ঢাকা ১২:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমোহনে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাঁতারে প্রথম বাপ্পি ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার লালমোহনে শুদ্ধ বানান ও শুদ্ধ উচ্চারণ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

সন্তানকে চিকিৎসার সহযোগিতার জন্য বাবার আকুতি

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৫:৫৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬ ৩৭৯ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা) :
চার বছরের ছোট্ট শিশু মো. আল-আমিন| জন্ম থেকেই দুর্বিষহ কষ্টে দিন কাটছে তার| বয়সের তুলনায় তার জীবন যেন কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি| জন্মের পর থেকেই জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছে সে| নাভীর নিচে গুরুতর ক্ষত নিয়ে জন্মগ্রহণ করে আল-আমিন| তার ছিল না স্বাভাবিক প্রস্রাবের পথ| যার জন্য জন্মের পর চিকিৎসকরা নাভীর মাধ্যমে প্রস্রাবের ব্যবস্থা করে দেন| তবে এতে কমেনি তার কষ্ট| সন্তানের কষ্ট, আর দারিদ্রের নির্মম বাস্তবতায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন শিশু আল-আমিনের বাবা মো. আজাদ| ছোট্ট ছেলেকে সুস্থ্য করতে এরইমধ্যে নিজের বসতভিটাও বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি| ভিটেমাটি হারিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে এখন ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের কর্তারহাট বাজার এলাকার একটি ছোট ভাড়া বাসায় থাকছেন মো. আজাদ|

 

তিনি জানান, একসময় চট্টগ্রামে রিকশা চালিয়ে ও দিনমজুরের কাজ করে কোনোমতে সংসার চালাতাম| চার কন্যার পর একমাত্র পুত্র সন্তানকে ঘিরে ছিল হাজারো স্বপ্ন | কিন্তু সেই স্বপ্ন আজ দুঃসহ সংগ্রামে রূপ নিয়েছে| ছেলের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে ঢাকার শিশু হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে ছুটেছি| চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে নিজের বসতভিটাও বিক্রি করে দিয়েছি| এখন পর্যন্ত ছেলের চিকিৎসায় তিন লাখ টাকার বেশি খরচ হয়ে গেছে|

 

মো. আজাদ জানান, চিকিৎসকরা বলেছেন আমার ছোট্ট শিশুটিকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে জরুরি একটি অপারেশন করতে হবে| এতে তার স্বাভাবিক প্রস্রাবের পথ ˆতরি করা সম্ভব হবে| যার ফলে নাভীর মাধ্যমে প্রস্রাবের কষ্ট থেকে মুক্তি পাবে আল-আমিন| তবে এই অপারেশন করাতে হলে দরকার প্রায় দেড় লাখ টাকা| যা আমার মতো একজন দিনমজুর বাবার পক্ষে জোগাড় করা কোনোভাবেই সম্ভব না| আমি তো এখন একেবারে নিঃস্বপ্রায়| কিভাবে এতো টাকা জোগাড় করবো| সরকারি-বেসরকারি ও দেশের বিত্তবান মানুষের আর্থিক সহযোগিতা পেলে ভালোভাবে বাঁচতে পারবে আমার ছোট্ট শিশু আল-আমিন| তার চিকিৎসার জন্য কেউ সহায়তা করতে চাইলে ০১৮৯২২৪৪১৩১ (বিকাশ) এই নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ করছি|

 

 

লালমোহন উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ বলেন, আমাদের অফিস থেকে দেড় লাখ টাকা অনুদানের কোন সুযোগ নেই| তবে সরকারি হাসপাতালে অপারেশন করলে ওই হাসপাতালের সমাজসেবা রোগী কল্যান তহবিল থেকে সহায়তা পেতে পারে| এছাড়া আল-আমিনের বাবা আমাদের অফিসে যোগাযোগ করলে তাকে সমাজসেবার যে কোন একটি ভাতার আওয়ায় নিয়ে আসা হবে|

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

সন্তানকে চিকিৎসার সহযোগিতার জন্য বাবার আকুতি

আপডেট : ০৫:৫৮:৩১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৯ এপ্রিল ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা) :
চার বছরের ছোট্ট শিশু মো. আল-আমিন| জন্ম থেকেই দুর্বিষহ কষ্টে দিন কাটছে তার| বয়সের তুলনায় তার জীবন যেন কঠিন বাস্তবতার মুখোমুখি| জন্মের পর থেকেই জটিল শারীরিক সমস্যায় ভুগছে সে| নাভীর নিচে গুরুতর ক্ষত নিয়ে জন্মগ্রহণ করে আল-আমিন| তার ছিল না স্বাভাবিক প্রস্রাবের পথ| যার জন্য জন্মের পর চিকিৎসকরা নাভীর মাধ্যমে প্রস্রাবের ব্যবস্থা করে দেন| তবে এতে কমেনি তার কষ্ট| সন্তানের কষ্ট, আর দারিদ্রের নির্মম বাস্তবতায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন শিশু আল-আমিনের বাবা মো. আজাদ| ছোট্ট ছেলেকে সুস্থ্য করতে এরইমধ্যে নিজের বসতভিটাও বিক্রি করে দিয়েছেন তিনি| ভিটেমাটি হারিয়ে স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে এখন ভোলার লালমোহন উপজেলার রমাগঞ্জ ইউনিয়নের কর্তারহাট বাজার এলাকার একটি ছোট ভাড়া বাসায় থাকছেন মো. আজাদ|

 

তিনি জানান, একসময় চট্টগ্রামে রিকশা চালিয়ে ও দিনমজুরের কাজ করে কোনোমতে সংসার চালাতাম| চার কন্যার পর একমাত্র পুত্র সন্তানকে ঘিরে ছিল হাজারো স্বপ্ন | কিন্তু সেই স্বপ্ন আজ দুঃসহ সংগ্রামে রূপ নিয়েছে| ছেলের চিকিৎসার জন্য ইতোমধ্যে ঢাকার শিশু হাসপাতাল ও চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজসহ বিভিন্ন স্থানে ছুটেছি| চিকিৎসা ব্যয় মেটাতে নিজের বসতভিটাও বিক্রি করে দিয়েছি| এখন পর্যন্ত ছেলের চিকিৎসায় তিন লাখ টাকার বেশি খরচ হয়ে গেছে|

 

মো. আজাদ জানান, চিকিৎসকরা বলেছেন আমার ছোট্ট শিশুটিকে সুস্থ জীবনে ফিরিয়ে আনতে জরুরি একটি অপারেশন করতে হবে| এতে তার স্বাভাবিক প্রস্রাবের পথ ˆতরি করা সম্ভব হবে| যার ফলে নাভীর মাধ্যমে প্রস্রাবের কষ্ট থেকে মুক্তি পাবে আল-আমিন| তবে এই অপারেশন করাতে হলে দরকার প্রায় দেড় লাখ টাকা| যা আমার মতো একজন দিনমজুর বাবার পক্ষে জোগাড় করা কোনোভাবেই সম্ভব না| আমি তো এখন একেবারে নিঃস্বপ্রায়| কিভাবে এতো টাকা জোগাড় করবো| সরকারি-বেসরকারি ও দেশের বিত্তবান মানুষের আর্থিক সহযোগিতা পেলে ভালোভাবে বাঁচতে পারবে আমার ছোট্ট শিশু আল-আমিন| তার চিকিৎসার জন্য কেউ সহায়তা করতে চাইলে ০১৮৯২২৪৪১৩১ (বিকাশ) এই নম্বরে যোগাযোগের অনুরোধ করছি|

 

 

লালমোহন উপজেলা সমাজ সেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ বলেন, আমাদের অফিস থেকে দেড় লাখ টাকা অনুদানের কোন সুযোগ নেই| তবে সরকারি হাসপাতালে অপারেশন করলে ওই হাসপাতালের সমাজসেবা রোগী কল্যান তহবিল থেকে সহায়তা পেতে পারে| এছাড়া আল-আমিনের বাবা আমাদের অফিসে যোগাযোগ করলে তাকে সমাজসেবার যে কোন একটি ভাতার আওয়ায় নিয়ে আসা হবে|