ঢাকা ০৮:২৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ০১ নভেম্বর ২০২৬, ১৭ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
লালমোহনে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার লালমোহনে দৈনিক বাংলাদেশ বাণী পত্রিকার ২য় প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত চরফ্যাশনে মহাপবিত্র বিশ্ব উরস শরীফ ২০২৭ উপলক্ষে দাওয়াতি আজিমুশ্বান ইসলামী জলসা অনুষ্ঠিত লালমোহনের ৭৫ বছরের বৃদ্ধ বারেকের সংগ্রামী জীবন ! শাপলা বিক্রিতে চলে সংসার সিরাজদিখানে বিক্রমপুর রক্তদান সংস্থার ৮ম বর্ষে পদার্পণ, বর্ষপূর্তি উৎসব ও স্বেচ্ছাসেবীদের মিলনমেলা অনুষ্ঠিত ভোলায় এইচএসসির পাসের হারে শীর্ষে লালমোহন হা-মীম রেসিডেন্সিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ সোহরাওয়ার্দী কলেজে এইচএসসিতে অকৃতকার্য ৭২৪, জিপিএ-৫ পেলেন মাত্র ৩ জন লালমোহনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত লালমোহন সদর ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডে ফোরকানের সমর্থনে উঠান বৈঠক, উন্নয়নের অঙ্গীকার প্রার্থীর সন্তানের চিকিৎসার সহায়তার জন্য অসহায় বাবার আকুতি

৬ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৪০৪৯ জন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৭:২২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯ ১৫৪ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

চলতি সেপ্টেম্বরের ৬ দিনেই সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৪ হাজার ৪৯ জন ভর্তি হয়েছেন। যদিও মৌসুমের শেষের দিকে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমে যাওয়ার আশা করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

জানা গেছে, বর্তমানে ডেঙ্গুর প্রকোপ রাজধানীর চেয়ে বাইরের জেলাগুলোতে বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এ হিসাবের ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত আরও রোগী রয়েছেন।

কীটতত্ত্ববিদরা বলছেন, মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকে। তবে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের হার একেবারেই কম থাকে। তবে এবার সেটি হচ্ছে না। এবার অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকতে পারে। এরপর প্রকোপ কমবে।

এছাড়া এ বছরের জানুয়ারিতে ৩৮, ফেব্রুয়ারিতে ১৮, মার্চে ১৭, এপ্রিলে ৫৮, মেতে ১৯৩, জুনে এক হাজার ৮৮৪, জুলাইয়ে ১৬ হাজার ২৫৩ ও আগস্টে ৫২ হাজার ৬৩৬ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। দেশে ২০১৯ সালেই সর্বোচ্চ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের রেকর্ড হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল জুলাইয়ে।

শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ন্যাশনাল হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার এসব তথ্য জানান।

ডা. আয়েশা আক্তার বলেন, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হন ৭৮৮ জন।

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এক হাজার ৭০৪ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন। ক্রমেই এ সংখ্যা কমছে। একই সময়ে ঢাকার বাইরে এক হাজার ৬৩৩ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে আর নতুন ৩২৫ জন ভর্তি হয়েছে এবং ঢাকার বাইরে ভর্তি হয়েছে আরও ৪৬৮ জন।

রাজধানীর সরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬১, মিটফোর্ডে ৫৭, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ৭, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২৬, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪, পুলিশ হাসপাতাল রাজারবাগে ৩, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯, বিজিবি হাসপাতাল পিলখানা ঢাকায় ১, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ১১, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ৩৪ ও কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে ২ জনসহ সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে মোট ২৩৫ জন ভর্তি রয়েছেন। বেসরকারি হাসপাতালে রয়েছেন ৯০ জন।

ঢাকা ছাড়া ঢাকা বিভাগে ১০১, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৯, খুলনায় ১৪১, রংপুরে ৮, রাজশাহীতে ৪৬, বরিশালে ৫৭, সিলেটে ৯ এবং ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন।

হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৭৫ হাজার ১৪৬ জন। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নেওয়ার পর বাসায় ফিরেছেন ৭১ হাজার ৬১৭ জন। অর্থাৎ আক্রান্তদের ৯৬ ভাগ রোগীই ছাড়পত্র পেয়েছেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

৬ দিনে ডেঙ্গুতে আক্রান্ত ৪০৪৯ জন

আপডেট : ০৭:২২:০১ অপরাহ্ন, শনিবার, ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৯

