বুড়িগঙ্গার তীরে ইতিহাসের নীরব প্রহরী লালকুঠি
- আপডেট : ০৬:৫০:২৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২৮ অগাস্ট ২০২৬ ১৯৯ বার পড়া হয়েছে
সুরাইয়া তাসনিম, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ প্রতিনিধিঃ

বুড়িগঙ্গার তীরে পুরান ঢাকার সদরঘাট এলাকায় দাঁড়িয়ে থাকা লালকুঠি যেন ঢাকার ইতিহাসের এক দৃশ্যমান দলিল। ঔপনিবেশিক আমলের স্থাপত্যশৈলীর নিদর্শন এই ভবনটির ঐতিহাসিক নাম নর্থব্রুক হল। সময়ের নানা পরিবর্তনের মধ্যেও স্থাপনাটি পুরান ঢাকার ঐতিহ্যের গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে টিকে আছে।
ঊনবিংশ শতাব্দীতে নির্মিত লালকুঠি তৎকালীন সময়ে সামাজিক ও সাংস্কৃতিক বিভিন্ন আয়োজনের কেন্দ্র হিসেবে ব্যবহৃত হতো। সভা, অনুষ্ঠান ও জনসমাগমের পাশাপাশি ঐতিহাসিক নানা কর্মকাণ্ডের সঙ্গেও ভবনটির সম্পৃক্ততা ছিল। এর স্থাপত্যে সেই সময়ের নির্মাণরীতির স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য ফুটে ওঠে।
সদরঘাট ও বুড়িগঙ্গাকেন্দ্রিক পুরান ঢাকার জনজীবনের সঙ্গে লালকুঠির সম্পর্কও দীর্ঘদিনের। একসময় নদীপথে যাতায়াত ও বাণিজ্যের গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্র ছিল এই এলাকা। ফলে লালকুঠি শুধু একটি স্থাপনা নয়, পুরান ঢাকার সামাজিক ও নগর ইতিহাসেরও একটি অংশ।
বর্তমানে পুরান ঢাকার ঐতিহাসিক স্থাপনাগুলোর তালিকায় লালকুঠির অবস্থান উল্লেখযোগ্য। এর স্থাপত্য ও ইতিহাস দেখতে আগ্রহী দর্শনার্থীদের কাছেও স্থাপনাটি আকর্ষণের কেন্দ্র।
ঐতিহাসিক গুরুত্ব বিবেচনায় লালকুঠির সংরক্ষণ ও রক্ষণাবেক্ষণ নিয়ে সচেতনতা প্রয়োজন। পুরান ঢাকার দ্রুত পরিবর্তনশীল নগরপরিবেশে ঐতিহ্যবাহী এই স্থাপনাগুলো সংরক্ষণ করা গেলে ঢাকার অতীত ইতিহাস ও স্থাপত্যের ধারাবাহিকতা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছেও তুলে ধরা সম্ভব হবে।
নিউজটি শেয়ার করুন

















