ঢাকা ০১:২৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬, ২ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
মঙ্গল শোভাযাত্রার মধ্য দিয়ে পহেলা বৈশাখ উদযাপন সোহরাওয়ার্দী কলেজে লালমোহনে হজযাত্রীদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত আহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার ২০২৬ ইং সনের দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আইচা কলেজের গভর্নিং বডির কমিটি অনুমোদন লালমোহনে অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত লালমোহন নয়ানীগ্রামে মসজিদের বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙ্গার ঘটনায় ক্ষোভ হিউম্যান রাইটস অ্যালাইভের উপদেষ্টা কমিটিতে মোঃ সাহাবুদ্দিন খান, চাঁদপুরবাসীর অভিনন্দন মুন্সীগঞ্জের তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ লালমোহনে চালের ডিওতে সমঝোতা বাণিজ্য টনপ্রতি নূন্যতম ৫শ টাকা নেওয়ার অভিযোগ লালমোহনে ওরকাইতের বিরুদ্ধে ভুয়া ষ্টাম্প তৈরী করে জমি দখলে নিয়ে ভবন নির্মানের অভিযোগ

সার্জেন্ট হিমেলের অদম্য চেষ্টায় অপরাধী আটক

দীপ্ত বার্তা ডেস্ক
  • আপডেট : ০২:১৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ৩২ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

গত বৃহস্পতিবার সকালে ৯টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় আমি।এমন অবস্থায় এক বান্ধবীর (সংগত কারণেই পরিচয় বলছি না) কান্নারত অবস্থায় কল এলো। রীতিমত আবাক হয়ে যাচ্ছি যে অপাশ থেকে শুধু কান্নার শব্দই পাচ্ছি।কিছুক্ষণ পর আমার বান্ধবীটি জানালো যে অগ্রদূত বাসে পাশের সিটে বসা প্যাসেঞ্জার এবং বাসের কন্ডাক্টর হেনস্থা করছে আর শরীরে স্পর্শ করছে।যা স্বাভাবিকভাবেই ওর মানসিক অবস্থা দুর্বল করে দিয়েছে। কিছুক্ষণ কথা বলার পর ওকে জানালাম লাইনে থাকার জন্য এবং আমার সাথে কথা চালিয়ে যাবার জন্য।আমি নিজেকে মানসিকভাবে খানিকটা গুছিয়ে ঢাকা সিটির সার্জেন্ট হিমেল ভাইয়াকে কল দিয়ে বিষয়টি অবগত করলাম।ভাইয়া পরামর্শ দিলেন বাস থেকে নামার পর বাসের নম্বরটি যেন উনাকে জানাই। আমি আমার বান্ধবীকে তা জানিয়ে দিলাম যেন বাস নম্বরটি খেয়াল করে।ও বাস থেকে নেমে বাসের পেছনে লেখা নম্বর প্লেটের নম্বর আমাকে জানিয়ে দিলো।আমি সেটা সার্জেন্ট হিমেল ভাইয়াকে জানিয়ে দিলাম। হিমেল ভাইয়া জানালেন উনি যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে।আমি বান্ধবীকে কিছুটা সাহস যুগিয়ে বললাম যে কাজে যাচ্ছে সেখানে ঠিকঠাকভাবে যেন পৌছায়। বিকেলে হিমেল ভাইয়া কল দিয়ে বললেন যে বাসটি আটকে রাখা হয়েছে।আমি চলে গেলাম সেখানে কিন্তু সেই কন্ডাক্টর পালিয়েছে।ঘন্টাখানেক পর সেই কন্ডাক্টরকে সেই গাবতলীর ভেতর থেকে ধরে নিয়ে আসা হলো।আমিও বান্ধবীকে কল দিয়ে আসতে বললাম যেন লোকটাকে এসে নিশ্চিত করে। নিশ্চিত করা হলো যে এই সেই কন্ডাক্টর।

জেরার তোপে সে স্বীকার করলো যে সে এই ঘৃণ্য কাজটি করেছে।এরপর সার্জেন্ট হিমেল ভাইয়া সেই কন্ডাক্টরের যথাযোগ্য শাস্তির ব্যবস্থা করেন। তুমুল ব্যস্ততার মাঝেও হিমেল ভাইয়ার এই অসামান্য উপকারটি করে দেয়ার জন্য আজীবন কৃতজ্ঞতা আর শ্রদ্ধা রইবে। সার্জেন্ট হিমেল ভাইয়া জানিয়েছেন “এমন ধরনের বা যেকোনো ধরনের সমস্যার সহায়তার জন্য 999-এ কল দিয়ে সমস্যার কথা শেয়ার করার জন্য।এতে দ্রুততম সময়ে সমাধান পাওয়া যায়।

