ঢাকা ১১:৫১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
তজুমদ্দিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৩ জন আটক লালমোহনে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত যুবদল নেতাকে আর্থিক সহায়তা দিলেন স্পিকার অব. হাফিজ উদ্দিন  লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমোহনে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাঁতারে প্রথম বাপ্পি ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার

হাটে বাড়ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়…কোরবানির জন্য প্রস্তুত লালমোহনে ১৬ হাজার ১৭১টি গবাদি পশু

জাহিদ দুলাল, জেলা প্রতিনিধি (ভোলা) :
  • আপডেট : ০৩:১০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫ ১৬৬ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নিয়ে আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা। দিন যত পার হচ্ছে ততই জমে উঠছে কোরবানি পশু কেনা-বেচা। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে পশু কোরবানি দেবেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ভোলার লালমোহন উপজেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে ১৬ হাজার ১৭১টি গবাদি পশু। যার মধ্যে গরু ১০ হাজার ১৭০টি, মহিষ ৫৭৫টি, ছাগল ৪ হাজার ৭৫৫টি এবং ভেড়া ৬৭১টি। এসব গবাদি পশুর গড় বাজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৬ কোটি ৪০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ঈদুল আজহাকে ঘিরে ইতোমধ্যে লালমোহন উপজেলার হাট-বাজরগুলোতে বিক্রির জন্য উঠতে শুরু করেছে গবাদি পশু।

দিন যত যাচ্ছে, ততই ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন লালমোহন উপজেলার পশু খামারিরা। নিজেদের লালন-পালন করা পোষা গবাদি পশুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। যার মধ্যে রয়েছে দেশী-বিদেশী জাতের বিভিন্ন প্রজাতির পশু। ইতোমধ্যে অনেক খামারি নিজেদের গবাদি পশু বিক্রির জন্য বাজারে তোলা শুরু করেছেন। ঘাস-খড়-ভুসি এবং দানাদার খাদ্য খাইয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে এসব গবাদি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছেন তারা।
সরেজমিনে লালমোহন পৌরশহরের পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারিরা গরু-ছাগল বিক্রির জন্য হাটে তুলেছেন। বিক্রেতা মো. লিটন, ইব্রাহিম ও হারুন জানান, বাজার এখনো পুরোপুরি জমে উঠেনি। তবে দিন যত যাবে, ততই জমতে শুরু করবে বাজার। বর্তমানে গত বছরের তুলনায় ক্রেতারা পশুর দাম কম বলছে। প্রাকৃতিক উপায়ে এসব পশু মোটাতাজা করায় আমাদের খরচ বেশি হয়েছে। তাই আমরা চেষ্টা করবো ব্যয় বাদে মোটামুটি সন্তোষজনক কিছু আয় হলেই পশু বিক্রি করার।
উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের কর্তার কাচারি এলাকার গরু বিক্রেতা লিটন বলেন, এ বছর একটি দেশি গরু কোরবানিতে বিক্রির জন্য পালন করেছি। এই প্রথম বাজারে তুলেছি গরুটি। এটির দাম চাচ্ছি দেড় লাখ টাকা। ক্রেতারা এক লাখ টাকা বলছে। তবে ক্রেতারা দাম আরেকটু বাড়িয়ে বললেই বিক্রি করে দেবো গরুটি।
এদিকে, কোরবানি উপলক্ষে সাধ্যের ভেতর পছন্দের পশুর খোঁজ করছেন ক্রেতারা। এমনই এক ক্রেতা মো. সোহেল। তিনি জানান, এ বছর কোরবানিতে পশু কেনার জন্য বরাদ্দ ১ লাখ টাকা। তবে যেটি পছন্দ হয় তার দাম বাজেটের চেয়েও অনেক বেশি। এ জন্য এরইমধ্যে কয়েকটি বাজার ঘুরেছি পছন্দের পশু কেনার জন্য। বাজেটের মধ্যে পছন্দের পশু পেলে শিগগিরই কিনে নেবো। তবে বাজার ঘুরে যতটুকু মনে হয়েছে; গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর দামি কিছুটা বেশি।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মো. রইস উদ্দিন বলেন, আমরা বছরের বিভিন্ন সময় উপজেলার খামারি ও গবাদি পশু লালন-পালনকারীদের প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকছি। তবে কোরবানিকে সামনে রেখে কোনো খামারি যেন কৃত্রিমভাবে গবাদি পশুকে মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি অবলম্বন করতে না পারে সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখছি। এ ছাড়া কোরবানি পর্যন্ত আমাদের ৪টি টিম উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটগুলোতে নিয়মিত তদারকি করবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

