লালমোহনে বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের উদ্যোগে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত
- আপডেট : ১২:৫৩:৪৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ অক্টোবর ২০২৬ ৬১ বার পড়া হয়েছে
জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরামের সভাপতি এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজীকে হয়রানি বন্দ, তাঁর বিরুদ্ধে গঠিত তদন্ত কমিটির নোটিশ প্রত্যাহার এবং শিক্ষকদের ন্যায্য দাবির পক্ষে প্রতিবাদী কন্ঠ স্তব্ধ করার অপচেষ্টার প্রতিবাদে ভোলার লালমোহনে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়েছে।বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম লালমোহন উপজেলার উদ্যোগে শনিবার (৩১ অক্টোবর) দুপুর ১২ টায় লালমোহন প্রেসক্লাবের সামনে ঘন্টাব্যাপী এ মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম ভোলা জেলার সভাপতি মাওলানা মো. আবু জাফর মাইনুদ্দিন, সহ-সভাপতি মাওলানা সফিউল্যাহ, লালমোহন উপজেলার সভাপতি মাওলানা মো. আবু তাহের, সাধারণ সম্পাদক মাওলানা ফরিদ উদ্দিন প্রমুখ।প্রতিবাদ সমাবেশ সঞ্চলনা করেন বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম লালমোহন উপজেলার সহ-সভাপতি মাওলানা মো. নেছার উদ্দিন।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে বক্তারা বলেন, আগামী ৪ নভেম্বর এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের বদলির আদেশ জারি, ৯ম পে-স্কেল অনুযায়ী এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের বেতন ভাতা প্রদান এবং আগামী ঈদুল ফেতর থেকে শতভাগ উৎসব ভাতা প্রদানের দাবিতে ঢাকার জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করা হয়েছে।
এই কর্মসূচির পেক্ষাপটে মাদ্রাসা শিক্ষা অধিদপ্তরের ডিডি (এডমিন) মো. সামিউল ইসলাম প্রমাণিকের বিরুদ্ধে শিক্ষকদের হয়রানি ও দুর্ব্যবহারের অভিযোগ তুলে অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজী একটি প্রতিবাদী পোস্ট দেন। আশ্চার্যজনকভাবে পোস্ট দেয়ার মাত্র কয়েকঘণ্টা পরে রাত ১১ টা ২২ মিনিটে তার বিরুদ্ধে তদন্ত কমিটি গঠন করে অধিদপ্তরের ওয়েবসাইডে নোটিশ প্রকাশ করা হয়। এর আগে ১৫ থেকে ২৮ অক্টোবর মাত্র ১৫ দিনের ব্যবধানে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব, ডিআইএর পরিচালক এবং মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের একজন পরিদর্শককে দিয়ে তার প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করা হয়েছে। ঘটনার সময়কাল, ধারাবাহিকতা ও অস্বভাবিক দ্রুততম বিবেচনায় আমাদের আশঙ্কা অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজীকে ব্যক্তিগতভাবে হয়রানি করা এবং এমপিওভুক্ত শিক্ষক কর্মচারীদের ন্যায্য দাবির পক্ষে তাঁর প্রতিবাদী কন্ঠস্তব্ধ করতেই এসব পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। আমরা এ ধরনের হয়রানিমূলক পদক্ষেপের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অভিলম্বে তদন্ত কমিটির নোটিশ প্রত্যাহার, অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন আজিজীকে হয়রানি বন্ধ এবং ৪ নভেম্বর পূর্বঘোষিত কর্মসূচি বানচালের যে কোন অপচেষ্টা বন্ধ করার জোর দাবি জানাচ্ছি।
পাশাপাশি আগামী ৪ নভেম্বর জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে পূর্বঘোষিত অবস্থান কর্মসূচিতে সকল শিক্ষক কর্মচারী উপস্থিত থাকার অনুরোধ জানিয়ে সমাবেশ সমাপ্ত ঘোষণা করেন।



















