ধর্ষণ, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে সোহরাওয়ার্দী কলেজের ছাত্র আন্দোলনের বিক্ষোভ মিছিল
- আপডেট : ০৯:৪১:০১ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৫ ৯৬ বার পড়া হয়েছে
বৃহস্পতিবার (২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৫) দুপুর ১২ টায়, সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজের বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন দেশজুড়ে চলমান খুন, ধর্ষণ, ছিনতাই, চাঁদাবাজিসহ সকল সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের প্রতিবাদে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ ও জননিরাপত্তার দাবিতে একটি বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করে।

এই মিছিল কলেজের মূল ফটক থেকে শুরু হয়ে বাহাদুর শাহ পার্ক (ভিক্টোরিয়া পার্ক) পর্যন্ত যায় এবং পরে পুনরায় কলেজ প্রাঙ্গণে ফিরে আসে। নতুন কমিটির নেতা-কর্মীদের নেতৃত্বে আয়োজিত এই মিছিলে শিক্ষার্থীরা “খুনি-ধর্ষকদের বিচার চাই, নিরাপদ দেশ চাই”-সহ বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান দেন।
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সোহরাওয়ার্দী কলেজ কমিটির আহ্বায়ক লিখন ইসলাম বলেন—
আমরা আজকের মিছিলে আমাদের সুস্পষ্ট কিছু দাবি জানিয়েছি এবং স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দিয়েছি। এই সময়ের মধ্যে দেশের সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে এবং প্রতিটি ধর্ষণ, গুম, ছিনতাই ও চাঁদাবাজির ঘটনায় দ্রুত বিচার করতে হবে। অন্যথায়, আমরা স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টার পদত্যাগের দাবিতে বিক্ষোভ চালিয়ে যাবো এবং তার বাসভবন ঘেরাও করবো।
সংগঠনের মুখ্য সংগঠক মুহাম্মদ আল আমিন বলেন—
দেশজুড়ে খুন, ধর্ষণ ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বেড়েই চলেছে। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি আমাদের রাস্তায় নামতে বাধ্য করেছে। আমরা অতীতেও সোচ্চার ছিলাম, এখনও আছি এবং ভবিষ্যতেও থাকবো। প্রশাসন যদি দ্রুত ব্যবস্থা না নেয়, তাহলে ছাত্রসমাজ আরও কঠোর আন্দোলনে যাবে।
সংগঠনের মুখপাত্র শাহজালাল মিয়াজী জিহাদ বলেন—
আমাদের এই বিক্ষোভ শুধু একটি কর্মসূচি নয়, এটি অন্যায়ের বিরুদ্ধে লড়াইয়ের শপথ। বিচারহীনতার সংস্কৃতি সমাজকে গ্রাস করছে। ধর্ষকরা ধর্ষণ করছে, খুনিরা খুন করছে, চাঁদাবাজরা নিরীহ মানুষের পকেট কাটছে—আর আমরা সাধারণ মানুষ নির্যাতিত হচ্ছি। প্রশাসন যদি নীরব থাকে, তাহলে আমরা রাজপথ ছাড়বো না।
তিনি আরও বলেন যে, আমরা হুঁশিয়ার করে দিতে চাই—ধর্ষক, খুনি ও চাঁদাবাজদের জায়গা কারাগারে। যদি অপরাধীদের বিচারের আওতায় না আনা হয়, তাহলে আমাদের আন্দোলন আরও কঠোর হবে। স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টাকে বলছি—পদত্যাগ করুন, না হলে ব্যবস্থা নিন! অন্যথায় ছাত্রসমাজের রুদ্ররোষ নামবে, রাজপথ কাঁপবে!
বিক্ষোভকারীরা বলেন, যদি সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত না হয় এবং অপরাধীদের শাস্তির ব্যবস্থা না করা হয়, তাহলে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন আরও বড় কর্মসূচির ডাক দেবে। তারা ঘোষণা দেন— আমরা রাজপথ ছাড়বো না, অন্যায় সহ্য করবো না, এবং বিচারের দাবিতে লড়াই চালিয়ে যাবো, যতক্ষণ না সমাজ থেকে এই অপশক্তি নির্মূল হয়।
নিউজটি শেয়ার করুন





















