ঢাকা ০৪:২৯ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ০৭ অক্টোবর ২০২৬, ২১ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
লালমোহেন ২৭ টি সয়াবিন তেলের ড্রামসহ একটি কাভার্ড ভ্যান আটক। তেল রেখে পালিয়ে যায় চালক বদলি চান শাহীন নিজেই, আটকে রেখেছে কে? লালমোহন উপজেলা যুবদল সভাপতি কবির হাওলাদারের ছেলে কাইফের জন্মদিন, দোয়া কামনা লালমোহনে এসএসসির বৃত্তির ফলাফলে হা-মীমের শিক্ষার্থীদের চমক লালমোহনে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান উপলক্ষ্যে টাস্কফোর্স কমিটির সভা লালমোহনে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত শিক্ষকদের সম্মানে সোহরাওয়ার্দী কলেজে বিশ্ব শিক্ষক দিবস পালিত কমন বিষয়ের ক্লাসে বাড়তি শিক্ষার্থী, চাপে সোহরাওয়ার্দী কলেজের শ্রেণিকক্ষ ইংরেজি চর্চায় নতুন যাত্রা, নেতৃত্বে নতুন আহ্বায়ক কমিটি লালমোহন উপজেলা ও পৌরসভার ছাত্রদলের কমিটি হওয়ায় আনন্দ মিছিল

বদলি চান শাহীন নিজেই, আটকে রেখেছে কে?

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৬:২২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬ ৫৫ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা মো. শাহীনুর রহমানকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ, দায়িত্ব পরিবর্তন এবং বদলি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা অফিস আদেশে তাকে প্রশাসন অনুবিভাগে সংযুক্ত করা হলেও তিনি এখনো ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয় ঢাকাতেই কাজ করছেন। অন্যদিকে, শাহীনুর রহমান নিজেই দাবি করেছেন, তিনি হেড অফিসে থাকতে চান না। চট্টগ্রাম কিংবা ট্রাস্টের অন্য কোনো কার্যালয়ে বদলি হতে চান তিনি। কিন্তু তার দাবি, কর্তৃপক্ষ তাকে বদলি করছে না। শুধু তাই নয়, নতুন দায়িত্ব দেওয়ার পরও আগের দায়িত্বসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজ তাকে দিয়ে করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

এতে প্রশ্ন উঠেছে- একজন কর্মকর্তা নিজেই অন্যত্র বদলি হতে চাইলে তাকে হেড অফিসে রাখার কারণ কী? আর দায়িত্ব পরিবর্তনের পরও যদি পুরোনো দায়িত্বের কাজ করতে হয়, তাহলে ১৭ সেপ্টেম্বরের অফিস আদেশের বাস্তব প্রয়োগ কতটা হয়েছে?

