ঢাকা ১২:৪৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
তজুমদ্দিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৩ জন আটক লালমোহনে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত যুবদল নেতাকে আর্থিক সহায়তা দিলেন স্পিকার অব. হাফিজ উদ্দিন  লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমোহনে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাঁতারে প্রথম বাপ্পি ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার

লঞ্চঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের ভিডিও করায় সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেয় ঘাটের ইজারা আদায়কারী

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
  • আপডেট : ০৯:৪০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫ ২০৪ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলার লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাটের যাত্রী টোল ৫ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা নেয়া হচ্ছে। রবিবার বিকেলে মুঠোফোনে এ অনিয়মের ভিডিও ধারণ করেন লালমোহন উপজেলার নয়াদিগন্ত প্রতিনিধি এমআর পারভেজ। বিষয়টি টের পেয়ে তার মুঠোফোন কেড়ে নেন ঘাটের ইজারা আদায়কারী আকতার ও ফিরোজ নামের দুই ব্যাক্তি। এসময় তারা ওই সাংবাদিকের সাথে অশোভন আচরণ করেন।
সাংবাদিক এম আর পারভেজ জানান, আমার অসুস্থ ভাগনিকে ঢাকাতে ডাক্তার দেখানোর জন্য এগিয়ে দিতে মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাটে যাই। সেখানে ঘাট ইজারাদারের লোকজন ঘাট টোল ৫ টাকার যায়গায় ১০ টাকা নিচ্ছে। আমি তাদেরকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ৫টাকার স্থলে ১০ টাকা কেন নিচ্ছেন জিজ্ঞাসা করলে তারা আমার সাথে খারাপ আচরণ করে। এরপর আমি বাইরে এসে ভিডিও করা শুরু করলে তারা কয়েকজন একত্রিত হয়ে আমার কাছে আসে এবং আকতার ও ফিরোজ আমার মোবাইল সেট কেড়ে নেয়। আমি আমার মোবাইল সেট ফেরত দিতে বললে তারা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারতে আসে। একপর্যায়ে আমি লালমোহন থানার ওসিকে মোবাইলে ঘটনা জানালে পুলিশ আসলে তখন ওখানকার যুবদলের নেতা সোহাগ ও ইমাম পুলিশসহ আমাকে নিয়ে বসে এবং মোবাইল সেট ফেরত দেয়। তবে আমার মোবাইলে থাকা তাদের অনিয়মের ভিডিও ও ছবিগুলো তারা ডিলেট করে দেয়।

লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে মঙ্গলসিকদার ফাড়ির ইনচার্জসহ পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মোবাইল সেট ফেরত দিয়েছে ইজারাদারের লোকজন। সাংবাদিক অভিযোগ প্রদান করলে আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, এর আগে এ অনিয়মের ব্যাপারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে। ঈদের পর আমি সেখানে গিয়েছি এবং তখন আমি কোন অনিয়ম পাইনি। ইজারাদারের লোকজন আমাদের আগোচরে অনিয়ম করে থাকে। আজকের ব্যাপারটা বিআইডব্লিউকে জানানো হবে যাতে তারা আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

লঞ্চঘাটে অতিরিক্ত টোল আদায়ের ভিডিও করায় সাংবাদিকের মোবাইল ছিনিয়ে নেয় ঘাটের ইজারা আদায়কারী

আপডেট : ০৯:৪০:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৫ জুন ২০২৫

ভোলার লালমোহন উপজেলার মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাটের যাত্রী টোল ৫ টাকার পরিবর্তে ১০ টাকা নেয়া হচ্ছে। রবিবার বিকেলে মুঠোফোনে এ অনিয়মের ভিডিও ধারণ করেন লালমোহন উপজেলার নয়াদিগন্ত প্রতিনিধি এমআর পারভেজ। বিষয়টি টের পেয়ে তার মুঠোফোন কেড়ে নেন ঘাটের ইজারা আদায়কারী আকতার ও ফিরোজ নামের দুই ব্যাক্তি। এসময় তারা ওই সাংবাদিকের সাথে অশোভন আচরণ করেন।
সাংবাদিক এম আর পারভেজ জানান, আমার অসুস্থ ভাগনিকে ঢাকাতে ডাক্তার দেখানোর জন্য এগিয়ে দিতে মঙ্গলসিকদার লঞ্চঘাটে যাই। সেখানে ঘাট ইজারাদারের লোকজন ঘাট টোল ৫ টাকার যায়গায় ১০ টাকা নিচ্ছে। আমি তাদেরকে সাংবাদিক পরিচয় দিয়ে ৫টাকার স্থলে ১০ টাকা কেন নিচ্ছেন জিজ্ঞাসা করলে তারা আমার সাথে খারাপ আচরণ করে। এরপর আমি বাইরে এসে ভিডিও করা শুরু করলে তারা কয়েকজন একত্রিত হয়ে আমার কাছে আসে এবং আকতার ও ফিরোজ আমার মোবাইল সেট কেড়ে নেয়। আমি আমার মোবাইল সেট ফেরত দিতে বললে তারা আমাকে অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে এবং মারতে আসে। একপর্যায়ে আমি লালমোহন থানার ওসিকে মোবাইলে ঘটনা জানালে পুলিশ আসলে তখন ওখানকার যুবদলের নেতা সোহাগ ও ইমাম পুলিশসহ আমাকে নিয়ে বসে এবং মোবাইল সেট ফেরত দেয়। তবে আমার মোবাইলে থাকা তাদের অনিয়মের ভিডিও ও ছবিগুলো তারা ডিলেট করে দেয়।

লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, খবর পেয়ে মঙ্গলসিকদার ফাড়ির ইনচার্জসহ পুলিশ পাঠানো হয়েছে। মোবাইল সেট ফেরত দিয়েছে ইজারাদারের লোকজন। সাংবাদিক অভিযোগ প্রদান করলে আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ব্যাপারে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. শাহ আজিজ বলেন, এর আগে এ অনিয়মের ব্যাপারে মোবাইল কোর্ট পরিচালনা করে জরিমানা করা হয়েছে। ঈদের পর আমি সেখানে গিয়েছি এবং তখন আমি কোন অনিয়ম পাইনি। ইজারাদারের লোকজন আমাদের আগোচরে অনিয়ম করে থাকে। আজকের ব্যাপারটা বিআইডব্লিউকে জানানো হবে যাতে তারা আইনআনুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করে।