের প্রশ্ন করেন এবং তিনি সেসব প্রশ্নের গোছালো উত্তর প্রদান করেন৷

লেখক আহমাদ সাব্বিরের সাথে পাঠকের আলাপচারিতার মূল বক্তব্য ছিল— ইসলামকে উপজীব্য করে এ দেশে যারা বাংলা ভাষায় লেখালেখির চর্চা করে যাচ্ছেন তাদের পেছনে মাওলানা খানের অনস্বীকার্য অবদান রয়েছে; দায় রয়েছে৷ সেই দায় থেকেই এবং তার প্রতি হৃদয়ের সুপ্ত ভালোবাসা থেকেই প্রথম কাজটি মাওলানা খানকে নিয়ে করা৷ তা ছাড়া নতুন প্রজন্মের কাছে তার বর্ণাঢ্য জীবন কিছুটা নতুন ও আধুনিক আঙ্গিকে উপস্থাপন করাও এ গ্রন্থের উদ্দেশ্য৷

মাওলানা খান যে বিস্তৃত জীবন কাটিয়ে গেছেন সেটা নিয়ে লিখলে তো হাজার পৃষ্ঠা হবার কথা— পাঠকের এমন এক প্রশ্নের জবাবে লেখক বলেন, অবশ্যই৷ তবে আমি লেখকের সংগ্রামী জীবনের প্রারম্ভিকতার ওপর মূল ফোকাস রেখেছি৷ আর তা ছাড়া এটাতো একটি সূচনা মাত্র৷ আমি বিশ্বাস করি আমার এ কাজে উদ্বুদ্ধ হয়ে পরবর্তীতে কোন তরুণ তাকে নিয়ে হাজার পৃষ্ঠার গ্রন্থ রচনা করবেন এবং সেটা হবারও৷