প্রতিবেদকের সঙ্গে ফোনে আলাপকালে মো. শাহীনুর রহমান বলেন, তিনি হেড অফিসে থাকতে আগ্রহী নন। চট্টগ্রাম অথবা ট্রাস্টের অন্য কোনো কার্যালয়ে বদলি হতে চান। তার দাবি, বিষয়টি তিনি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। কিন্তু এখনো তার বদলি কার্যকর হয়নি। শাহীনুর রহমানের ভাষ্য, আমি হেড অফিস থেকে বদলি হতে চাই। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাকে চট্টগ্রাম বা অন্য কোথাও সরাচ্ছে না। তিনি আরও দাবি করেন, হেড অফিসে রেখেই তাকে আগের দায়িত্বসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজ করানো হচ্ছে।
এদিকে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের প্রশাসন বিভাগের ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের অফিস আদেশে প্রশাসনিক প্রয়োজনে কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়িত্ব পরিবর্তন ও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। ওই আদেশে মো. শাহীনুর রহমানের নামও রয়েছে। তাকে কল্যাণ ও গবেষণা অনুবিভাগের উপ-সহকারী পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করে প্রশাসন অনুবিভাগে সংযুক্ত, ট্রাস্ট প্রধান কার্যালয়, ঢাকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই আদেশে তার অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে আইসিটি শাখার কথাও উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ কাগজে-কলমে তার দায়িত্বের পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু শাহীনুর রহমানের দাবি, নতুন দায়িত্বের পাশাপাশি তাকে আগের দায়িত্বসংশ্লিষ্ট কাজও করতে হচ্ছে।
এখানেই দেখা দিয়েছে প্রশাসনিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন। যদি দায়িত্ব পরিবর্তন কার্যকর হয়ে থাকে, তাহলে আগের দায়িত্বের কাজ তিনি কেন করবেন? আর যদি আগের কাজও তার ওপর থাকে, তাহলে ১৭ সেপ্টেম্বরের অফিস আদেশে তার দায়িত্বের প্রকৃত পরিধি কী?
তবে শাহীনুর রহমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি- তিনি নিজেই হেড অফিস থেকে অন্যত্র যেতে চাইছেন। সাধারণত কোনো কর্মকর্তার বদলি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে একজন কর্মকর্তা যখন প্রকাশ্যে অন্যত্র বদলির আগ্রহের কথা জানান, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে- তার আবেদন বা অনুরোধের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত কী? শাহীনুর রহমানের দাবি, তিনি হেড অফিসে থাকতে চান না। অন্যত্র বদলি হতে চাইলেও তাকে সেখানেই রাখা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু হেড অফিসে রাখাই নয়, নতুন দায়িত্ব দেওয়ার পরও আগের দায়িত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজ তার মাধ্যমে করানো হচ্ছে। তবে ‘জোর করে রাখা’ কিংবা আগের দায়িত্বের কাজ করানোর বিষয়ে কোনো লিখিত নির্দেশ বা প্রশাসনিক নথি এ প্রতিবেদকের হাতে আসেনি। ফলে এ দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
শাহীনুর রহমানের বক্তব্যের বিষয়ে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের অবস্থান জানতে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের যুগ্মসচিব ও পরিচালক (প্রশাসন) জাকিয়া পারভীন এবং যুগ্মপরিচালক (চলতি দায়িত্ব, প্রশাসন বিভাগ) ফয়েজ আহমেদ খানের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তাদের কেউই ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে সরেজমিনে ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সেখানে জানা যায়, ফয়েজ আহমেদ খান ছুটিতে রয়েছেন। অন্যদিকে জাকিয়া পারভীনকে তার অফিসকক্ষে পাওয়া যায়নি। ফলে শাহীনুর রহমানের বদলি, বর্তমান দায়িত্ব এবং আগের দায়িত্বের কাজ করার বিষয়ে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শাহীনুর রহমানের বক্তব্য একদিকে, ১৭ সেপ্টেম্বরের অফিস আদেশ অন্যদিকে। একদিকে তিনি বলছেন, হেড অফিসে থাকতে চান না এবং অন্যত্র বদলি হতে চান। অন্যদিকে তিনি এখনো ঢাকায় ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয়ে কাজ করছেন। তার ওপর নতুন দায়িত্ব দেওয়ার পরও পুরোনো দায়িত্বসংশ্লিষ্ট কাজ করতে হচ্ছে- এমন দাবি উঠেছে তার কাছ থেকেই। তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়- শাহীনুর রহমানের বদলির পথে বাধা কোথায়? কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত কি শুধুই দায়িত্ব পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ, নাকি তাকে অন্যত্র পদায়নের কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও আছে? আর যদি তাকে হেড অফিসেই রাখা হয়ে থাকে, তাহলে তার পেছনে সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক কারণ কী?

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

বদলি চান শাহীন নিজেই, আটকে রেখেছে কে?

আপডেট : ০৬:২২:২৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার:
বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের কর্মকর্তা মো. শাহীনুর রহমানকে ঘিরে ওঠা অভিযোগ, দায়িত্ব পরিবর্তন এবং বদলি নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। চলতি বছরের ১৭ সেপ্টেম্বর জারি করা অফিস আদেশে তাকে প্রশাসন অনুবিভাগে সংযুক্ত করা হলেও তিনি এখনো ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয় ঢাকাতেই কাজ করছেন। অন্যদিকে, শাহীনুর রহমান নিজেই দাবি করেছেন, তিনি হেড অফিসে থাকতে চান না। চট্টগ্রাম কিংবা ট্রাস্টের অন্য কোনো কার্যালয়ে বদলি হতে চান তিনি। কিন্তু তার দাবি, কর্তৃপক্ষ তাকে বদলি করছে না। শুধু তাই নয়, নতুন দায়িত্ব দেওয়ার পরও আগের দায়িত্বসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজ তাকে দিয়ে করানো হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেছেন তিনি।

এতে প্রশ্ন উঠেছে- একজন কর্মকর্তা নিজেই অন্যত্র বদলি হতে চাইলে তাকে হেড অফিসে রাখার কারণ কী? আর দায়িত্ব পরিবর্তনের পরও যদি পুরোনো দায়িত্বের কাজ করতে হয়, তাহলে ১৭ সেপ্টেম্বরের অফিস আদেশের বাস্তব প্রয়োগ কতটা হয়েছে?

