শ্রীনগরে পশুর হাটে ক্রেতার সমাগম, বেড়েছে বিক্রি 

খান সুজন
  প্রকাশিত হয়েছেঃ  ০৬:১০ PM, ১৪ জুন ২০২৪

শ্রীনগর (মুন্সীগঞ্জ) : শ্রীনগরে ঈদ-উল আযহাকে সামনে রেখে শেষ মুহুর্তে কোরবানির পশু বিকিকিনির হাটগুলোতে ক্রেতাদের সমাগম বাড়ছে। ক্রেতা-বিক্রেতার হাক-ডাকে জমে উঠেছে পশুর হাট। খামারিরা হাটে অসংখ্য গরু-ছাগল নিয়ে এসেছেন । আগামী ১৭ জুন ঈদ উপলক্ষে বিভিন্ন শ্রেণি পেশার মানুষ নাড়ির টানে গ্রামের বাড়িতে ফিরছেন।সরখানেই এখন মানুষের মধ্যে এক ধরণের সাঁজ সাঁজ রব ঈদের আনন্দ বিরাজ করছে। মানুষ হাট থেকে কোরবানির পশু কেনা থেকে শুরু করে গরু-ছাগল জবাইয়ের কাজে ব্যবহিৃত চাকু,ছুরি, চাপাতি, বটি, কুড়ালসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি সান দিতে স্থানীয় কামারের দোকনে ভিড় করছেন। ভিড় জমাচ্ছেন খাইটা, পলেথিন, পাটি, চাটাই, চাঙ্গারিহ বিভিন্ন প্রয়োজনীয়উপকরণ সামগ্রীর দোকানেও। গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার বৃষ্টিতে পশুর হাটে দুর্ভোগ বাড়ে। বৃষ্টিও বজ্রপাত আতঙ্কে হাটগুলো ক্রেতা শূণ্য হয়ে পড়ে। তবে শুক্রবার (বিকাল পর্যন্ত) বৃষ্টি না থাকায়কোরবানির পশুর হাটে ক্রেতারা ভিড় জমান। সবেজমিন ঘুরে দেখা গেছে, শ্রীনগর সদরইউনিয়নে দেউলভোগ নিয়মিত পশুর হাটসহ ভাগ্যকুল মাঠে, কামারগাঁও কেদারপুর মাঠে, বাঘড়াবাজার সংলগ্ন মাঠে, বাড়ৈখালীর শিবরামপুর হাটে ও বেলতলী খেলার মাঠে অস্থায়ী পশুর হাটেগরু-ছাগল বেচাকেনা হচ্ছে। দেশী বিদেশী জাতের বিভিন্ন আকার আকৃতির গরুর নিয়েআসছেন বেপারীরা। ধারনা করা হচ্ছে শুক্রবার থেকে পুরোদমে পশু বিকিকিনি হবে। ত্রেতাদেরচা হিদার শীর্ষে রয়েছে মাঝারি ও ছোট সাইজের গরু। বড় গরুর তুলনায় অনেকাংশেই মধ্যবিত্তদের চাহিদার তুঙ্গে থাকছে ছোট আকারের দেশী জাতের গরুর। হাটগুলোতে ঈদের দিন সকালপ পর্যন্ত কোরবানির পশু কেনাবেচা হবে বলে হাট সংশ্লিষ্টজনরা জানান। হাটে পশু বিক্রির শতকরা হাসিল মূল্য ধরা হচ্ছে ৬ টাকা হারে। খোঁজ খবর নিয়ে জানা গেছে, উপজেলায় এ বছর কোরবানির পশু চাহিদার তুলনায় যোগানের পরিমাণ বেশী রয়েছ। কোরবানির পশু চাহিদার পরিমাণ ৯ হাজার ৮১০টি। পশু যোগানের পরিমণ আছে ৯ হাজার ৯৫০টি। স্থানীয় কৃষক পরিবারের সদস্যরা জানান, বসত বাসা-বাড়িতে অল্প পুজির মিনি খামার করে বছর জুড়ে গরুর লালন পালন করেছেন।এখন কোরবানির হাটে কাঙ্খিত দামে গরু-ছাগল বিক্রি করে লাভের স্বপ্ন দেখছেন তারা।

শ্রীনগর উপজেলা প্রাণী সম্প্রদ অধিদপ্তর কর্মকর্তা ডাঃ মোহাম্মদ কামরুজ্জামান জানান,উপজেলায় ছোট-বড় সাড়ে ৩ হাজারের অধিক খামার রয়েছে। কোরবানির পশু চাহিদার তুলানায়
যোগন বেশী রয়েছে। আমাদের পক্ষ থেকে হাটগুলোতে পশুর ডাক্তার রাখা হয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন :