ঢাকা ০২:৪৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ অগাস্ট ২০২৬, ৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
দক্ষিণ আইচা কেমিস্ট এন্ড ড্রাগিস্ট সমিতির নির্বাচন: সভাপতি ফরিদ, সম্পাদক সাইফুল শ্রীনগরে মাদক বিরুদ্ধে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল লালমোহনে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে তৃতীয় লিঙ্গের দুই গ্রুপের মধ্যে সংঘর্ষ লালমোহনে মেঘনায় অবৈধ খুর্চি জালের কারণে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছেন না জেলেরা লালমোহনে বন্ধু ফোরাম-৯৪ এর শরৎ আড্ডা দৈনিক কলমের কন্ঠের লালমোহন প্রতিনিধি মো. মাকছুদ উল্যাহ আর নেই লালমোহনে সেচ্ছাসেবক দলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বৃক্ষরোপণ ও পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচি স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে টমটমের চাপায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু। স্কুল ফাঁকি দিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরোধে জড়ালেন প্রধান শিক্ষক চারঘাটে VWB কর্মসূচির উপকারভোগীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ (TOT) অনুষ্ঠিত

লালমোহনে মেঘনায় অবৈধ খুর্চি জালের কারণে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছেন না জেলেরা

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ১১:২৮:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬ ৪৬ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন উপজেলার মেঘনা নদীতে অবৈধ খুর্চি জাল বসানোর কারণে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছেন না জেলেরা। উপজেলার ধলীগৌরনগর ও লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়ন সংলগ্ন মেঘনা নদীর একটি বিশাল অংশজুড়ে বসানো হয়েছে এই খুর্চি জাল। অবৈধ এই খুর্চি জালে আটকা পড়ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের রেণুপোনা এবং জলজপ্রাণী। মাছের অবাধ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী এই অবৈধ খুর্চি জাল বসানো হয়েছে স্থানীয় কথিত প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায়।

জানা গেছে, অবৈধ এই খুর্চি জাল বসানোর কারণে অন্য জালে তেমন কোনো মাছ ধরা পড়ছে না। নদীর অধিকাংশ মাছই আটকা পড়ে এই খুর্চি জালে। যার ফলে এই ভরা মৌসুমেও নদীতে মাছের আকাল চলছে। একটি সাধারণ জেলে নৌকা যেখানে দৈনিক আট থেকে দশ হাজার টাকার মাছ পেতো সেখানে এখন এক হাজার টাকার মাছও মিলছে না।

উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের গাইট্টা মাছ ঘাটের জেলে ফারুক মাঝি, শফি মাঝি ও রবু মাঝিসহ স্থানীয় আরও কয়েকজন জেলে জানান, মেঘনা নদীর প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবৈধ খুর্চি জাল বসানো হলেও তা দেখছে না প্রশাসন। এই জাল বসানোর জন্য নদীর মধ্যে জেগে ওঠা সরকারি বনাঞ্চল থেকে শতশত গাছ কেটে খুঁিট বানানো হয়েছে। এই খুঁটি নদীর মধ্যে পুঁতে জাল বসানোর কারণে মাছের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। একইসঙ্গে এই খুর্চি জালে আটকা পড়ছে সব ধরণের ছোট-বড় মাছ। যার কারণে সাধারণ জেলেরা কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছেন না। দুই বছর আগে একবার এই অবৈধ খুর্চি জাল উচ্ছেদ করা হলেও এবার উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। তাই মেঘনা নদীর ধলীগৌরনগর ও লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের অর্ন্তগত মেঘনা নদীর দুটি পয়েন্টে বসানো খুর্চি জালগুলো উচ্ছেদের জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক নদীর তীরবর্তী কিছু সংখ্যক জেলে বলেন, অবৈধ খুর্চি জালের মাছ এবং মাছ বিক্রির টাকার ভাগ পৌঁছে যায় স্থানীয় কথিত কিছু প্রভাবশালীদের কাছে। যার কারণে এই খুর্চি জালের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস করছেন না অনেকে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট দপ্তরের লোকজনও বিষয়টি দেখেও যেন না দেখার ভান করছেন।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলী আহমদ আখন্দ জানান, আমাদের পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় খুর্চি জালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে পারছি না। তারপরও দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা এই অবৈধ খুর্চি জাল উচ্ছেদের উদ্যোগ নেবো।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

