ঢাকা ১১:২২ অপরাহ্ন, সোমবার, ০২ নভেম্বর ২০২৬, ১৮ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
দৈনিক মুন্সিগঞ্জের বার্তার বর্ষপূর্তি উপলক্ষে লৌহজং ইউএনওর সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ লালমোহনে সরকারি টেকনিক্যাল কলেজসহ দুই প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি লালমোহনে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার লালমোহনে দৈনিক বাংলাদেশ বাণী পত্রিকার ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত চরফ্যাশনে মহাপবিত্র বিশ্ব উরস শরীফ ২০২৭ উপলক্ষে দাওয়াতি আজিমুশ্বান ইসলামী জলসা অনুষ্ঠিত লালমোহনের ৭৫ বছরের বৃদ্ধ বারেকের সংগ্রামী জীবন ! শাপলা বিক্রিতে চলে সংসার সিরাজদিখানে বিক্রমপুর রক্তদান সংস্থার ৮ম বর্ষে পদার্পণ, বর্ষপূর্তি উৎসব ও স্বেচ্ছাসেবীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ভোলায় এইচএসসির পাসের হারে শীর্ষে লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সোহরাওয়ার্দী কলেজে এইচএসসিতে অকৃতকার্য ৭২৪, জিপিএ-৫ পেলেন মাত্র ৩ জন লালমোহনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত

লালমোহনে সরকারি টেকনিক্যাল কলেজসহ দুই প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৪:১৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬ ৪৯ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন উপজেলার দুইটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের কেউই পাস করতে পারেননি। ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হচ্ছে- লালমোহন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও রমাগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
জানা গেছে, লালমোহন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এ বছর এইচএসসি (ভোকেশনাল/বিএম) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন মোট ৬ জন শিক্ষার্থী। তবে প্রকাশিত ফলাফলে তাদের কেউই পাস করতে পারেননি। এ ছাড়া রমাগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তারাও পাস করতে পারেননি। তবে এই প্রতিষ্ঠানটির কলেজ শাখা নন-এমপিওভুক্ত।

লালমোহন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান বলেন, প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছে। প্রথম ব্যাচ হিসেবে ৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মচারী মিলে মোট ১৭ জন কর্মরত রয়েছেন।
অপরদিকে, রমাগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল দিয়ে বন্ধ পাওয়া যায়। যার জন্য তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক জানান, এইচএসসিতে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল অসন্তোষজনক, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সেসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা চাওয়া হয়েছে। আমরা এরইমধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। এ ছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি, ওইসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নিয়ে আমরা আলোচনায় বসবো। এরপর তাদের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়মিত পরিদর্শন করা হবে। তারপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

লালমোহনে সরকারি টেকনিক্যাল কলেজসহ দুই প্রতিষ্ঠানের কেউ পাস করেনি

আপডেট : ০৪:১৪:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২ নভেম্বর ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন উপজেলার দুইটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে এবারের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের কেউই পাস করতে পারেননি। ওই দুই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হচ্ছে- লালমোহন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও রমাগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ।
জানা গেছে, লালমোহন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে এ বছর এইচএসসি (ভোকেশনাল/বিএম) পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন মোট ৬ জন শিক্ষার্থী। তবে প্রকাশিত ফলাফলে তাদের কেউই পাস করতে পারেননি। এ ছাড়া রমাগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৪ জন শিক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেছিলেন। তারাও পাস করতে পারেননি। তবে এই প্রতিষ্ঠানটির কলেজ শাখা নন-এমপিওভুক্ত।

লালমোহন সরকারি টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ আনিসুর রহমান বলেন, প্রথমবারের মতো প্রতিষ্ঠান থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেছে। প্রথম ব্যাচ হিসেবে ৬ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিয়েছিল, কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত সবাই অকৃতকার্য হয়েছে। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতায় বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে শিক্ষক ও কর্মচারী মিলে মোট ১৭ জন কর্মরত রয়েছেন।
অপরদিকে, রমাগঞ্জ স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. হুমায়ুন কবীরের বক্তব্য জানতে তার মুঠোফোন নম্বরে একাধিকবার কল দিয়ে বন্ধ পাওয়া যায়। যার জন্য তার বক্তব্য জানা সম্ভব হয়নি।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক জানান, এইচএসসিতে যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফলাফল অসন্তোষজনক, শিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে সেসব প্রতিষ্ঠানের তালিকা চাওয়া হয়েছে। আমরা এরইমধ্যে প্রতিষ্ঠানগুলোর তালিকা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছি। এ ছাড়া যেসব প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পাস করেনি, ওইসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের নিয়ে আমরা আলোচনায় বসবো। এরপর তাদের শিক্ষা কার্যক্রম নিয়মিত পরিদর্শন করা হবে। তারপর প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে।