ঢাকা ০৫:৪৫ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৯ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
জিসাসের লৌহজং উপজেলা কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে এমপি আব্দুস সালাম আজাদের সৌজন্য সাক্ষাৎ লালমোহনে প্রধানমন্ত্রী ঘোষিত পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য প্রস্তুতিমূলক সভা তজুমদ্দিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৩ জন আটক লালমোহনে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত যুবদল নেতাকে আর্থিক সহায়তা দিলেন স্পিকার অব. হাফিজ উদ্দিন  লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত

সাহসিকতা ও বীরত্বের পুরস্কার পাচ্ছে রাণীনগরে ট্রেন রক্ষাকারী শিক্ষার্থীরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৩:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০১৯ ১২০ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নওগাঁর রাণীনগরে ট্রেন রক্ষাকারী শিক্ষার্থীরা তাদের সাহসিকতা ও বীরত্বের পুরস্কার পেতে যাচ্ছে। সম্প্রতি উপজেলার বড়বড়িয়া নামক স্থানে স্থানীয় কয়েকজন ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা রেললাইন ভেঙে যাওয়া স্থানে দাঁড়িয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দিনাজপুর গামী আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেনকে মোবাইল ফোনের লাল আলো, গায়ের জামা, গামছা-গেঞ্জি উড়িয়ে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করে। তাদের এই সাহসিকতার জন্য পুরস্কার দেওয়া হবে।

রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-মামুন বলেন, গত ১নভেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার গোনা ইউনিয়নের বড়বড়িয়া নামক স্থানে প্রচণ্ড গরমে রেললাইনের একটি অংশ ভেঙে যায় এবং ওই এলাকার একদল ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা সেই ভাঙা অংশ দেখতে পায়। তার একটু পরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দিনাজপুরগামী আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেন ঘটনাস্থল অতিক্রম করার আগেই তারা মোবাইল ফোনের আলো লাল জ্বালিয়ে, গায়ে শার্ট, গামছা, গেঞ্জি যার কাছে যা ছিলো সেটা বাঁশের কঞ্চিতে বেধে সংকেত দিয়ে ট্রেন থামায়। তাদের এই তাৎক্ষণিক বুদ্ধির কারণে ট্রেনে থাকা কয়েক হাজার যাত্রী বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যায়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত করে সেই সব শিক্ষার্থীদের তালিকা করা হয়েছে। সেই সাহসী শিক্ষার্থীরা হলো, উপজেলার পশ্চিম গবিন্দপুর (বড়বড়িয়া) গ্রামের ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাইম ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম লেবুর ছেলে বাধন (২১), একই গ্রামের বাবুর আলীর ছেলে আরিফ (২১), সাইফুল ইসলাম টিক্কার ছেলে রাকিব খান (২০), বড়বড়িয়া গ্রামের হাফিজুর ইসলামের ছেলে হিমেল (১১), গবিন্দপুর (সাতানী) গ্রামের উজ্জল হালদারের ছেলে অন্তর (১১), ধীরেশ চন্দ্র হালদারের ছেলে বিপ্লব ও (১৩) মামুন হোসেনের ছেলে ইব্রাহীম (১১)।

এই সংবাদটি জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকা ও অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশের পর সেই সাহসী শিক্ষার্থীদের জেলা প্রশাসন সাহসিকতায় বীরত্বপূর্ণ কাজের পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান করবেন। আগামী ১১ নভেম্বর (সোমবার) জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তাদেরকে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

সাহসিকতা ও বীরত্বের পুরস্কার পাচ্ছে রাণীনগরে ট্রেন রক্ষাকারী শিক্ষার্থীরা

আপডেট : ০৩:৩২:৪৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৮ নভেম্বর ২০১৯

নওগাঁর রাণীনগরে ট্রেন রক্ষাকারী শিক্ষার্থীরা তাদের সাহসিকতা ও বীরত্বের পুরস্কার পেতে যাচ্ছে। সম্প্রতি উপজেলার বড়বড়িয়া নামক স্থানে স্থানীয় কয়েকজন ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা রেললাইন ভেঙে যাওয়া স্থানে দাঁড়িয়ে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দিনাজপুর গামী আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেনকে মোবাইল ফোনের লাল আলো, গায়ের জামা, গামছা-গেঞ্জি উড়িয়ে দুর্ঘটনার হাত থেকে রক্ষা করে। তাদের এই সাহসিকতার জন্য পুরস্কার দেওয়া হবে।

রাণীনগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আল-মামুন বলেন, গত ১নভেম্বর সন্ধ্যায় উপজেলার গোনা ইউনিয়নের বড়বড়িয়া নামক স্থানে প্রচণ্ড গরমে রেললাইনের একটি অংশ ভেঙে যায় এবং ওই এলাকার একদল ক্ষুদে শিক্ষার্থীরা সেই ভাঙা অংশ দেখতে পায়। তার একটু পরে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা দিনাজপুরগামী আন্তঃনগর একতা এক্সপ্রেস ট্রেন ঘটনাস্থল অতিক্রম করার আগেই তারা মোবাইল ফোনের আলো লাল জ্বালিয়ে, গায়ে শার্ট, গামছা, গেঞ্জি যার কাছে যা ছিলো সেটা বাঁশের কঞ্চিতে বেধে সংকেত দিয়ে ট্রেন থামায়। তাদের এই তাৎক্ষণিক বুদ্ধির কারণে ট্রেনে থাকা কয়েক হাজার যাত্রী বড় ধরনের দুর্ঘটনার হাত থেকে প্রাণে বেঁচে যায়।

ঘটনাস্থল পরিদর্শন ও তদন্ত করে সেই সব শিক্ষার্থীদের তালিকা করা হয়েছে। সেই সাহসী শিক্ষার্থীরা হলো, উপজেলার পশ্চিম গবিন্দপুর (বড়বড়িয়া) গ্রামের ৭ম শ্রেণীর শিক্ষার্থী তাইম ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম লেবুর ছেলে বাধন (২১), একই গ্রামের বাবুর আলীর ছেলে আরিফ (২১), সাইফুল ইসলাম টিক্কার ছেলে রাকিব খান (২০), বড়বড়িয়া গ্রামের হাফিজুর ইসলামের ছেলে হিমেল (১১), গবিন্দপুর (সাতানী) গ্রামের উজ্জল হালদারের ছেলে অন্তর (১১), ধীরেশ চন্দ্র হালদারের ছেলে বিপ্লব ও (১৩) মামুন হোসেনের ছেলে ইব্রাহীম (১১)।

এই সংবাদটি জাতীয় ও আঞ্চলিক পত্রিকা ও অনলাইন পত্রিকায় প্রকাশের পর সেই সাহসী শিক্ষার্থীদের জেলা প্রশাসন সাহসিকতায় বীরত্বপূর্ণ কাজের পুরস্কার ও সনদপত্র প্রদান করবেন। আগামী ১১ নভেম্বর (সোমবার) জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় তাদেরকে এই সম্মাননা প্রদান করা হবে।