লালমোহনে মেঘনায় অবৈধ খুর্চি জালের কারণে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছেন না জেলেরা

আপডেট : ১১:২৮:২৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২২ অগাস্ট ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন উপজেলার মেঘনা নদীতে অবৈধ খুর্চি জাল বসানোর কারণে কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছেন না জেলেরা। উপজেলার ধলীগৌরনগর ও লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়ন সংলগ্ন মেঘনা নদীর একটি বিশাল অংশজুড়ে বসানো হয়েছে এই খুর্চি জাল। অবৈধ এই খুর্চি জালে আটকা পড়ছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছের রেণুপোনা এবং জলজপ্রাণী। মাছের অবাধ চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টিকারী এই অবৈধ খুর্চি জাল বসানো হয়েছে স্থানীয় কথিত প্রভাবশালীদের ছত্রছায়ায়।

জানা গেছে, অবৈধ এই খুর্চি জাল বসানোর কারণে অন্য জালে তেমন কোনো মাছ ধরা পড়ছে না। নদীর অধিকাংশ মাছই আটকা পড়ে এই খুর্চি জালে। যার ফলে এই ভরা মৌসুমেও নদীতে মাছের আকাল চলছে। একটি সাধারণ জেলে নৌকা যেখানে দৈনিক আট থেকে দশ হাজার টাকার মাছ পেতো সেখানে এখন এক হাজার টাকার মাছও মিলছে না।

উপজেলার লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের গাইট্টা মাছ ঘাটের জেলে ফারুক মাঝি, শফি মাঝি ও রবু মাঝিসহ স্থানীয় আরও কয়েকজন জেলে জানান, মেঘনা নদীর প্রায় দুই কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবৈধ খুর্চি জাল বসানো হলেও তা দেখছে না প্রশাসন। এই জাল বসানোর জন্য নদীর মধ্যে জেগে ওঠা সরকারি বনাঞ্চল থেকে শতশত গাছ কেটে খুঁিট বানানো হয়েছে। এই খুঁটি নদীর মধ্যে পুঁতে জাল বসানোর কারণে মাছের চলাচলে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হচ্ছে। একইসঙ্গে এই খুর্চি জালে আটকা পড়ছে সব ধরণের ছোট-বড় মাছ। যার কারণে সাধারণ জেলেরা কাঙ্ক্ষিত মাছ পাচ্ছেন না। দুই বছর আগে একবার এই অবৈধ খুর্চি জাল উচ্ছেদ করা হলেও এবার উচ্ছেদ করা হচ্ছে না। তাই মেঘনা নদীর ধলীগৌরনগর ও লর্ডহার্ডিঞ্জ ইউনিয়নের অর্ন্তগত মেঘনা নদীর দুটি পয়েন্টে বসানো খুর্চি জালগুলো উচ্ছেদের জন্য প্রশাসনের কাছে দাবি জানাচ্ছি।

এদিকে নামপ্রকাশে অনিচ্ছুক নদীর তীরবর্তী কিছু সংখ্যক জেলে বলেন, অবৈধ খুর্চি জালের মাছ এবং মাছ বিক্রির টাকার ভাগ পৌঁছে যায় স্থানীয় কথিত কিছু প্রভাবশালীদের কাছে। যার কারণে এই খুর্চি জালের বিরুদ্ধে প্রকাশ্যে কথা বলতে সাহস করছেন না অনেকে। এছাড়া সংশ্লিষ্ট দপ্তরের লোকজনও বিষয়টি দেখেও যেন না দেখার ভান করছেন।

এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আলী আহমদ আখন্দ জানান, আমাদের পর্যাপ্ত জনবল না থাকায় খুর্চি জালের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করতে পারছি না। তারপরও দ্রুত সময়ের মধ্যে আমরা এই অবৈধ খুর্চি জাল উচ্ছেদের উদ্যোগ নেবো।