ঢাকা ০৮:২৮ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৭ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
তজুমদ্দিনে কোস্ট গার্ডের অভিযানে আগ্নেয়াস্ত্র ও গোলাবারুদসহ ৩ জন আটক লালমোহনে প্যারালাইসিসে আক্রান্ত যুবদল নেতাকে আর্থিক সহায়তা দিলেন স্পিকার অব. হাফিজ উদ্দিন  লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমোহনে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাঁতারে প্রথম বাপ্পি ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার

শ্রীনগরে সালিশদারদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৭:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫ ১৬৭ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

শ্রীনগরে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। সোমবার বিকালে উপজেলায় কেয়টখালী এলাকার সর্বস্তরের জনগনের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওই গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আজাহার হোসাইন। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, কেয়টখালী গ্রামের দুটি পরিবারের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিরোধ চলে আসছিল। তাদের বিরোধীয় বিষয়টি নিয়ে শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে ষোলঘর ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য সহ কেয়টখালী গ্রামের মুরব্বিরা মিলে সালিশ মিমাংসা করে দেয়। প্রায় আড়াই মাস পরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। কিন্তু একটি মহল সালিশদারদের জরিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ নানা ভাবে অপপ্রচার করে আসছে।

তিনি আরো বলেন, গত শুক্রবার কেয়টখালী গ্রামের সালাউদ্দিন গং ও শরীফ গংয়ের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জের ধরে মারামারি সংগঠিত হয়। এর আগে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধে দুটি পরিবারই মামলা মোকদ্দমায় জরিয়ে পরে। সর্বশেষ প্রায় আড়াই মাস আগে শরীফ গং শ্রীনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। এর প্রেক্ষিতে শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ শাকিল আহম্মদ ষোলঘর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের অর্থাৎ কেয়কট খালী গ্রামের ইউপি সদস্য মকদম হাওলাদার সহ গ্রামের গন্যমান্য ব্যাক্তিদেরকে সালিশ মিমাংসার দায়িত্ব দেন। পরবর্তীতে দুই পক্ষের মানিত এ্যাডভোকেটদের উপস্থিতিতে সালিশ মিমাংসা সম্পন্ন হয়। দুই পক্ষ সালিম মেনে কোলাকুলি করে মিমাংসা হয়ে যায়। পরবর্তীতে শরীফ গং থানার অফিসার ইনচার্জকে জানায় তারা সালিশ মানেন না। পরে অফিসার ইনচার্জ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে এক মাস সময় দেন। কিন্তু শরীফ গং কাগজপত্র না দেখানোয় অফিসার ইনচার্জ সালিশদারদেরকে পুনরায় দায়িত্ব দিয়ে পূর্বের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পরামর্শ দেন। সালিশদাররা সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পূর্বেই গত শুক্রবার ভোরে সালাউদ্দিন ও শরীফ কেয়টখালী পশ্চিমপাড়া রাস্তায় রেজু খালাসীর বাড়ির সামনে মারামারি শুরু করে। এসময় আমি মোঃ আজাহার হোসাইন সহ বেশ কয়েকজন স্থানীয়রা মিলে তাদের মারামারি থামিয়ে দেই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় একটি মহল তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সালিশদারদেরকে মারামারির সাথে সম্পৃক্ততা দেখিয়ে প্রচার করে। যা অদৌ সত্য নয়। একটি মহল আমাদেরকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এমন কাজ করেছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করছি।
সংবাদ সম্মেলনে ষোলঘর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মগদম মেম্বার জানান,আটপাড়া গ্রামের দেলোয়ার মাদবর নামের এক লোক শরীফ গংদের হয়ে এই ঝামেলা দির্ঘদিন ধরে জিইয়ে রেখেছে। তার ইস্কানিতেই মারামারির ঘটনা ঘটে। সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন আলী আকবর,মোকাজ্জল শেখ,এম খালেক মোড়ল,মোকাজ্জল দেওয়ান,আব্দুর রব মিয়া,মোঃ ইব্রাহিম প্রমুখ।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

