ঢাকা ১২:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২০ মে ২০২৬, ৫ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
ইউরোপীয়ান বাংলা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠিত, মাহবুবুর রহমান সভাপতি- জহিরুল ইসলাম সাঃ সম্পাদক লালমোহনে বদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো সোহরাওয়ার্দী কলেজ হিসাববিজ্ঞান অ্যাসোসিয়েশন লালমোহনে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন সংবাদ সম্মেলনে লালমোহনে ভূমিহীনদের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ লালমোহনে জমি বিরোধের জের ধরে প্রধান শিক্ষককে কুপিয়ে আহত মা দিবসে ভালোবাসার উচ্চারণ মা, এক যাদুকরী শব্দ মাতুয়াইলের আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিলেন সোহরাওয়ার্দী কলেজের রোভার স্কাউট সদস্য -ইপ্তি চরফ্যাশনে চার্চ অব বাংলাদেশ কলোনীর কবরস্থান, শ্মশান ও টিউবওয়েল দখলের অভিযোগ লালমোহনে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার, থানায় জিডি

মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন সোহরাওয়ার্দী কলেজে

নাজমুল খান সুজন
  • আপডেট : ০৭:০৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ৯৪ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ পলাশ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ক্যাম্পাস প্রতিনিধি -মঙ্গল শোভাযাত্রার বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিয়েছে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ। নববর্ষের প্রথম দিনে ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। নববর্ষের প্রথম দিনটিকে ঘিরে কলেজ প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবের আমেজ ও প্রাণের সঞ্চার।

 

উৎসবের সূচনা হয় সকালে মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে।এই মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয় সকাল ৯টায় এবং সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে পর্যন্ত গমন করে। মঙ্গল শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়সহ অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কলেজ কর্মচারীরা। তারা রঙ-বেরঙের পোশাক পরে ব্যানার, পোস্টার ও বাঁশি নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরতেই এই আয়োজন করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

 

পহেলা বৈশাখ নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায় বলেন,
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। পহেলা বৈশাখ শুধু বাংলা মাসের সূচনা নয়, এটি কৃষক-মজুরসহ সাধারণ মানুষের জন্য এক মঙ্গলময় দিন। অনেকে বলেন, গরিব মানুষ সারা বছরই পান্তা ভাত খায়—তাহলে বছরের প্রথম দিনও কি তাই হবে? আমি এই মতের সাথে একমত নই। আমার বিশ্বাস, যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, সে সাধ্যমতো দিনটি ভালোভাবে উদযাপন করবে। পাশাপাশি, যাদের ঘরে খাবার নেই, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। যেমন আমরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি, তেমনি নববর্ষের আনন্দও সবাই একসাথে করতে পারি—সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

 

পহেলা বৈশাখ নিয়ে কলেজের একজন শিক্ষার্থী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের প্রাণের উৎসব। এটি সকল ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে বাঙালির উৎসব। পহেলা বৈশাখ আমাদের সংকল্প করতে শেখায় এবং পুরনো বছরের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে পথ চলার সুযোগ দেয়।

 

কলেজের আরও একজন শিক্ষার্থী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমার কাছে শুধু একটি উৎসব নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই দিনটি আমাদের ইতিহাস ও শিকড়কে নতুনভাবে জানার সুযোগ করে দেয়।

 

কলেজ ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে প্রত্যেক বিভাগ ও বিভিন্ন সংগঠন থেকে স্টলের আয়োজন ছিল। এসব স্টলে হস্তশিল্প, পিঠা-পুলি, খেলনা, পান্তা-ইলিশ ও বিভিন্ন ধরনের ভর্তা ছিল, যা দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে।

দিনব্যাপী চলা এই বৈশাখী আয়োজন সবার মনে আনন্দের ছাপ ফেলেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন সোহরাওয়ার্দী কলেজে

আপডেট : ০৭:০৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ পলাশ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ক্যাম্পাস প্রতিনিধি -মঙ্গল শোভাযাত্রার বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিয়েছে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ। নববর্ষের প্রথম দিনে ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। নববর্ষের প্রথম দিনটিকে ঘিরে কলেজ প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবের আমেজ ও প্রাণের সঞ্চার।

 

উৎসবের সূচনা হয় সকালে মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে।এই মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয় সকাল ৯টায় এবং সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে পর্যন্ত গমন করে। মঙ্গল শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়সহ অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কলেজ কর্মচারীরা। তারা রঙ-বেরঙের পোশাক পরে ব্যানার, পোস্টার ও বাঁশি নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরতেই এই আয়োজন করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

 

পহেলা বৈশাখ নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায় বলেন,
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। পহেলা বৈশাখ শুধু বাংলা মাসের সূচনা নয়, এটি কৃষক-মজুরসহ সাধারণ মানুষের জন্য এক মঙ্গলময় দিন। অনেকে বলেন, গরিব মানুষ সারা বছরই পান্তা ভাত খায়—তাহলে বছরের প্রথম দিনও কি তাই হবে? আমি এই মতের সাথে একমত নই। আমার বিশ্বাস, যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, সে সাধ্যমতো দিনটি ভালোভাবে উদযাপন করবে। পাশাপাশি, যাদের ঘরে খাবার নেই, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। যেমন আমরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি, তেমনি নববর্ষের আনন্দও সবাই একসাথে করতে পারি—সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

 

পহেলা বৈশাখ নিয়ে কলেজের একজন শিক্ষার্থী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের প্রাণের উৎসব। এটি সকল ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে বাঙালির উৎসব। পহেলা বৈশাখ আমাদের সংকল্প করতে শেখায় এবং পুরনো বছরের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে পথ চলার সুযোগ দেয়।

 

কলেজের আরও একজন শিক্ষার্থী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমার কাছে শুধু একটি উৎসব নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই দিনটি আমাদের ইতিহাস ও শিকড়কে নতুনভাবে জানার সুযোগ করে দেয়।

 

কলেজ ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে প্রত্যেক বিভাগ ও বিভিন্ন সংগঠন থেকে স্টলের আয়োজন ছিল। এসব স্টলে হস্তশিল্প, পিঠা-পুলি, খেলনা, পান্তা-ইলিশ ও বিভিন্ন ধরনের ভর্তা ছিল, যা দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে।

দিনব্যাপী চলা এই বৈশাখী আয়োজন সবার মনে আনন্দের ছাপ ফেলেছে।