হাটে বাড়ছে ক্রেতা-বিক্রেতাদের ভিড়…কোরবানির জন্য প্রস্তুত লালমোহনে ১৬ হাজার ১৭১টি গবাদি পশু

আপডেট : ০৩:১০:২২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

নিয়ে আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা। দিন যত পার হচ্ছে ততই জমে উঠছে কোরবানি পশু কেনা-বেচা। ত্যাগের মহিমায় উদ্ভাসিত হয়ে পশু কোরবানি দেবেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা। আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ভোলার লালমোহন উপজেলায় প্রস্তুত করা হয়েছে ১৬ হাজার ১৭১টি গবাদি পশু। যার মধ্যে গরু ১০ হাজার ১৭০টি, মহিষ ৫৭৫টি, ছাগল ৪ হাজার ৭৫৫টি এবং ভেড়া ৬৭১টি। এসব গবাদি পশুর গড় বাজার মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে ১১৬ কোটি ৪০ লাখ ৩৫ হাজার টাকা। উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতর থেকে এ তথ্য নিশ্চিত করা হয়েছে। ঈদুল আজহাকে ঘিরে ইতোমধ্যে লালমোহন উপজেলার হাট-বাজরগুলোতে বিক্রির জন্য উঠতে শুরু করেছে গবাদি পশু।

দিন যত যাচ্ছে, ততই ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন লালমোহন উপজেলার পশু খামারিরা। নিজেদের লালন-পালন করা পোষা গবাদি পশুর পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। যার মধ্যে রয়েছে দেশী-বিদেশী জাতের বিভিন্ন প্রজাতির পশু। ইতোমধ্যে অনেক খামারি নিজেদের গবাদি পশু বিক্রির জন্য বাজারে তোলা শুরু করেছেন। ঘাস-খড়-ভুসি এবং দানাদার খাদ্য খাইয়ে প্রাকৃতিক উপায়ে এসব গবাদি পশু কোরবানির জন্য প্রস্তুত করেছেন তারা।
সরেজমিনে লালমোহন পৌরশহরের পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে খামারিরা গরু-ছাগল বিক্রির জন্য হাটে তুলেছেন। বিক্রেতা মো. লিটন, ইব্রাহিম ও হারুন জানান, বাজার এখনো পুরোপুরি জমে উঠেনি। তবে দিন যত যাবে, ততই জমতে শুরু করবে বাজার। বর্তমানে গত বছরের তুলনায় ক্রেতারা পশুর দাম কম বলছে। প্রাকৃতিক উপায়ে এসব পশু মোটাতাজা করায় আমাদের খরচ বেশি হয়েছে। তাই আমরা চেষ্টা করবো ব্যয় বাদে মোটামুটি সন্তোষজনক কিছু আয় হলেই পশু বিক্রি করার।
উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের কর্তার কাচারি এলাকার গরু বিক্রেতা লিটন বলেন, এ বছর একটি দেশি গরু কোরবানিতে বিক্রির জন্য পালন করেছি। এই প্রথম বাজারে তুলেছি গরুটি। এটির দাম চাচ্ছি দেড় লাখ টাকা। ক্রেতারা এক লাখ টাকা বলছে। তবে ক্রেতারা দাম আরেকটু বাড়িয়ে বললেই বিক্রি করে দেবো গরুটি।
এদিকে, কোরবানি উপলক্ষে সাধ্যের ভেতর পছন্দের পশুর খোঁজ করছেন ক্রেতারা। এমনই এক ক্রেতা মো. সোহেল। তিনি জানান, এ বছর কোরবানিতে পশু কেনার জন্য বরাদ্দ ১ লাখ টাকা। তবে যেটি পছন্দ হয় তার দাম বাজেটের চেয়েও অনেক বেশি। এ জন্য এরইমধ্যে কয়েকটি বাজার ঘুরেছি পছন্দের পশু কেনার জন্য। বাজেটের মধ্যে পছন্দের পশু পেলে শিগগিরই কিনে নেবো। তবে বাজার ঘুরে যতটুকু মনে হয়েছে; গত বছরের তুলনায় এবার কোরবানির পশুর দামি কিছুটা বেশি।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. মো. রইস উদ্দিন বলেন, আমরা বছরের বিভিন্ন সময় উপজেলার খামারি ও গবাদি পশু লালন-পালনকারীদের প্রয়োজনে তাদের পাশে থাকছি। তবে কোরবানিকে সামনে রেখে কোনো খামারি যেন কৃত্রিমভাবে গবাদি পশুকে মোটাতাজাকরণ পদ্ধতি অবলম্বন করতে না পারে সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখছি। এ ছাড়া কোরবানি পর্যন্ত আমাদের ৪টি টিম উপজেলার বিভিন্ন পশুর হাটগুলোতে নিয়মিত তদারকি করবে।