ঢাকা ০৯:১৫ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
তজুমদ্দিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৩ জন আটক লালমোহনে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত যুবদল নেতাকে আর্থিক সহায়তা দিলেন স্পিকার অব. হাফিজ উদ্দিন  লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমোহনে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাঁতারে প্রথম বাপ্পি ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার

লালমোহনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পশ্চিম চর উমেদ ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু ইউসুফ

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা) :
  • আপডেট : ১২:৪৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫ ১২৭ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন হলের ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, তৎকালীন ভোলা জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ সাংবাদিকদের এক সাক্ষাৎকার বলেন,আমি বিএনপি পরিবারের সন্তান, আমার পিতা মরহুম সোলাইমান মাতাব্বর তৎকালীন পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি থাকাকালীন সময়ে এই ইউনিয়নে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ করার লক্ষ্যে বিএনপি সরকারের আমলে ২০০৩ সালে আমি পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই।চেয়ারম্যান হিসেবে পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়নমূলক ব্যপক কাজ করায় পাল্টে গেছে ইউনিয়নের চিত্র।
তিনি আরো বলেন,আমার দক্ষতা ও এলাকার জনপ্রিয়তা দেখে তৎকালীন আওয়ামীলীগের একটি মহল ইউনিয়নকে দুই ভাগে বিভক্ত করে চেয়ারম্যান হওয়ার পায়তারা চালায়।ইউনিয়নটি দুই ভাগে বিভক্ত হতে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় নির্বাচন বন্ধ থাকে।
পরে ভোলা ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন আমাকে চেয়ারম্যান থেকে অপসারণ করার জন্য এই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি ছালেম হাওলাদারকে দিয়ে আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে আমাকে চেয়ারম্যান থেকে অপশারন করে।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালে নির্বাচন কমিশনের গেজেট অনুযায়ী মার্চ মাসের ৯ তারিখে এই ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও নির্বাচনী মাঠে আমার জনপ্রিয়তা দেখে ঠিক নির্বাচনের ২ দিন আগে পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন মাতাব্বর ও তার ভাগিনা ইকবাল আদালতে মামলা করে ভোট বন্ধ করে দেয়।ওই সময় নির্বাচনের করার জন্য প্রায় শতাধিক চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থী ছিলো।
আওয়ামীলীগ সরকার রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে পালানোর পরে দীর্ঘ সময় এই ইউনিয়নের প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন,লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরে পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের দুর্দশা থেকে পরিত্রাণ করতে,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ছালেম হাওলাদারের দায়ের করা মামলার সুবিচারের জন্য
আদালতের হাজির হই।তখন উচ্চ আদালতে সুবিচারের মাধ্যমে আমার চেয়ারম্যানের পদ ফিরে পায়।
সম্প্রতি কিছু কুচক্রী মহল গজারিয়া বাজারে মানববন্ধন করে চেয়ারম্যানকে অপসারণের দাবি জানাচ্ছে তারা ২০২৪ সালের মার্চ মাসে কোথায় ছিলো।যখন নির্বাচন হওয়ার ২দিন আগে মামলা করে নির্বাচন বন্ধ করে।মানববন্ধন অংশগ্রহনকারী অধিকাংশই আওয়ামীলীগের দালাল। কারন বিএনপি’র হাই কমান্ড জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন সমর্থন করেনা,আজকে যারা মানববন্ধনে নির্বাচনের দাবী জানাচ্ছে এরা অবশ্যই বিএনপির শত্রু।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

লালমোহনে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পশ্চিম চর উমেদ ইউপি চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ আবু ইউসুফ

আপডেট : ১২:৪৬:১০ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৪ মে ২০২৫

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবন হলের ছাত্রদলের সাবেক সভাপতি, তৎকালীন ভোলা জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি আবু ইউসুফ সাংবাদিকদের এক সাক্ষাৎকার বলেন,আমি বিএনপি পরিবারের সন্তান, আমার পিতা মরহুম সোলাইমান মাতাব্বর তৎকালীন পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি থাকাকালীন সময়ে এই ইউনিয়নে সাধারণ মানুষের পাশে থেকে এলাকার উন্নয়নমূলক কাজ করার লক্ষ্যে বিএনপি সরকারের আমলে ২০০৩ সালে আমি পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে বিপুল ভোটে চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই।চেয়ারম্যান হিসেবে পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই অক্লান্ত পরিশ্রমের মাধ্যমে এলাকার সার্বিক উন্নয়নমূলক ব্যপক কাজ করায় পাল্টে গেছে ইউনিয়নের চিত্র।
তিনি আরো বলেন,আমার দক্ষতা ও এলাকার জনপ্রিয়তা দেখে তৎকালীন আওয়ামীলীগের একটি মহল ইউনিয়নকে দুই ভাগে বিভক্ত করে চেয়ারম্যান হওয়ার পায়তারা চালায়।ইউনিয়নটি দুই ভাগে বিভক্ত হতে দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়ায় নির্বাচন বন্ধ থাকে।
পরে ভোলা ৩ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নুরুন্নবী চৌধুরী শাওন আমাকে চেয়ারম্যান থেকে অপসারণ করার জন্য এই ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সভাপতি ছালেম হাওলাদারকে দিয়ে আদালতে একটি মিথ্যা মামলা দায়ের করে আমাকে চেয়ারম্যান থেকে অপশারন করে।
পরবর্তীতে ২০২৪ সালে নির্বাচন কমিশনের গেজেট অনুযায়ী মার্চ মাসের ৯ তারিখে এই ইউনিয়নে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা থাকলেও নির্বাচনী মাঠে আমার জনপ্রিয়তা দেখে ঠিক নির্বাচনের ২ দিন আগে পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীন মাতাব্বর ও তার ভাগিনা ইকবাল আদালতে মামলা করে ভোট বন্ধ করে দেয়।ওই সময় নির্বাচনের করার জন্য প্রায় শতাধিক চেয়ারম্যান ও মেম্বার প্রার্থী ছিলো।
আওয়ামীলীগ সরকার রাষ্ট্রক্ষমতা থেকে পালানোর পরে দীর্ঘ সময় এই ইউনিয়নের প্রশাসকের দায়িত্বে ছিলেন,লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরে পশ্চিম চর উমেদ ইউনিয়নের সাধারণ মানুষের দুর্দশা থেকে পরিত্রাণ করতে,ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি ছালেম হাওলাদারের দায়ের করা মামলার সুবিচারের জন্য
আদালতের হাজির হই।তখন উচ্চ আদালতে সুবিচারের মাধ্যমে আমার চেয়ারম্যানের পদ ফিরে পায়।
সম্প্রতি কিছু কুচক্রী মহল গজারিয়া বাজারে মানববন্ধন করে চেয়ারম্যানকে অপসারণের দাবি জানাচ্ছে তারা ২০২৪ সালের মার্চ মাসে কোথায় ছিলো।যখন নির্বাচন হওয়ার ২দিন আগে মামলা করে নির্বাচন বন্ধ করে।মানববন্ধন অংশগ্রহনকারী অধিকাংশই আওয়ামীলীগের দালাল। কারন বিএনপি’র হাই কমান্ড জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় নির্বাচন সমর্থন করেনা,আজকে যারা মানববন্ধনে নির্বাচনের দাবী জানাচ্ছে এরা অবশ্যই বিএনপির শত্রু।