ঢাকা ০৮:৪১ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
লালমোহনে গাঁজাসহ দুই জন আটক লালমোহন মডেল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে মা ও অভিভাবক সমাবেশ এবং নতুন কমিটির পরিচিতি সভা ক্রিকেট-চেয়ার খেলা-কুইজে সোহরাওয়ার্দী কলেজে ময়মনসিংহ বিভাগের স্পোর্টস ডে লালমোহন উপজেলা পরিষদের মাসিক সমন্বয় এবং আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আইচায় এক শিক্ষিকাকে পিটিয়ে আহত লালমোহন থানা পুলিশের পৃথক অভিযানে ইয়াবাসহ দুইজন গ্রেফতার মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টে আওয়ামী লীগের দোসর শাহীনুরের সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি লালমোহনে আন্তর্জাতিক স্বাক্ষরতা দিবস পালিত লালমোহন  রিপোর্টার্স ইউনিটির সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হলেন দীপ্ত বার্তার ভোলা জেলা প্রতিনিধি জাহিদ দুলাল ১৯ নং ঢালচর ইউপির সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী জসিম পাটওয়ারীর গণসংযোগ

চরফ্যাশনে ইমামের কাছ থেকে ভূমি উপ-সহকারীর অতিরিক্ত টাকা আদায়

প্রেরক  এআর সোহেব চৌধুরী
  • আপডেট : ০৪:৩১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪ ৭৭ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

 

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি: চরফ্যাশন পৌর ভূমি অফিসের ইউনিয়ন উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো.আবদুল মান্নানের বিরুদ্ধে মসজিদের ইমামের কাছ থেকে নামজারি খতিয়ান করতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধান করে জানা গেছে,উপ-সহকারী আবদুল মান্নান সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে তিন দলিলের একটি নামজারি করে ১১৭০ টাকার স্থলে ১১হাজার টাকা নেয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে ভুক্তভোগী ইমাম আজহারুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,২৩ সালের অক্টোবরে উপজেলার জিন্নাগড় মৌজার  তিন দলিল ও ভিন্ন ভিন্ন ডকুমেন্টসে তিনটি নামজারি খতিয়ান করার জন্য পৌর ভূমি অফিসে আবদুল মান্নানের কাছে গেলে তিনটি নামজারির জন্য তিনি ১২হাজার টাকা দাবী করেন। আমি ও আমার চাচাতো ভাই জয়নাল তাকে ১১হাজার টাকা দেই। কিন্তু তিনি এক কেইসে তিন দলিলের জমি উল্লেখ করে একটি নামজারি খতিয়ান করে দেন। পরে আমি জমির রাজস্ব (জমি কর) দিতে গেলে তিনি আমার কাছে ২০শতাংশ জমির কর বা খাজনা দিতে বলেন। কিন্তু আমার জমি হচ্ছে আট শতাংশ। আমি বাকি অংশের কর বা খাজনা কেনো দেবো। তিনি আরও বলেন, পৌরসভা ৪নম্বর ওয়ার্ডে আমার আট শতাংশ এবং অন্যদের আট ও চার শতাংশ করে মোট ২০ শতাংশ জমি। কিন্তু তিনি আলাদা করে তিনটি নামজারি করে দিলে আমার দীর্ঘদিনের এ হয়রানি হতোনা। তাকে জমির ভিন্ন কাগজ পত্র দেয়ার পরেও তিনি একই নামজারি খতিয়ানে ২০শতাংশ জমির খতিয়ান দেয়ায় আমি হয়রানির শিকার হচ্ছি। ওই নামজারির আবেদন নাম্বার হলো ২৬৫৬৬৬ তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৩। বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলর ও উপজেলা সহাকারী কমিশনারকে (ভূমি) জানালে তিনি আবদুল মান্নানকে দুইদিনের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান করে দেয়ার নির্দেশ দিলেও আমাকে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান করে দেননি আবদুল মান্নান। ইমাম আজহারুল আরও বলেন, উপ-সহকারী মান্নান আমার আট শতাংশ জমির কর দেয়ার ব্যবস্থা করে দিতে চাইলে আমি তা অস্বীকার করে আমার আলাদা নামজারি খতিয়ান করে দেয়ার জন্য বলেছি। এবিষয়ে পৌর ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী আবদুল মান্নান বলেন, ইমাম আজহারুল পরবর্তীতে নতুন করে আবেদন করেছেন তার নামজারির কার্ক্রম প্রক্রিয়াধীন। তবে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে মান্নান বলেন ইমাম সাহেবকে নিয়ে অফিসে এসে মোকাবিলায় কথা বলেন। এ প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালেক মূহিদ বলেন, মৌখিক অভিযোগ পেয়ে দ্রুত এ সমস্যার সমাধানে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক লেনদেনের বিষয়ে তাকে লিখিত অভিযোগ দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

