ঢাকা ১২:২৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ মে ২০২৬, ২৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
মা দিবসে ভালোবাসার উচ্চারণ মা, এক যাদুকরী শব্দ মাতুয়াইলের আগুন নেভানোর কাজে অংশ নিলেন সোহরাওয়ার্দী কলেজের রোভার স্কাউট সদস্য -ইপ্তি চরফ্যাশনে চার্চ অব বাংলাদেশ কলোনীর কবরস্থান, শ্মশান ও টিউবওয়েল দখলের অভিযোগ লালমোহনে ব্যবসায়ীর বিরুদ্ধে অপপ্রচার, থানায় জিডি লালমোহনে খাল খননের মাটি রাস্তার পাশে ও খালের পাড়ে ফেলায় জনদুর্ভোগ আপনার সামান্য সহায়তাই পারে একটি শিশুর পঙ্গুত্ব জীবন থেকে ফেরাতে পারে লালমোহনে নারিকেল পাড়া নিয়ে রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে নিহত ১, আটক ৪ ঢাকাস্থ লালমোহন থানা জাতীয়তাবাদী ছাত্র ফোরামের আহবায়ক কমিটি গঠন দক্ষিণ আইচায় স্কয়ার গ্রুপের ফ্রি স্বাস্থ্য ক্যাম্প অনুষ্ঠিত লালমোহনে উপজেলা পর্যায়ে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ফুটবল টুনামেন্টের ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত

লালমোহনে পৌর মাল্টি-পারপাস মার্কেট বরাদ্দের নামে দুই কোটি টাকা হাতালেন মেয়র!

নাজমুল খান সুজন
  • আপডেট : ০৬:২১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫ ৮৩ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলার লালমোহন পৌরসভার একটি মাল্টি-পারপাস মার্কেটের ঘর বরাদ্দের নামে প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর মেয়র এমদাদুল ইসলাম তুহিনের বিরুদ্ধে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌর শহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন প্রধান খাল থেকে থানার মোড় পর্যন্ত বয়ে যাওয়া সংযোগ খালের ওপর পৌর মাল্টি-পারপাস মার্কেট নির্মাণ করেন মেয়র এমদাদুল ইসলাম তুহিন।

ওই মার্কেটের ১২৪টি ঘর বরাদ্দের জন্য গ্রাহক প্রতি আড়াই থেকে তিনলক্ষ টাকা করে নিয়ে মাত্র একলক্ষ টাকা পৌর কোষাগারে জমা দেখান তিনি। ঘরপ্রতি বাকি দেড়-দুইলক্ষ টাকা করে ১২৪টি ঘরের প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেন মেয়র তুহিন।
এদিকে বরাদ্দ হলেও জেলা পরিষদের বাঁধার কারণে মার্কেটের ঘরগুলো গ্রাহকদের বুঝিয়ে দিতে পারেননি। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পরে ১৮ আগস্ট পৌরসভার মেয়রদেরকে অপসারণ করে সংশ্লিষ্ট স্থানে প্রশাসক নিয়োগ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। পরে পৌর প্রশাসক কর্তৃক ওই মার্কেটের ঘরগুলো গ্রাহকদের বুঝিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিলে প্রকাশ পায় মেয়রের টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা।

ওই মার্কেটে বরাদ্দ পাওয়া একাধিক গ্রাহকের সাথে আলাপকালে পৌরসভায় ঘরপ্রতি আড়াই থেকে তিনলক্ষ টাকা দেয়ার কথা জানান তারা। তবে ঘর হারানোর ভয়ে প্রকাশ্যে আসতে চান না তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এমদাদুল ইসলাম তুহিন বলেন, একলক্ষ টাকা করে পৌরসভার ফান্ডে জমা হয়েছে। আর যে বাড়তি টাকা নিছে, সেই টাকা আমি নিয়েছি এরকম না। সাবেক এমপি অফিসিয়াল খরচের কথা বলে এ টাকাটা নিছে। এ অফিস কোনটা? এমন প্রশ্নের জবাবে ‘পেট অফিস’ বলে আখ্যা দেন তিনি।

এদিকে সাবেক এ মেয়রের বিরুদ্ধে পূর্বেরও দুর্নীতির মামলা রয়েছে এবং খোঁজ নিলে আরও দুর্নীতি বেরিয়ে আসবে। তাই দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতনমহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

লালমোহনে পৌর মাল্টি-পারপাস মার্কেট বরাদ্দের নামে দুই কোটি টাকা হাতালেন মেয়র!

আপডেট : ০৬:২১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

ভোলার লালমোহন পৌরসভার একটি মাল্টি-পারপাস মার্কেটের ঘর বরাদ্দের নামে প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর মেয়র এমদাদুল ইসলাম তুহিনের বিরুদ্ধে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌর শহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন প্রধান খাল থেকে থানার মোড় পর্যন্ত বয়ে যাওয়া সংযোগ খালের ওপর পৌর মাল্টি-পারপাস মার্কেট নির্মাণ করেন মেয়র এমদাদুল ইসলাম তুহিন।

ওই মার্কেটের ১২৪টি ঘর বরাদ্দের জন্য গ্রাহক প্রতি আড়াই থেকে তিনলক্ষ টাকা করে নিয়ে মাত্র একলক্ষ টাকা পৌর কোষাগারে জমা দেখান তিনি। ঘরপ্রতি বাকি দেড়-দুইলক্ষ টাকা করে ১২৪টি ঘরের প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেন মেয়র তুহিন।
এদিকে বরাদ্দ হলেও জেলা পরিষদের বাঁধার কারণে মার্কেটের ঘরগুলো গ্রাহকদের বুঝিয়ে দিতে পারেননি। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পরে ১৮ আগস্ট পৌরসভার মেয়রদেরকে অপসারণ করে সংশ্লিষ্ট স্থানে প্রশাসক নিয়োগ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। পরে পৌর প্রশাসক কর্তৃক ওই মার্কেটের ঘরগুলো গ্রাহকদের বুঝিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিলে প্রকাশ পায় মেয়রের টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা।

ওই মার্কেটে বরাদ্দ পাওয়া একাধিক গ্রাহকের সাথে আলাপকালে পৌরসভায় ঘরপ্রতি আড়াই থেকে তিনলক্ষ টাকা দেয়ার কথা জানান তারা। তবে ঘর হারানোর ভয়ে প্রকাশ্যে আসতে চান না তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এমদাদুল ইসলাম তুহিন বলেন, একলক্ষ টাকা করে পৌরসভার ফান্ডে জমা হয়েছে। আর যে বাড়তি টাকা নিছে, সেই টাকা আমি নিয়েছি এরকম না। সাবেক এমপি অফিসিয়াল খরচের কথা বলে এ টাকাটা নিছে। এ অফিস কোনটা? এমন প্রশ্নের জবাবে ‘পেট অফিস’ বলে আখ্যা দেন তিনি।

এদিকে সাবেক এ মেয়রের বিরুদ্ধে পূর্বেরও দুর্নীতির মামলা রয়েছে এবং খোঁজ নিলে আরও দুর্নীতি বেরিয়ে আসবে। তাই দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতনমহল।