ঢাকা ০৫:২৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ০২ মার্চ ২০২৬, ১৭ ফাল্গুন ১৪৩২ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
বিএনপির দুঃসময়ের সৈনিক খালেদা আলমকে সংরক্ষিত আসনের এমপি হিসেবে দেখতে চায় এলাকাবাসী শ্রীনগরে সিসি ক্যামেরায় ধরা পড়লো সন্দেহভাজন ডাকাতদের গতিবিধি মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞায় লালমোহনে প্রায় ২৭ হাজার জেলে কর্মহীন লালমোহনে বিলুপ্তির পথে দৃষ্টিনন্দন ঢোল কলমি গাছ ! শ্রীনগরে প্রাইভেটকার দুর্ঘটনায় আহত ৩  লালমোহনে ৬ পা নিয়ে গরু বাছুরের জম্ম! দেখতে উৎসুক জনতার ভীর। লালমোহনে অবৈধ বালু ব্যবসায়ীকে দেড় লাখ টাকা জরিমানা ডাকাতির প্রস্তুতিকালে অস্ত্রসহ ৩ ডাকাত গ্রেফতার লালমোহনে জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষার ফলাফলে হা-মীমের সাফল্য লালমোহন বাজারে দুই ব্যবসায়ীর উপর হামলা ও টাকা ছিনতাইয়ের অভিযোগ

মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞায় লালমোহনে প্রায় ২৭ হাজার জেলে কর্মহীন

নাজমুল খান সুজন
  • আপডেট : ০৪:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬ ৪৩ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জাহিদ দুলাল, জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
প্রজনন মৌসুমে মা, ইলিশ ও জাটকা সংরক্ষণে ভোলার লালমোহন উপজেলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় আজ ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস সব প্রকার মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ সময় ইলিশ ধরা, বিক্রি, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

 

 

 

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, লালমোহনে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ২৪ হাজার ৮০৬ জন। নিবন্ধনের বাইরে আরও ২ হাজার ৫০০ জন জেলে রয়েছে। মেঘনার চর ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত এবং তেঁতুলিয়া নদীর ভেদুরিয়া থেকে চর রুস্তুম পর্যন্ত প্রায় ১৯০ কিলোমিটার এলাকা অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

 

 

 

লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলী আহমেদ আখন্দ জানান, ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। জেলেরা যাতে নদীতে মাছ শিকারে না যান, সেজন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। মেঘনার তীরবর্তী বাতির খাল, লঞ্চঘাট, মাছ ঘাটসহ তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা, ব্যানার ও মাইকিং করা হচ্ছে।

 

 

 

তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে মৎস্য আইনে সর্বনিম্ন এক বছর থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং অভিযানে থাকবে মৎস্য বিভাগ, পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ড।ষেধাজ্ঞার কারণে নিবন্ধিত জেলেদের জন্য সরকার চার মাস ধরে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দিয়েছে বলে জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ।

 

 

 

এদিকে উপজেলার বাতির খাল এলাকার জেলে নুর ইসলাম, হাদিস ও মোমিন বলেন, সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমরা তা মেনে নিয়েছি। তবে, দুই মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকায় এনজিওর কিস্তি আদায় সাময়িক বন্ধ রাখা এবং বরাদ্দকৃত চাল সময়মতো বিতরণের দাবি জানান তারা।

 

 

প্রজনন মৌসুমে ইলিশ রক্ষায় সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

মাছ ধরার নিষেধাজ্ঞায় লালমোহনে প্রায় ২৭ হাজার জেলে কর্মহীন

আপডেট : ০৪:৩৩:৩৮ অপরাহ্ন, রবিবার, ১ মার্চ ২০২৬

জাহিদ দুলাল, জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
প্রজনন মৌসুমে মা, ইলিশ ও জাটকা সংরক্ষণে ভোলার লালমোহন উপজেলার মেঘনা ও তেঁতুলিয়া নদীর অভয়াশ্রম এলাকায় আজ ১ মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল পর্যন্ত দুই মাস সব প্রকার মাছ ধরা নিষিদ্ধ করেছে সরকার। এ সময় ইলিশ ধরা, বিক্রি, সংরক্ষণ ও বাজারজাতকরণ সম্পূর্ণ বন্ধ থাকবে।

 

 

 

উপজেলা মৎস্য অফিস সূত্রে জানা গেছে, লালমোহনে নিবন্ধিত জেলের সংখ্যা ২৪ হাজার ৮০৬ জন। নিবন্ধনের বাইরে আরও ২ হাজার ৫০০ জন জেলে রয়েছে। মেঘনার চর ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত এবং তেঁতুলিয়া নদীর ভেদুরিয়া থেকে চর রুস্তুম পর্যন্ত প্রায় ১৯০ কিলোমিটার এলাকা অভয়াশ্রম হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে।

 

 

 

লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলী আহমেদ আখন্দ জানান, ইলিশের প্রজনন নির্বিঘ্ন রাখতে মার্চ-এপ্রিল দুই মাস এ নিষেধাজ্ঞা কার্যকর থাকবে। জেলেরা যাতে নদীতে মাছ শিকারে না যান, সেজন্য ব্যাপক প্রচার-প্রচারণা চালানো হচ্ছে। মেঘনার তীরবর্তী বাতির খাল, লঞ্চঘাট, মাছ ঘাটসহ তেঁতুলিয়া নদীর বিভিন্ন পয়েন্টে জেলে ও মৎস্য ব্যবসায়ীদের নিয়ে সচেতনতামূলক সভা, ব্যানার ও মাইকিং করা হচ্ছে।

 

 

 

তিনি আরও বলেন, নিষেধাজ্ঞা অমান্য করলে মৎস্য আইনে সর্বনিম্ন এক বছর থেকে দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা কিংবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত করা হবে এবং অভিযানে থাকবে মৎস্য বিভাগ, পুলিশ, নৌ-পুলিশ ও কোস্টগার্ড।ষেধাজ্ঞার কারণে নিবন্ধিত জেলেদের জন্য সরকার চার মাস ধরে প্রতি মাসে ৪০ কেজি করে চাল বরাদ্দ দিয়েছে বলে জানিয়েছে মৎস্য বিভাগ।

 

 

 

এদিকে উপজেলার বাতির খাল এলাকার জেলে নুর ইসলাম, হাদিস ও মোমিন বলেন, সরকার যে সিদ্ধান্ত নিয়েছে আমরা তা মেনে নিয়েছি। তবে, দুই মাস মাছ ধরা বন্ধ থাকায় এনজিওর কিস্তি আদায় সাময়িক বন্ধ রাখা এবং বরাদ্দকৃত চাল সময়মতো বিতরণের দাবি জানান তারা।

 

 

প্রজনন মৌসুমে ইলিশ রক্ষায় সরকারের এ উদ্যোগ বাস্তবায়নে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে রয়েছে বলে জানিয়েছে সংশ্লিষ্টরা।