ছবি: ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী আবদুল মান্নান।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

চরফ্যাশনে ইমামের কাছ থেকে ভূমি উপ-সহকারীর অতিরিক্ত টাকা আদায়

আপডেট : ০৪:৩১:২০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৪

 

চরফ্যাশন (ভোলা) প্রতিনিধি: চরফ্যাশন পৌর ভূমি অফিসের ইউনিয়ন উপ-সহকারী কর্মকর্তা মো.আবদুল মান্নানের বিরুদ্ধে মসজিদের ইমামের কাছ থেকে নামজারি খতিয়ান করতে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। অনুসন্ধান করে জানা গেছে,উপ-সহকারী আবদুল মান্নান সরকারি নিয়ম নীতির তোয়াক্কা না করে তিন দলিলের একটি নামজারি করে ১১৭০ টাকার স্থলে ১১হাজার টাকা নেয়ার তথ্য পাওয়া গেছে। অনুসন্ধানে ভুক্তভোগী ইমাম আজহারুল ইসলামের কাছে জানতে চাইলে তিনি জানান,২৩ সালের অক্টোবরে উপজেলার জিন্নাগড় মৌজার  তিন দলিল ও ভিন্ন ভিন্ন ডকুমেন্টসে তিনটি নামজারি খতিয়ান করার জন্য পৌর ভূমি অফিসে আবদুল মান্নানের কাছে গেলে তিনটি নামজারির জন্য তিনি ১২হাজার টাকা দাবী করেন। আমি ও আমার চাচাতো ভাই জয়নাল তাকে ১১হাজার টাকা দেই। কিন্তু তিনি এক কেইসে তিন দলিলের জমি উল্লেখ করে একটি নামজারি খতিয়ান করে দেন। পরে আমি জমির রাজস্ব (জমি কর) দিতে গেলে তিনি আমার কাছে ২০শতাংশ জমির কর বা খাজনা দিতে বলেন। কিন্তু আমার জমি হচ্ছে আট শতাংশ। আমি বাকি অংশের কর বা খাজনা কেনো দেবো। তিনি আরও বলেন, পৌরসভা ৪নম্বর ওয়ার্ডে আমার আট শতাংশ এবং অন্যদের আট ও চার শতাংশ করে মোট ২০ শতাংশ জমি। কিন্তু তিনি আলাদা করে তিনটি নামজারি করে দিলে আমার দীর্ঘদিনের এ হয়রানি হতোনা। তাকে জমির ভিন্ন কাগজ পত্র দেয়ার পরেও তিনি একই নামজারি খতিয়ানে ২০শতাংশ জমির খতিয়ান দেয়ায় আমি হয়রানির শিকার হচ্ছি। ওই নামজারির আবেদন নাম্বার হলো ২৬৫৬৬৬ তারিখ ১৮ অক্টোবর ২০২৩। বিষয়টি স্থানীয় কাউন্সিলর ও উপজেলা সহাকারী কমিশনারকে (ভূমি) জানালে তিনি আবদুল মান্নানকে দুইদিনের মধ্যে এ সমস্যার সমাধান করে দেয়ার নির্দেশ দিলেও আমাকে এখন পর্যন্ত কোনো সমাধান করে দেননি আবদুল মান্নান। ইমাম আজহারুল আরও বলেন, উপ-সহকারী মান্নান আমার আট শতাংশ জমির কর দেয়ার ব্যবস্থা করে দিতে চাইলে আমি তা অস্বীকার করে আমার আলাদা নামজারি খতিয়ান করে দেয়ার জন্য বলেছি। এবিষয়ে পৌর ভূমি অফিসের ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী আবদুল মান্নান বলেন, ইমাম আজহারুল পরবর্তীতে নতুন করে আবেদন করেছেন তার নামজারির কার্ক্রম প্রক্রিয়াধীন। তবে অতিরিক্ত টাকা আদায়ের বিষয়ে জানতে চাইলে মান্নান বলেন ইমাম সাহেবকে নিয়ে অফিসে এসে মোকাবিলায় কথা বলেন। এ প্রসঙ্গে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) সালেক মূহিদ বলেন, মৌখিক অভিযোগ পেয়ে দ্রুত এ সমস্যার সমাধানে নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অর্থনৈতিক লেনদেনের বিষয়ে তাকে লিখিত অভিযোগ দেয়ার জন্য বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও জানান এ কর্মকর্তা।

ছবি: ইউনিয়ন ভূমি উপ-সহকারী আবদুল মান্নান।