ঢাকা ০৪:১৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন সোহরাওয়ার্দী কলেজে লালমোহনে হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার ২০২৬ ইং সনের দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আইচা কলেজের গভর্নিং বডির কমিটি অনুমোদন লালমোহনে অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত লালমোহন নয়ানীগ্রামে মসজিদের বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙ্গার ঘটনায় ক্ষোভ হিউম্যান রাইটস অ্যালাইভের উপদেষ্টা কমিটিতে মোঃ সাহাবুদ্দিন খান, চাঁদপুরবাসীর অভিনন্দন মুন্সীগঞ্জের তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ লালমোহনে চালের ডিওতে সমঝোতা বাণিজ্য টনপ্রতি নূন্যতম ৫শ টাকা নেওয়ার অভিযোগ লালমোহনে ওরকাইতের বিরুদ্ধে ভুয়া ষ্টাম্প তৈরী করে জমি দখলে নিয়ে ভবন নির্মানের অভিযোগ

মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন সোহরাওয়ার্দী কলেজে

নাজমুল খান সুজন
  • আপডেট : ০৭:০৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬ ২৩ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মোঃ পলাশ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ক্যাম্পাস প্রতিনিধি -মঙ্গল শোভাযাত্রার বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিয়েছে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ। নববর্ষের প্রথম দিনে ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। নববর্ষের প্রথম দিনটিকে ঘিরে কলেজ প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবের আমেজ ও প্রাণের সঞ্চার।

 

উৎসবের সূচনা হয় সকালে মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে।এই মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয় সকাল ৯টায় এবং সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে পর্যন্ত গমন করে। মঙ্গল শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়সহ অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কলেজ কর্মচারীরা। তারা রঙ-বেরঙের পোশাক পরে ব্যানার, পোস্টার ও বাঁশি নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরতেই এই আয়োজন করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

 

পহেলা বৈশাখ নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায় বলেন,
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। পহেলা বৈশাখ শুধু বাংলা মাসের সূচনা নয়, এটি কৃষক-মজুরসহ সাধারণ মানুষের জন্য এক মঙ্গলময় দিন। অনেকে বলেন, গরিব মানুষ সারা বছরই পান্তা ভাত খায়—তাহলে বছরের প্রথম দিনও কি তাই হবে? আমি এই মতের সাথে একমত নই। আমার বিশ্বাস, যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, সে সাধ্যমতো দিনটি ভালোভাবে উদযাপন করবে। পাশাপাশি, যাদের ঘরে খাবার নেই, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। যেমন আমরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি, তেমনি নববর্ষের আনন্দও সবাই একসাথে করতে পারি—সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

 

পহেলা বৈশাখ নিয়ে কলেজের একজন শিক্ষার্থী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের প্রাণের উৎসব। এটি সকল ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে বাঙালির উৎসব। পহেলা বৈশাখ আমাদের সংকল্প করতে শেখায় এবং পুরনো বছরের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে পথ চলার সুযোগ দেয়।

 

কলেজের আরও একজন শিক্ষার্থী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমার কাছে শুধু একটি উৎসব নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই দিনটি আমাদের ইতিহাস ও শিকড়কে নতুনভাবে জানার সুযোগ করে দেয়।

 

কলেজ ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে প্রত্যেক বিভাগ ও বিভিন্ন সংগঠন থেকে স্টলের আয়োজন ছিল। এসব স্টলে হস্তশিল্প, পিঠা-পুলি, খেলনা, পান্তা-ইলিশ ও বিভিন্ন ধরনের ভর্তা ছিল, যা দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে।

দিনব্যাপী চলা এই বৈশাখী আয়োজন সবার মনে আনন্দের ছাপ ফেলেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন সোহরাওয়ার্দী কলেজে