আমার ব্যক্তিগত একটি পরামর্শ থাকবে। কোন মেয়ে যদি এমন অবস্থায় পড়েন তবে অনুগ্রহ করে কোন সংকোচবোধ না করে একটু উঁচু স্বরে প্রতিবাদ জানাবেন বা পাশের কোন মানুষকে জানাবেন বিষয়টি। পাবলিক বাসে এতোগুলো মানুষের মাঝে একজন ভালো মানুষ পাবেন যিনি আপনার পাশে থাকবেন।সবাই নিরাপদ ও সুস্থ থাকুন।”

শরিয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার গৌরব এনামুল হক হিমেল।ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাদের মত সৎ ও সাহসী মানুষ আছে বলেই আমরা এখনো ভরসা পাই।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

সার্জেন্ট হিমেলের অদম্য চেষ্টায় অপরাধী আটক

আপডেট : ০২:১৬:৫৯ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

গত বৃহস্পতিবার সকালে ৯টার দিকে ঘুমন্ত অবস্থায় আমি।এমন অবস্থায় এক বান্ধবীর (সংগত কারণেই পরিচয় বলছি না) কান্নারত অবস্থায় কল এলো। রীতিমত আবাক হয়ে যাচ্ছি যে অপাশ থেকে শুধু কান্নার শব্দই পাচ্ছি।কিছুক্ষণ পর আমার বান্ধবীটি জানালো যে অগ্রদূত বাসে পাশের সিটে বসা প্যাসেঞ্জার এবং বাসের কন্ডাক্টর হেনস্থা করছে আর শরীরে স্পর্শ করছে।যা স্বাভাবিকভাবেই ওর মানসিক অবস্থা দুর্বল করে দিয়েছে। কিছুক্ষণ কথা বলার পর ওকে জানালাম লাইনে থাকার জন্য এবং আমার সাথে কথা চালিয়ে যাবার জন্য।আমি নিজেকে মানসিকভাবে খানিকটা গুছিয়ে ঢাকা সিটির সার্জেন্ট হিমেল ভাইয়াকে কল দিয়ে বিষয়টি অবগত করলাম।ভাইয়া পরামর্শ দিলেন বাস থেকে নামার পর বাসের নম্বরটি যেন উনাকে জানাই। আমি আমার বান্ধবীকে তা জানিয়ে দিলাম যেন বাস নম্বরটি খেয়াল করে।ও বাস থেকে নেমে বাসের পেছনে লেখা নম্বর প্লেটের নম্বর আমাকে জানিয়ে দিলো।আমি সেটা সার্জেন্ট হিমেল ভাইয়াকে জানিয়ে দিলাম। হিমেল ভাইয়া জানালেন উনি যথাযথ ব্যবস্থা নিচ্ছে।আমি বান্ধবীকে কিছুটা সাহস যুগিয়ে বললাম যে কাজে যাচ্ছে সেখানে ঠিকঠাকভাবে যেন পৌছায়। বিকেলে হিমেল ভাইয়া কল দিয়ে বললেন যে বাসটি আটকে রাখা হয়েছে।আমি চলে গেলাম সেখানে কিন্তু সেই কন্ডাক্টর পালিয়েছে।ঘন্টাখানেক পর সেই কন্ডাক্টরকে সেই গাবতলীর ভেতর থেকে ধরে নিয়ে আসা হলো।আমিও বান্ধবীকে কল দিয়ে আসতে বললাম যেন লোকটাকে এসে নিশ্চিত করে। নিশ্চিত করা হলো যে এই সেই কন্ডাক্টর।

জেরার তোপে সে স্বীকার করলো যে সে এই ঘৃণ্য কাজটি করেছে।এরপর সার্জেন্ট হিমেল ভাইয়া সেই কন্ডাক্টরের যথাযোগ্য শাস্তির ব্যবস্থা করেন। তুমুল ব্যস্ততার মাঝেও হিমেল ভাইয়ার এই অসামান্য উপকারটি করে দেয়ার জন্য আজীবন কৃতজ্ঞতা আর শ্রদ্ধা রইবে। সার্জেন্ট হিমেল ভাইয়া জানিয়েছেন “এমন ধরনের বা যেকোনো ধরনের সমস্যার সহায়তার জন্য 999-এ কল দিয়ে সমস্যার কথা শেয়ার করার জন্য।এতে দ্রুততম সময়ে সমাধান পাওয়া যায়।

আমার ব্যক্তিগত একটি পরামর্শ থাকবে। কোন মেয়ে যদি এমন অবস্থায় পড়েন তবে অনুগ্রহ করে কোন সংকোচবোধ না করে একটু উঁচু স্বরে প্রতিবাদ জানাবেন বা পাশের কোন মানুষকে জানাবেন বিষয়টি। পাবলিক বাসে এতোগুলো মানুষের মাঝে একজন ভালো মানুষ পাবেন যিনি আপনার পাশে থাকবেন।সবাই নিরাপদ ও সুস্থ থাকুন।”

শরিয়তপুর জেলার ভেদরগঞ্জ উপজেলার গৌরব এনামুল হক হিমেল।ধন্যবাদ ভাইয়া আপনাদের মত সৎ ও সাহসী মানুষ আছে বলেই আমরা এখনো ভরসা পাই।