শ্রীনগরে সালিশদারদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

আপডেট : ০৭:৩৫:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

শ্রীনগরে মিথ্যা অপপ্রচারের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন হয়েছে। সোমবার বিকালে উপজেলায় কেয়টখালী এলাকার সর্বস্তরের জনগনের ব্যানারে সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করা হয়। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ওই গ্রামের বাসিন্দা মোঃ আজাহার হোসাইন। লিখিত বক্তব্যে তিনি জানান, কেয়টখালী গ্রামের দুটি পরিবারের মধ্যে জমিজমা নিয়ে দীর্ঘ দিনের বিরোধ চলে আসছিল। তাদের বিরোধীয় বিষয়টি নিয়ে শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জের নির্দেশে ষোলঘর ইউনিয়ন পরিষদের ৭নং ওয়ার্ডের সদস্য সহ কেয়টখালী গ্রামের মুরব্বিরা মিলে সালিশ মিমাংসা করে দেয়। প্রায় আড়াই মাস পরে দুই পক্ষের মধ্যে মারামারি হয়। কিন্তু একটি মহল সালিশদারদের জরিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম সহ নানা ভাবে অপপ্রচার করে আসছে।

তিনি আরো বলেন, গত শুক্রবার কেয়টখালী গ্রামের সালাউদ্দিন গং ও শরীফ গংয়ের মধ্যে জমিজমা সংক্রান্ত পূর্ববিরোধের জের ধরে মারামারি সংগঠিত হয়। এর আগে তাদের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে সৃষ্ট বিরোধে দুটি পরিবারই মামলা মোকদ্দমায় জরিয়ে পরে। সর্বশেষ প্রায় আড়াই মাস আগে শরীফ গং শ্রীনগর থানায় অভিযোগ দায়ের করে। এর প্রেক্ষিতে শ্রীনগর থানার অফিসার ইনচার্জ শাকিল আহম্মদ ষোলঘর ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের অর্থাৎ কেয়কট খালী গ্রামের ইউপি সদস্য মকদম হাওলাদার সহ গ্রামের গন্যমান্য ব্যাক্তিদেরকে সালিশ মিমাংসার দায়িত্ব দেন। পরবর্তীতে দুই পক্ষের মানিত এ্যাডভোকেটদের উপস্থিতিতে সালিশ মিমাংসা সম্পন্ন হয়। দুই পক্ষ সালিম মেনে কোলাকুলি করে মিমাংসা হয়ে যায়। পরবর্তীতে শরীফ গং থানার অফিসার ইনচার্জকে জানায় তারা সালিশ মানেন না। পরে অফিসার ইনচার্জ প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করতে এক মাস সময় দেন। কিন্তু শরীফ গং কাগজপত্র না দেখানোয় অফিসার ইনচার্জ সালিশদারদেরকে পুনরায় দায়িত্ব দিয়ে পূর্বের সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নে পরামর্শ দেন। সালিশদাররা সেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়নের পূর্বেই গত শুক্রবার ভোরে সালাউদ্দিন ও শরীফ কেয়টখালী পশ্চিমপাড়া রাস্তায় রেজু খালাসীর বাড়ির সামনে মারামারি শুরু করে। এসময় আমি মোঃ আজাহার হোসাইন সহ বেশ কয়েকজন স্থানীয়রা মিলে তাদের মারামারি থামিয়ে দেই। কিন্তু অত্যন্ত দুঃখের বিষয় একটি মহল তাদের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সালিশদারদেরকে মারামারির সাথে সম্পৃক্ততা দেখিয়ে প্রচার করে। যা অদৌ সত্য নয়। একটি মহল আমাদেরকে সামাজিক ভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য এমন কাজ করেছে। আমরা এর তীব্র প্রতিবাদ করছি।
সংবাদ সম্মেলনে ষোলঘর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য মগদম মেম্বার জানান,আটপাড়া গ্রামের দেলোয়ার মাদবর নামের এক লোক শরীফ গংদের হয়ে এই ঝামেলা দির্ঘদিন ধরে জিইয়ে রেখেছে। তার ইস্কানিতেই মারামারির ঘটনা ঘটে। সংবাদ সম্মেলনে এসময় উপস্থিত ছিলেন আলী আকবর,মোকাজ্জল শেখ,এম খালেক মোড়ল,মোকাজ্জল দেওয়ান,আব্দুর রব মিয়া,মোঃ ইব্রাহিম প্রমুখ।