ঢাকা ০৮:৩৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমোহনে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাঁতারে প্রথম বাপ্পি ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার লালমোহনে শুদ্ধ বানান ও শুদ্ধ উচ্চারণ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

লালমোহনের বেতুয়া খালে বসানো অবৈধ ১০ লাখ টাকার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৮:১৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬ ১৫৮ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ও ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের মধ্যেবর্তী হাফিজ উদ্দিন বাজার এলাকা সংলগ্ন বেতুয়ার খালে বসানো অবৈধ ও নিষিদ্ধ চায়না – বিহন্দি ও পকেট জালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে (৭ জুন ) লালমোহন উপজেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাওয়ানুল হকের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন প্রকার অবৈধ নিষিদ্ধ চায়না বিহন্দি, চায়না দুয়ারি, পকেট জাল ও বিহন্দিসহ প্রায় ২০ টি জাল আটক করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা।

 

লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আলী আহমদ আকন্দ জানান, বেতুয়ার খালে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে উপজেলা মৎস্য অফিসের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়, খালে বসানো জাল নিজ নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হলেও কিন্তু কোন জালের মালিক তাদের বসানো জাল না উঠানোর কারনেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন প্রকার অবৈধ নিষিদ্ধ চায়না বিহন্দি, চায়না দুয়ারি, পকেট জাল ও বিহন্দিসহ প্রায় ২০ টি জাল আটক করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। যার বাজার বর্তমান মূল্য ১০ লাখ টাকার বেশি।

অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লালমোহন থানা পুলিশ, উপজেলা ভুমি অফিসের নাজির মোঃ মেহেদী হাসান, প্রধান সহকারী মোঃ মাসুদ আলম, মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকাররী মো. ছাইফুল ইসলাম সোহাগ সহ আরও অনেকে।
সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজওয়ানুল হক জানান, চায়না ও বিহন্দি জাল দিয়ে মাছ শিকার করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। ছোট মাছ, মা মাছ রক্ষার্থে এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ এ ধরনের জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিতভাবে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

লালমোহনের বেতুয়া খালে বসানো অবৈধ ১০ লাখ টাকার জাল জব্দ করে পুড়িয়ে ধ্বংস

আপডেট : ০৮:১৯:২৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ও ধলীগৌরনগর ইউনিয়নের মধ্যেবর্তী হাফিজ উদ্দিন বাজার এলাকা সংলগ্ন বেতুয়ার খালে বসানো অবৈধ ও নিষিদ্ধ চায়না – বিহন্দি ও পকেট জালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। রবিবার দুপুরে (৭ জুন ) লালমোহন উপজেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজাওয়ানুল হকের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন প্রকার অবৈধ নিষিদ্ধ চায়না বিহন্দি, চায়না দুয়ারি, পকেট জাল ও বিহন্দিসহ প্রায় ২০ টি জাল আটক করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ১০ লাখ টাকা।

 

লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মোঃ আলী আহমদ আকন্দ জানান, বেতুয়ার খালে অবৈধ জালের বিরুদ্ধে উপজেলা মৎস্য অফিসের পক্ষ থেকে মাইকিং করা হয়, খালে বসানো জাল নিজ নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেওয়ার জন্য বলা হলেও কিন্তু কোন জালের মালিক তাদের বসানো জাল না উঠানোর কারনেই এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে বিভিন্ন প্রকার অবৈধ নিষিদ্ধ চায়না বিহন্দি, চায়না দুয়ারি, পকেট জাল ও বিহন্দিসহ প্রায় ২০ টি জাল আটক করে পুড়িয়ে ধ্বংস করা হয়। যার বাজার বর্তমান মূল্য ১০ লাখ টাকার বেশি।

অভিযানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন লালমোহন থানা পুলিশ, উপজেলা ভুমি অফিসের নাজির মোঃ মেহেদী হাসান, প্রধান সহকারী মোঃ মাসুদ আলম, মৎস্য অফিসের ক্ষেত্র সহকাররী মো. ছাইফুল ইসলাম সোহাগ সহ আরও অনেকে।
সহকারী কমিশনার ভূমি ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. রেজওয়ানুল হক জানান, চায়না ও বিহন্দি জাল দিয়ে মাছ শিকার করা সম্পূর্ণরূপে নিষিদ্ধ। ছোট মাছ, মা মাছ রক্ষার্থে এবং মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির স্বার্থে মৎস্য সম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ এ ধরনের জালের ব্যবহার বন্ধে নিয়মিতভাবে আমাদের অভিযান অব্যাহত থাকবে।