ঢাকা ০২:৫৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৫ অগাস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
মিরপুর শহীদ বুদ্ধিজীবী কবরস্থানে চিরনিদ্রায় শায়িত অধ্যাপক রফিক উল্লাহ সিকদা লালমোহনে ৬ জুয়াড়ি আটক লালমোহনে শুল্ক ফাঁকি দেয়া বিপুল পরিমাণের বিদেশি সিগারেট জব্দ লালমোহনে গাঁজাসহ যুবক আটক, এলাকাবাসী পিটুনি দিয়ে পুলিশে সোপর্দ চরফ্যাশনে পাচারের উদ্দেশ্যে রাখা  ৩২টি কচ্ছপ উদ্ধার দক্ষিণ আইচা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নির্বাচন: সভাপতি ফরিদ, সম্পাদক সাইফুল শ্রীনগরে মাদক বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল লালমোহনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তৃতীয় লিঙ্গের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ লালমোহনে মেঘনায় অবৈধ খুর্চি জালের কারণে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছেন না জেলেরা লালমোহনে বন্ধু ফোরাম-৯৪ এর শরৎ আড্ডা

লালমোহনে গজারিয়া বাজারের ভিটি বিরোধের জেরে হোটেলে হামলা-ভাঙচুর, লুটের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৭:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬ ২০৭ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া পূর্ব বাজারে বাজারের ভিটি (জমি) বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি ভাড়াটিয়া হোটেলে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীর দাবি, তার প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে উপজেলার গজারিয়া পূর্ব বাজার এলাকার ‘মায়ের দোয়া’ হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। হোটেল মালিক হানিফ সরদার অভিযোগ করেন, তিনি গত তিন বছর ধরে ওই স্থানে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ঘরের মালিক সুরেশ চন্দ্র রবি দাসের সঙ্গে পাশ্ববর্তী ফুলবাগিচা গ্রামের মো. আজিজের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। সেই বিরোধের জেরে তাকে দোকান ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।

তার অভিযোগ, শুক্রবার সকালে মো. আজিজ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে লাঠিসোঁটা হাতে হোটেলে হামলা চালান। এ সময় দোকানের চেয়ার-টেবিল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়, রান্না করা খাবার নষ্ট করা হয় এবং ক্যাশে থাকা নগদ টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। এতে তার প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

ঘরের মালিক সুরেশ চন্দ্র রবি দাস বলেন, ঘরটি তার মালিকানাধীন এবং সেখানে হানিফ সরদার ভাড়ায় ব্যবসা করছেন। জমি নিয়ে তার সঙ্গে মো. আজিজের বিরোধ থাকলেও ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ীর ওপর হামলার কোনো যৌক্তিকতা নেই। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত মো. আজিজের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি আমরা জেনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

লালমোহনে গজারিয়া বাজারের ভিটি বিরোধের জেরে হোটেলে হামলা-ভাঙচুর, লুটের অভিযোগ

আপডেট : ০৭:৩৩:০৪ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১০ জুলাই ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন উপজেলার গজারিয়া পূর্ব বাজারে বাজারের ভিটি (জমি) বিরোধকে কেন্দ্র করে একটি ভাড়াটিয়া হোটেলে হামলা, ভাঙচুর ও নগদ টাকা লুটের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ব্যবসায়ীর দাবি, তার প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শুক্রবার (১০ জুলাই) সকালে উপজেলার গজারিয়া পূর্ব বাজার এলাকার ‘মায়ের দোয়া’ হোটেলে এ ঘটনা ঘটে। হোটেল মালিক হানিফ সরদার অভিযোগ করেন, তিনি গত তিন বছর ধরে ওই স্থানে শান্তিপূর্ণভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে আসছেন। ঘরের মালিক সুরেশ চন্দ্র রবি দাসের সঙ্গে পাশ্ববর্তী ফুলবাগিচা গ্রামের মো. আজিজের জমি নিয়ে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছে। সেই বিরোধের জেরে তাকে দোকান ছেড়ে দেওয়ার জন্য বিভিন্ন সময় চাপ ও হুমকি দেওয়া হচ্ছিল।

তার অভিযোগ, শুক্রবার সকালে মো. আজিজ কয়েকজনকে সঙ্গে নিয়ে লাঠিসোঁটা হাতে হোটেলে হামলা চালান। এ সময় দোকানের চেয়ার-টেবিল ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করা হয়, রান্না করা খাবার নষ্ট করা হয় এবং ক্যাশে থাকা নগদ টাকা নিয়ে যাওয়া হয়। এতে তার প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি। ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেছেন ভুক্তভোগী।

ঘরের মালিক সুরেশ চন্দ্র রবি দাস বলেন, ঘরটি তার মালিকানাধীন এবং সেখানে হানিফ সরদার ভাড়ায় ব্যবসা করছেন। জমি নিয়ে তার সঙ্গে মো. আজিজের বিরোধ থাকলেও ভাড়াটিয়া ব্যবসায়ীর ওপর হামলার কোনো যৌক্তিকতা নেই। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও ক্ষতিপূরণ দাবি করেন।
অভিযোগের বিষয়ে বক্তব্য জানতে অভিযুক্ত মো. আজিজের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

এ বিষয়ে লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. অলিউল ইসলাম বলেন, “বিষয়টি আমরা জেনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”