ঢাকা ১২:৩৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬, ১৯ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
আপনারা আমার সন্তানকে বাঁচান’ শিশু মুজাহিদুল ইসলামের মা-বাবার আকুতি মানবিক সাংবাদিকতায় “হাফেজ্জী সেবা পদক-২০২৬” পুরস্কার পেলেন মোঃ মোশাররফ হোসাইন রাজু বাড়ির দরজা পাশবর্তী পরিবারকে চলাচল করতে দিয়ে বিপাকে বাড়ির মালিক দক্ষিণ আইচায় স্বেচ্ছাশ্রমে দুই কিলোমিটার রাস্তা সংস্কার, স্বস্তি ফিরছে জনজীবনে লালমোহনে অটোরিকশা-পিকআপ সংঘর্ষে আহত ৬ লালমোহনে সড়ক সম্প্রসারণে অনিয়ম, সামাজিক যোগাযোগের মাধ্যমে তোলপাড় হলেও কর্তৃপক্ষের ভূমিকা প্রশ্নবিদ্ধ শ্রীনগর উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর আমির আর নেই দ্বিতীয় দিনের মতো এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মাঝে বিশুদ্ধ পানি বিতরণ করলো ৯৯ ব্যাচের শিক্ষার্থীরা লালমোহনে স্বপ্ন সুপার শপে অগ্নিকান্ড! ১০ লাখ টাকার ক্ষতি  লালমোহনে বৃদ্ধকে পিটিয়ে আহত

নোয়াখালীর কিশোর মিলন হত্যা: এসআইসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

দীপ্ত বার্তা ডেস্ক
  • আপডেট : ০৬:৪৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ৫৩ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডাকাত সন্দেহে কিশোর শামছুদ্দিন মিলনকে (১৬) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তৎকালীন কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই আকরাম শেখসহ পলাতক ২১জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী আমলী আদালত-২ এর বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মোসলে উদ্দিন মিজান এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৭ জুলাই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর কাঁকড়া ইউনিয়নের ছয় ডাকাতকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে স্থানীয়রা। ওইদিন সকালে কিশোর মিলন চর ফকিরা গ্রামের বাড়ি থেকে উপজেলা সদরে যাচ্ছিলেন। পথে চর কাঁকড়া একাডেমি স্কুলের সামনে থেকে একদল লোক তাকেও ডাকাত সন্দেহে আটক করে পুলিশের গাড়িতে তুলে দেয়।

কোম্পানীগঞ্জের তৎকালীন এসআই মো. আকরাম শেখের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মিলনকে থানায় না নিয়ে ডাকাত সাজিয়ে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের টেকের বাজারে উত্তেজিত জনতার হাতে তুলে দেন। এরপর লোকজন নিরপরাধ কিশোর মিলনকে পুলিশের উপস্থিতিতে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। ঘটনার কয়েকদিন পর মোবাইলে ধারণকৃত ভিডিওচিত্রে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের খবর গণমাধ্যমে উঠে আসে।

পরবর্তীতে ২০১৫ সালের জুলাই মাসের প্রথম দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নোয়াখালী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি) ওসি আতাউর রহমান ভূঁইয়া মামলায় তদন্তে ভিডিওচিত্র দেখে হত্যার ঘটনায় শনাক্ত হওয়া ২৭ ব্যক্তি ও চার পুলিশ সদস্যসহ ৩২ জন আসামির সবাইকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে নোয়াখালীর ২ নম্বর আমলি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট দাখিল করেছিলেন।

পরে মামলাটি অধিকতর তদন্ত শেষে সিআইডি কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন আহম্মেদ চলতি বছরের ৯ মার্চ আদালতে পুলিশ সদস্যদের বাদ দিয়ে ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। কিন্তু সোমবার আদালত মামলার নথী পর্যালোচনা করে এসআই আকরাম শেখকে চার্জশিটভুক্ত করেন। এর মধ্যে আবদুর রাজ্জাক নামে একজনের মৃত্যু হওয়ায় তাকে চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় বর্তমানে আট আসামি জামিনে রয়েছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

নোয়াখালীর কিশোর মিলন হত্যা: এসআইসহ ২১ জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা

আপডেট : ০৬:৪৩:১১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে ডাকাত সন্দেহে কিশোর শামছুদ্দিন মিলনকে (১৬) পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দিয়েছেন আদালত। সেই সঙ্গে ঘটনায় জড়িত থাকার অভিযোগে তৎকালীন কোম্পানীগঞ্জ থানার এসআই আকরাম শেখসহ পলাতক ২১জনের বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করা হয়েছে।

সোমবার (১৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে নোয়াখালী আমলী আদালত-২ এর বিচারক সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এস এম মোসলে উদ্দিন মিজান এ আদেশ দেন।

আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০১১ সালের ২৭ জুলাই কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার চর কাঁকড়া ইউনিয়নের ছয় ডাকাতকে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করে স্থানীয়রা। ওইদিন সকালে কিশোর মিলন চর ফকিরা গ্রামের বাড়ি থেকে উপজেলা সদরে যাচ্ছিলেন। পথে চর কাঁকড়া একাডেমি স্কুলের সামনে থেকে একদল লোক তাকেও ডাকাত সন্দেহে আটক করে পুলিশের গাড়িতে তুলে দেয়।

কোম্পানীগঞ্জের তৎকালীন এসআই মো. আকরাম শেখের নেতৃত্বে একদল পুলিশ মিলনকে থানায় না নিয়ে ডাকাত সাজিয়ে চরকাঁকড়া ইউনিয়নের টেকের বাজারে উত্তেজিত জনতার হাতে তুলে দেন। এরপর লোকজন নিরপরাধ কিশোর মিলনকে পুলিশের উপস্থিতিতে পিটিয়ে নির্মমভাবে হত্যা করে। ঘটনার কয়েকদিন পর মোবাইলে ধারণকৃত ভিডিওচিত্রে নৃশংস এই হত্যাকাণ্ডের খবর গণমাধ্যমে উঠে আসে।

পরবর্তীতে ২০১৫ সালের জুলাই মাসের প্রথম দিকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা নোয়াখালী জেলা পুলিশের গোয়েন্দা সংস্থা (ডিবি) ওসি আতাউর রহমান ভূঁইয়া মামলায় তদন্তে ভিডিওচিত্র দেখে হত্যার ঘটনায় শনাক্ত হওয়া ২৭ ব্যক্তি ও চার পুলিশ সদস্যসহ ৩২ জন আসামির সবাইকে মামলা থেকে অব্যাহতি দিয়ে নোয়াখালীর ২ নম্বর আমলি আদালতে চূড়ান্ত প্রতিবেদন রিপোর্ট দাখিল করেছিলেন।

পরে মামলাটি অধিকতর তদন্ত শেষে সিআইডি কুমিল্লা-নোয়াখালী অঞ্চলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার জালাল উদ্দিন আহম্মেদ চলতি বছরের ৯ মার্চ আদালতে পুলিশ সদস্যদের বাদ দিয়ে ২৯ জনের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করেন। কিন্তু সোমবার আদালত মামলার নথী পর্যালোচনা করে এসআই আকরাম শেখকে চার্জশিটভুক্ত করেন। এর মধ্যে আবদুর রাজ্জাক নামে একজনের মৃত্যু হওয়ায় তাকে চার্জশিট থেকে বাদ দেওয়া হয়েছে। এ মামলায় বর্তমানে আট আসামি জামিনে রয়েছে।