আপডেট : ০৭:০৪:১২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬

মোঃ পলাশ সোহরাওয়ার্দী কলেজ ক্যাম্পাস প্রতিনিধি -মঙ্গল শোভাযাত্রার বর্ণিল আয়োজনে বাংলা নববর্ষ ১৪৩৩-কে বরণ করে নিয়েছে সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ। নববর্ষের প্রথম দিনে ক্যাম্পাসজুড়ে ছিল উৎসবমুখর পরিবেশ, শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে প্রাণবন্ত হয়ে ওঠে পুরো আয়োজন। নববর্ষের প্রথম দিনটিকে ঘিরে কলেজ প্রাঙ্গণে ছিল উৎসবের আমেজ ও প্রাণের সঞ্চার।

 

উৎসবের সূচনা হয় সকালে মঙ্গল শোভাযাত্রার মাধ্যমে।এই মঙ্গল শোভাযাত্রা শুরু হয় সকাল ৯টায় এবং সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রাঙ্গণ থেকে শুরু করে ভিক্টোরিয়া পার্কের সামনে পর্যন্ত গমন করে। মঙ্গল শোভাযাত্রায় উপস্থিত ছিলেন অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায়সহ অন্যান্য শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও কলেজ কর্মচারীরা। তারা রঙ-বেরঙের পোশাক পরে ব্যানার, পোস্টার ও বাঁশি নিয়ে শোভাযাত্রায় অংশগ্রহণ করেন। বাংলা নববর্ষের ঐতিহ্য ও সংস্কৃতিকে তুলে ধরতেই এই আয়োজন করে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

 

পহেলা বৈশাখ নিয়ে কলেজের অধ্যক্ষ ড. কাকলী মুখোপাধ্যায় বলেন,
বাংলা নববর্ষের শুভেচ্ছা। পহেলা বৈশাখ শুধু বাংলা মাসের সূচনা নয়, এটি কৃষক-মজুরসহ সাধারণ মানুষের জন্য এক মঙ্গলময় দিন। অনেকে বলেন, গরিব মানুষ সারা বছরই পান্তা ভাত খায়—তাহলে বছরের প্রথম দিনও কি তাই হবে? আমি এই মতের সাথে একমত নই। আমার বিশ্বাস, যার যতটুকু সামর্থ্য আছে, সে সাধ্যমতো দিনটি ভালোভাবে উদযাপন করবে। পাশাপাশি, যাদের ঘরে খাবার নেই, তাদের পাশে দাঁড়ানো আমাদের দায়িত্ব। যেমন আমরা ঈদের আনন্দ ভাগাভাগি করি, তেমনি নববর্ষের আনন্দও সবাই একসাথে করতে পারি—সেদিকেও খেয়াল রাখতে হবে।

 

পহেলা বৈশাখ নিয়ে কলেজের একজন শিক্ষার্থী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমাদের প্রাণের উৎসব। এটি সকল ধর্ম-বর্ণের ঊর্ধ্বে বাঙালির উৎসব। পহেলা বৈশাখ আমাদের সংকল্প করতে শেখায় এবং পুরনো বছরের ভুলগুলো থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন করে পথ চলার সুযোগ দেয়।

 

কলেজের আরও একজন শিক্ষার্থী বলেন, পহেলা বৈশাখ আমার কাছে শুধু একটি উৎসব নয়, এটি আমাদের সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। এই দিনটি আমাদের ইতিহাস ও শিকড়কে নতুনভাবে জানার সুযোগ করে দেয়।

 

কলেজ ক্যাম্পাস প্রাঙ্গণে প্রত্যেক বিভাগ ও বিভিন্ন সংগঠন থেকে স্টলের আয়োজন ছিল। এসব স্টলে হস্তশিল্প, পিঠা-পুলি, খেলনা, পান্তা-ইলিশ ও বিভিন্ন ধরনের ভর্তা ছিল, যা দর্শনার্থীদের কাছে বিশেষ আকর্ষণ হয়ে ওঠে।

দিনব্যাপী চলা এই বৈশাখী আয়োজন সবার মনে আনন্দের ছাপ ফেলেছে।