ঢাকা ১২:১৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৬ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমোহনে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাঁতারে প্রথম বাপ্পি ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার লালমোহনে শুদ্ধ বানান ও শুদ্ধ উচ্চারণ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

র‍্যাবের অভিযানেও থেমে নেই বোমা ও আতশবাজির বাণিজ্য

আসাদউজ্জামান
  • আপডেট : ০৮:১৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৪ ১১৫ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে র‌্যাবের পর্যায়ক্রমে অভিযানে ২জন বোমা ব্যবসায়ীকে জেল হাজতে পাঠানোর পরেও থেমে নেই বোমা ও আতশবাজির বাণিজ্য। গত ১৩ মার্চ উপজেলার বাঘিয়া বাজার থেকে আলমগীর হোসেন নামের এক বিস্ফোরক সামগ্রী বোমা, আতশবাজি ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব ১০।

এরপরে গেল ৩ এপ্রিল উপজেলার বালিগাঁও বাজার থেকে সুভাষ চন্দ্র দে নামে আরেক আতশবাজি ব্যবসায়ীকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সরঞ্জাম সহ গ্রেফতার করে র‌্যাব।এরপরেও থেকে নেই আতশবাজি ব্যবসা। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও বাজারের ব্যবসায়ীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। যেকোনো সময় আতশবাজি ও বোমা বিস্ফোরণ হয়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

বালিগাঁও বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, বিস্ফোরণ সরঞ্জাম বোমা, আতশবাজি সংরক্ষণ করে রাখাটা আমাদের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেকোনো সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা চাই এসব আতঙ্কিত অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করে বাজারের ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তা মুক্ত রাখা হোক।

শনিবার দুপুরে উপজেলার বালিগাঁও বাজারে গিয়ে দেখা গেছে আনন্দ স্টোর এবং আলম স্টোর নামে ২টি দোকানে বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন ধরনের বোমা এবং আতশবাজি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। দূর দূরান্ত থেকে ক্রেতারা এসে সেখান থেকে এসব বিস্ফোরণ সামগ্রী ক্রয় করে নিচ্ছেন।

আতশবাজি ব্যবসায়ী আনন্দ চন্দ্র দে বলেন, র্যাবের সদস্যরা এসেছিলেন। আমার বাবা সুভাষ চন্দ্রকে ধরে নিয়ে গেছে। দোকানে এবং গোডাউনে থাকা সকল বোমা ও আতশবাজি জব্দ করে নিয়েছে। এখন ছোট ছোট কিছু বোমা ও তাঁরা বাত্তি রয়েছে সেগুলো বিক্রি করছি।

আরেক ব্যবসায়ী মাইমুন বলেন, র‌্যাব এসে সকল ধরনের বোমা ও আতশবাজি নিয়ে গেছে। এখন যেগুলো আছে সেগুলো বিক্রি করা হলে আর বিক্রি করবোনা।

টঙ্গিবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসলাম হোসেন বলেন, সরেজমিনে গিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার আসলাম খান বলেন, কোন কোন দোকানে বিক্রি হচ্ছে আপনি তথ্য দেন আমি টঙ্গিবাড়ী ওসিকে বলে দিচ্ছি আইনগত ব্যবস্থা নিতে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

র‍্যাবের অভিযানেও থেমে নেই বোমা ও আতশবাজির বাণিজ্য

আপডেট : ০৮:১৩:৩২ অপরাহ্ন, শনিবার, ৬ এপ্রিল ২০২৪

মুন্সীগঞ্জের টঙ্গীবাড়ীতে র‌্যাবের পর্যায়ক্রমে অভিযানে ২জন বোমা ব্যবসায়ীকে জেল হাজতে পাঠানোর পরেও থেমে নেই বোমা ও আতশবাজির বাণিজ্য। গত ১৩ মার্চ উপজেলার বাঘিয়া বাজার থেকে আলমগীর হোসেন নামের এক বিস্ফোরক সামগ্রী বোমা, আতশবাজি ব্যবসায়ীকে আটক করেছে র‌্যাব ১০।

এরপরে গেল ৩ এপ্রিল উপজেলার বালিগাঁও বাজার থেকে সুভাষ চন্দ্র দে নামে আরেক আতশবাজি ব্যবসায়ীকে বিপুল পরিমাণ বিস্ফোরক সরঞ্জাম সহ গ্রেফতার করে র‌্যাব।এরপরেও থেকে নেই আতশবাজি ব্যবসা। ফলে স্থানীয় বাসিন্দা ও বাজারের ব্যবসায়ীদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। যেকোনো সময় আতশবাজি ও বোমা বিস্ফোরণ হয়ে বড় দুর্ঘটনা ঘটতে পারে।

বালিগাঁও বাজারের ব্যবসায়ীরা বলেন, বিস্ফোরণ সরঞ্জাম বোমা, আতশবাজি সংরক্ষণ করে রাখাটা আমাদের জন্য হুমকির কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে। যেকোনো সময় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটার আশঙ্কা রয়েছে। আমরা চাই এসব আতঙ্কিত অবৈধ বাণিজ্য বন্ধ করে বাজারের ব্যবসায়ীদের দুশ্চিন্তা মুক্ত রাখা হোক।

শনিবার দুপুরে উপজেলার বালিগাঁও বাজারে গিয়ে দেখা গেছে আনন্দ স্টোর এবং আলম স্টোর নামে ২টি দোকানে বিপুল পরিমাণ বিভিন্ন ধরনের বোমা এবং আতশবাজি সাজিয়ে রাখা হয়েছে। দূর দূরান্ত থেকে ক্রেতারা এসে সেখান থেকে এসব বিস্ফোরণ সামগ্রী ক্রয় করে নিচ্ছেন।

আতশবাজি ব্যবসায়ী আনন্দ চন্দ্র দে বলেন, র্যাবের সদস্যরা এসেছিলেন। আমার বাবা সুভাষ চন্দ্রকে ধরে নিয়ে গেছে। দোকানে এবং গোডাউনে থাকা সকল বোমা ও আতশবাজি জব্দ করে নিয়েছে। এখন ছোট ছোট কিছু বোমা ও তাঁরা বাত্তি রয়েছে সেগুলো বিক্রি করছি।

আরেক ব্যবসায়ী মাইমুন বলেন, র‌্যাব এসে সকল ধরনের বোমা ও আতশবাজি নিয়ে গেছে। এখন যেগুলো আছে সেগুলো বিক্রি করা হলে আর বিক্রি করবোনা।

টঙ্গিবাড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আসলাম হোসেন বলেন, সরেজমিনে গিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

মুন্সীগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার আসলাম খান বলেন, কোন কোন দোকানে বিক্রি হচ্ছে আপনি তথ্য দেন আমি টঙ্গিবাড়ী ওসিকে বলে দিচ্ছি আইনগত ব্যবস্থা নিতে।