চলতি সেপ্টেম্বরের ৬ দিনেই সারা দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়ে ৪ হাজার ৪৯ জন ভর্তি হয়েছেন। যদিও মৌসুমের শেষের দিকে ডেঙ্গু রোগীর সংখ্যা কমে যাওয়ার আশা করেছিল স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

জানা গেছে, বর্তমানে ডেঙ্গুর প্রকোপ রাজধানীর চেয়ে বাইরের জেলাগুলোতে বেশি। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের এ হিসাবের ঢাকার বাইরে ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত আরও রোগী রয়েছেন।

কীটতত্ত্ববিদরা বলছেন, মে থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকে। তবে সেপ্টেম্বরে ডেঙ্গুতে আক্রান্তের হার একেবারেই কম থাকে। তবে এবার সেটি হচ্ছে না। এবার অক্টোবর পর্যন্ত ডেঙ্গুর প্রকোপ থাকতে পারে। এরপর প্রকোপ কমবে।

এছাড়া এ বছরের জানুয়ারিতে ৩৮, ফেব্রুয়ারিতে ১৮, মার্চে ১৭, এপ্রিলে ৫৮, মেতে ১৯৩, জুনে এক হাজার ৮৮৪, জুলাইয়ে ১৬ হাজার ২৫৩ ও আগস্টে ৫২ হাজার ৬৩৬ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত হয়েছেন। দেশে ২০১৯ সালেই সর্বোচ্চ ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্তের রেকর্ড হয়েছে। এর মধ্যে সর্বোচ্চ ছিল জুলাইয়ে।

শুক্রবার (৬ সেপ্টেম্বর) স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ন্যাশনাল হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের সহকারী পরিচালক ডা. আয়েশা আক্তার এসব তথ্য জানান।

ডা. আয়েশা আক্তার বলেন, শুক্রবার সকাল ৮টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৭৯৩ জন ডেঙ্গু রোগী সারা দেশে বিভিন্ন হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। এর আগের ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হন ৭৮৮ জন।

বুধবার সকাল ৮টা পর্যন্ত স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য মতে, ঢাকার ৪১টি সরকারি ও বেসরকারি হাসপাতালে এক হাজার ৭০৪ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী ভর্তি রয়েছেন। ক্রমেই এ সংখ্যা কমছে। একই সময়ে ঢাকার বাইরে এক হাজার ৬৩৩ জন ডেঙ্গু জ্বরে আক্রান্ত রোগী হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। এছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় রাজধানীতে আর নতুন ৩২৫ জন ভর্তি হয়েছে এবং ঢাকার বাইরে ভর্তি হয়েছে আরও ৪৬৮ জন।

রাজধানীর সরকারি হাসপাতালগুলোর মধ্যে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ৬১, মিটফোর্ডে ৫৭, ঢাকা শিশু হাসপাতালে ৭, শহীদ সোহরাওয়ার্দী হাসপাতালে ২৬, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৪, পুলিশ হাসপাতাল রাজারবাগে ৩, মুগদা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ১৯, বিজিবি হাসপাতাল পিলখানা ঢাকায় ১, সম্মিলিত সামরিক হাসপাতাল ১১, কুর্মিটোলা জেনারেল হাসপাতাল ৩৪ ও কুয়েত মৈত্রী সরকারি হাসপাতালে ২ জনসহ সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত হাসপাতালে মোট ২৩৫ জন ভর্তি রয়েছেন। বেসরকারি হাসপাতালে রয়েছেন ৯০ জন।

ঢাকা ছাড়া ঢাকা বিভাগে ১০১, চট্টগ্রাম বিভাগে ৮৯, খুলনায় ১৪১, রংপুরে ৮, রাজশাহীতে ৪৬, বরিশালে ৫৭, সিলেটে ৯ এবং ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন হাসপাতালে ১৭ জন ডেঙ্গু রোগী ভর্তি হন।

হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের তথ্য অনুযায়ী, গত জানুয়ারি থেকে এ পর্যন্ত ডেঙ্গু আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন ৭৫ হাজার ১৪৬ জন। হাসপাতাল থেকে সুস্থ হয়ে ছাড়পত্র নেওয়ার পর বাসায় ফিরেছেন ৭১ হাজার ৬১৭ জন। অর্থাৎ আক্রান্তদের ৯৬ ভাগ রোগীই ছাড়পত্র পেয়েছেন।