ঢাকা ০৯:১০ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
তজুমদ্দিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৩ জন আটক লালমোহনে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত যুবদল নেতাকে আর্থিক সহায়তা দিলেন স্পিকার অব. হাফিজ উদ্দিন  লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমোহনে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাঁতারে প্রথম বাপ্পি ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার

লালমোহনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্রে অসংখ্য ভুল শিক্ষক ও অভিভাবকদের ক্ষোভ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৩:০৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫ ২০৭ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার চলতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে অসংখ্য ভুল পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা। প্রশ্নপত্রে বানান ভুল, বাক্য গঠনজনিত ভুল, অর্থগত অসংগতি ও নির্দেশনা বিভ্রাটসহ নানা অসঙ্গতি প্রকাশ পায়। চতুর্থ শ্রেণির ইংরেজি প্রশ্নেই ৬৫টি ভুল তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাকিব আহমেদ পরশ নামে একজন। তিনি তার পোস্টে প্রকাশ করেন, ‘…প্রশ্নের মধ্যে যদি এত ভুল হয়, তবে…. যোগ্যতার মাপকাঠি নিয়েও প্রশ্ন উঠে। তারা কি শুধুই বেতন নেয়? নাকি বসে বসে চা খায়?’ প্রশ্ন রাখেন তিনি। ওই পোস্টের কমেন্টে ৩য় ও ৫ম শ্রেণির প্রশ্নেও ভুল আছে বলে প্রকাশ করেছেন অনেকে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক ৫ম শ্রেণির ইংরেজি প্রশ্ন দেখিয়ে তাতেও অসংখ্য ভুল তুলে ধরেন।

জানা গেছে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহে আলম নিজ দায়িত্বে প্রশ্নপত্র ছাপানোর ব্যবস্থা করেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি উপজেলা পর্যায়ের কোনো শিক্ষক বা প্রশ্নপত্র পর্যালোচনা কমিটিকে সম্পৃক্ত না করে বাইরে থেকে প্রশ্ন ছাপিয়ে আনেন। তিনি প্রশ্ন বিক্রিও করেন নিজ দায়িত্বে। ১ম থেকে ২য় শ্রেণির প্রশ্ন সেট নেন ৭টাকা, ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণির প্রশ্নের সেট নেন ১২ টাকা।

শিক্ষকরা জানান, গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক পরীক্ষায় এ ধরনের অসংখ্য ভুল শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করেছে। পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন বুঝতে সমস্যা হয়। শিক্ষকদের অভিযোগ— এমন দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে প্রশ্নপত্র যাচাই-বাছাই ছাড়া ছাপানোর কারণে প্রশ্নের মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা শিক্ষার মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সচেতন মহল বলছেন, শিক্ষার মতো সংবেদনশীল খাতে অবহেলা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহে আলম উপজেলায় যোগদানের পর থেকে নিয়ননীতির তোয়াক্কা না করে সহকারি শিক্ষকদের মৌখিক ডেপুটেশনে পাঠানোরও অভিযোগ রয়েছে। নীতিমালায় ডেপুটেশন বন্ধ থাকলেও তিনি আর্থিক সুবিধা নিয়ে মৌখিকভাবে ডেপুটেশন দিচ্ছেন এমন অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. শাহে আলম জানান, প্রুফ না করায় ভুল হতে পারে। চলমান শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে প্রশ্ন দেখা হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

লালমোহনে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রশ্নপত্রে অসংখ্য ভুল শিক্ষক ও অভিভাবকদের ক্ষোভ

আপডেট : ০৩:০৯:১৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ ডিসেম্বর ২০২৫

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলা জেলার লালমোহন উপজেলার চলতি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বার্ষিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে অসংখ্য ভুল পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় শিক্ষক ও অভিভাবকদের মধ্যে দেখা দিয়েছে তীব্র ক্ষোভ ও সমালোচনা। প্রশ্নপত্রে বানান ভুল, বাক্য গঠনজনিত ভুল, অর্থগত অসংগতি ও নির্দেশনা বিভ্রাটসহ নানা অসঙ্গতি প্রকাশ পায়। চতুর্থ শ্রেণির ইংরেজি প্রশ্নেই ৬৫টি ভুল তুলে ধরে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন রাকিব আহমেদ পরশ নামে একজন। তিনি তার পোস্টে প্রকাশ করেন, ‘…প্রশ্নের মধ্যে যদি এত ভুল হয়, তবে…. যোগ্যতার মাপকাঠি নিয়েও প্রশ্ন উঠে। তারা কি শুধুই বেতন নেয়? নাকি বসে বসে চা খায়?’ প্রশ্ন রাখেন তিনি। ওই পোস্টের কমেন্টে ৩য় ও ৫ম শ্রেণির প্রশ্নেও ভুল আছে বলে প্রকাশ করেছেন অনেকে। সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের একজন প্রধান শিক্ষক ৫ম শ্রেণির ইংরেজি প্রশ্ন দেখিয়ে তাতেও অসংখ্য ভুল তুলে ধরেন।

জানা গেছে, উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মোঃ শাহে আলম নিজ দায়িত্বে প্রশ্নপত্র ছাপানোর ব্যবস্থা করেন। অভিযোগ উঠেছে, তিনি উপজেলা পর্যায়ের কোনো শিক্ষক বা প্রশ্নপত্র পর্যালোচনা কমিটিকে সম্পৃক্ত না করে বাইরে থেকে প্রশ্ন ছাপিয়ে আনেন। তিনি প্রশ্ন বিক্রিও করেন নিজ দায়িত্বে। ১ম থেকে ২য় শ্রেণির প্রশ্ন সেট নেন ৭টাকা, ৩য় থেকে ৫ম শ্রেণির প্রশ্নের সেট নেন ১২ টাকা।

শিক্ষকরা জানান, গুরুত্বপূর্ণ বার্ষিক পরীক্ষায় এ ধরনের অসংখ্য ভুল শিক্ষার্থীদের বিভ্রান্ত করেছে। পরীক্ষার হলে শিক্ষার্থীদের প্রশ্ন বুঝতে সমস্যা হয়। শিক্ষকদের অভিযোগ— এমন দায়িত্বশীল জায়গায় থেকে প্রশ্নপত্র যাচাই-বাছাই ছাড়া ছাপানোর কারণে প্রশ্নের মান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, যা শিক্ষার মানকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে। সচেতন মহল বলছেন, শিক্ষার মতো সংবেদনশীল খাতে অবহেলা কোনোভাবেই কাম্য নয়।

এদিকে প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার মো. শাহে আলম উপজেলায় যোগদানের পর থেকে নিয়ননীতির তোয়াক্কা না করে সহকারি শিক্ষকদের মৌখিক ডেপুটেশনে পাঠানোরও অভিযোগ রয়েছে। নীতিমালায় ডেপুটেশন বন্ধ থাকলেও তিনি আর্থিক সুবিধা নিয়ে মৌখিকভাবে ডেপুটেশন দিচ্ছেন এমন অভিযোগ রয়েছে।
অভিযোগের বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিসার মো. শাহে আলম জানান, প্রুফ না করায় ভুল হতে পারে। চলমান শিক্ষকদের আন্দোলনের কারণে প্রশ্ন দেখা হয়নি।