ঢাকা ০৮:২৭ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
তজুমদ্দিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৩ জন আটক লালমোহনে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত যুবদল নেতাকে আর্থিক সহায়তা দিলেন স্পিকার অব. হাফিজ উদ্দিন  লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমোহনে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাঁতারে প্রথম বাপ্পি ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার

ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের মেরামত কাজ পরিদর্শনে

চরফ্যাশন প্রতিনিধি:
  • আপডেট : ০৬:২৯:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে ভোলার চরফ্যাশনে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঢেউয়ের আঘাতে খেজুর গাছিয়া বেড়িবাঁধ ২৫০ মিটার ভেঙে গেছে। ফলে সেখানকার প্রায় ২ হাজার পরিবার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত জোয়ার পানির ঢেউয়ের আঘাতে উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়ন খেজুর গাছিয়া বেড়িবাঁধের একাধিক স্থানে দুই দফায় এই ভাঙন দেখা দেয়। এতে এলাকার অনেক ক্ষতি হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করায়  ঝুঁকিতে থাকা সেখানকার প্রায় ২ হাজার পরিবারের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

আজ দুপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসনা শারমিন মিথি ও চরফ্যাশন উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২(পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদদৌলা,চরফ্যাশন উপজেলা সাবেক যুবদলের সভাপতি  আশ্রাফুর রহমান দীপু ফরাজী, সরেজমিনে গিয়ে মেরামত কাজ পরিদর্শন করেন। এসময় পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদদৌলা উপস্থিত সংবাদকর্মীদের উদ্দ্যেশে বলেন, গত ২ জুন ঘূর্ণিঝড় শক্তি ও মন্থায়  খেজুর গাছিয়া বেড়িবাঁধটি মেঘনা নদীর ঢেউয়ের আঘাতে ২৫০ মিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ওই বাঁধ নির্মাণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ৪৫ লাখ টাকার বরাদ্দ করা হয়। এরমধ্যে ডিপিএন টেন্ডারের মাধ্যমে চরফ্যাশন উপজেলা দুইটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বাঁধ নির্মাণের কাজ দেয়া হয়। উপজেলা প্রশাসনের বেঁধে দেয়া দুইমাস সময়ের মধ্যে তারা বাঁধ নির্মাণ কাজটি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। এরইমধ্যে তারা মাটি ভরাটের কাজ করলেও তা হটাৎ করে আসাজোয়ারের ঢেউয়ের আঘাতে মাটি সরে যায়। কাজ এখনও চলমান। অপরদিকে আবারও গত শুক্রবার জোয়ারের পানির চাপে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধটি দ্বিতীয় দফায়  ৯০ শতাংশ ভেঙে যায়। ওইদিন রাতেই উপজেলা প্রশাসন সহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুই ঠিকাদারকে দেয়া বাঁধ নির্মাণ কাজটি দ্রুত  সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশ  দেয়া হয়েছে। সাময়িক ভাবে বাধঁকে সুরক্ষার জন্য বাঁধ ভাঙন কবলিত স্থানে জিও ব্যাগ দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। ওই সময় বাঁধ নির্মাণ শ্রমিকদের কাজ করতে দেখা গেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধের মেরামত কাজ পরিদর্শনে

আপডেট : ০৬:২৯:০৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ জুলাই ২০২৫

বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে ভোলার চরফ্যাশনে জোয়ারের পানি বৃদ্ধি পেয়ে ঢেউয়ের আঘাতে খেজুর গাছিয়া বেড়িবাঁধ ২৫০ মিটার ভেঙে গেছে। ফলে সেখানকার প্রায় ২ হাজার পরিবার ঝুঁকির মধ্যে রয়েছেন।

শুক্রবার সকাল থেকে শনিবার দুপুর পর্যন্ত জোয়ার পানির ঢেউয়ের আঘাতে উপজেলার হাজারীগঞ্জ ইউনিয়ন খেজুর গাছিয়া বেড়িবাঁধের একাধিক স্থানে দুই দফায় এই ভাঙন দেখা দেয়। এতে এলাকার অনেক ক্ষতি হয়েছে। জরুরি ভিত্তিতে মেরামতের প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করায়  ঝুঁকিতে থাকা সেখানকার প্রায় ২ হাজার পরিবারের মাঝে স্বস্তি ফিরে এসেছে।

আজ দুপুরের উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাসনা শারমিন মিথি ও চরফ্যাশন উপজেলা পানি উন্নয়ন বোর্ড-২(পাউবো) নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদদৌলা,চরফ্যাশন উপজেলা সাবেক যুবদলের সভাপতি  আশ্রাফুর রহমান দীপু ফরাজী, সরেজমিনে গিয়ে মেরামত কাজ পরিদর্শন করেন। এসময় পানি উন্নয়ন বোর্ড নির্বাহী প্রকৌশলী আসফাউদদৌলা উপস্থিত সংবাদকর্মীদের উদ্দ্যেশে বলেন, গত ২ জুন ঘূর্ণিঝড় শক্তি ও মন্থায়  খেজুর গাছিয়া বেড়িবাঁধটি মেঘনা নদীর ঢেউয়ের আঘাতে ২৫০ মিটার ক্ষতিগ্রস্ত হয়। এরপর ওই বাঁধ নির্মাণের জন্য জরুরি ভিত্তিতে ৪৫ লাখ টাকার বরাদ্দ করা হয়। এরমধ্যে ডিপিএন টেন্ডারের মাধ্যমে চরফ্যাশন উপজেলা দুইটি ঠিকাদার প্রতিষ্ঠানকে বাঁধ নির্মাণের কাজ দেয়া হয়। উপজেলা প্রশাসনের বেঁধে দেয়া দুইমাস সময়ের মধ্যে তারা বাঁধ নির্মাণ কাজটি সম্পন্ন করতে বলা হয়েছে। এরইমধ্যে তারা মাটি ভরাটের কাজ করলেও তা হটাৎ করে আসাজোয়ারের ঢেউয়ের আঘাতে মাটি সরে যায়। কাজ এখনও চলমান। অপরদিকে আবারও গত শুক্রবার জোয়ারের পানির চাপে ক্ষতিগ্রস্ত বাঁধটি দ্বিতীয় দফায়  ৯০ শতাংশ ভেঙে যায়। ওইদিন রাতেই উপজেলা প্রশাসন সহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে দুই ঠিকাদারকে দেয়া বাঁধ নির্মাণ কাজটি দ্রুত  সম্পন্ন করার জন্য নির্দেশ  দেয়া হয়েছে। সাময়িক ভাবে বাধঁকে সুরক্ষার জন্য বাঁধ ভাঙন কবলিত স্থানে জিও ব্যাগ দিয়ে ঢেকে দেয়া হয়েছে। ওই সময় বাঁধ নির্মাণ শ্রমিকদের কাজ করতে দেখা গেছে।