প্রতিবেদকের সঙ্গে ফোনে আলাপকালে মো. শাহীনুর রহমান বলেন, তিনি হেড অফিসে থাকতে আগ্রহী নন। চট্টগ্রাম অথবা ট্রাস্টের অন্য কোনো কার্যালয়ে বদলি হতে চান। তার দাবি, বিষয়টি তিনি কর্তৃপক্ষকে জানিয়েছেন। কিন্তু এখনো তার বদলি কার্যকর হয়নি। শাহীনুর রহমানের ভাষ্য, আমি হেড অফিস থেকে বদলি হতে চাই। কিন্তু কর্তৃপক্ষ আমাকে চট্টগ্রাম বা অন্য কোথাও সরাচ্ছে না। তিনি আরও দাবি করেন, হেড অফিসে রেখেই তাকে আগের দায়িত্বসংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজ করানো হচ্ছে।
এদিকে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের প্রশাসন বিভাগের ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ তারিখের অফিস আদেশে প্রশাসনিক প্রয়োজনে কয়েকজন কর্মকর্তা-কর্মচারীর দায়িত্ব পরিবর্তন ও অতিরিক্ত দায়িত্ব দেওয়ার কথা উল্লেখ করা হয়। ওই আদেশে মো. শাহীনুর রহমানের নামও রয়েছে। তাকে কল্যাণ ও গবেষণা অনুবিভাগের উপ-সহকারী পরিচালক হিসেবে উল্লেখ করে প্রশাসন অনুবিভাগে সংযুক্ত, ট্রাস্ট প্রধান কার্যালয়, ঢাকার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। একই আদেশে তার অতিরিক্ত দায়িত্ব হিসেবে আইসিটি শাখার কথাও উল্লেখ রয়েছে। অর্থাৎ কাগজে-কলমে তার দায়িত্বের পরিবর্তন হয়েছে। কিন্তু শাহীনুর রহমানের দাবি, নতুন দায়িত্বের পাশাপাশি তাকে আগের দায়িত্বসংশ্লিষ্ট কাজও করতে হচ্ছে।
এখানেই দেখা দিয়েছে প্রশাসনিক স্বচ্ছতার প্রশ্ন। যদি দায়িত্ব পরিবর্তন কার্যকর হয়ে থাকে, তাহলে আগের দায়িত্বের কাজ তিনি কেন করবেন? আর যদি আগের কাজও তার ওপর থাকে, তাহলে ১৭ সেপ্টেম্বরের অফিস আদেশে তার দায়িত্বের প্রকৃত পরিধি কী?
তবে শাহীনুর রহমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ দাবি- তিনি নিজেই হেড অফিস থেকে অন্যত্র যেতে চাইছেন। সাধারণত কোনো কর্মকর্তার বদলি প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের বিষয়। তবে একজন কর্মকর্তা যখন প্রকাশ্যে অন্যত্র বদলির আগ্রহের কথা জানান, তখন স্বাভাবিকভাবেই প্রশ্ন ওঠে- তার আবেদন বা অনুরোধের বিষয়ে কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত কী? শাহীনুর রহমানের দাবি, তিনি হেড অফিসে থাকতে চান না। অন্যত্র বদলি হতে চাইলেও তাকে সেখানেই রাখা হয়েছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, শুধু হেড অফিসে রাখাই নয়, নতুন দায়িত্ব দেওয়ার পরও আগের দায়িত্বের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন কাজ তার মাধ্যমে করানো হচ্ছে। তবে ‘জোর করে রাখা’ কিংবা আগের দায়িত্বের কাজ করানোর বিষয়ে কোনো লিখিত নির্দেশ বা প্রশাসনিক নথি এ প্রতিবেদকের হাতে আসেনি। ফলে এ দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে নিশ্চিত করা সম্ভব হয়নি।
শাহীনুর রহমানের বক্তব্যের বিষয়ে ট্রাস্ট কর্তৃপক্ষের অবস্থান জানতে বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা কল্যাণ ট্রাস্টের যুগ্মসচিব ও পরিচালক (প্রশাসন) জাকিয়া পারভীন এবং যুগ্মপরিচালক (চলতি দায়িত্ব, প্রশাসন বিভাগ) ফয়েজ আহমেদ খানের সঙ্গে একাধিকবার ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়। তবে তাদের কেউই ফোন রিসিভ করেননি। পরবর্তীতে সরেজমিনে ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয়ে গিয়ে বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হয়। সেখানে জানা যায়, ফয়েজ আহমেদ খান ছুটিতে রয়েছেন। অন্যদিকে জাকিয়া পারভীনকে তার অফিসকক্ষে পাওয়া যায়নি। ফলে শাহীনুর রহমানের বদলি, বর্তমান দায়িত্ব এবং আগের দায়িত্বের কাজ করার বিষয়ে প্রশাসনের তাৎক্ষণিক কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

শাহীনুর রহমানের বক্তব্য একদিকে, ১৭ সেপ্টেম্বরের অফিস আদেশ অন্যদিকে। একদিকে তিনি বলছেন, হেড অফিসে থাকতে চান না এবং অন্যত্র বদলি হতে চান। অন্যদিকে তিনি এখনো ঢাকায় ট্রাস্টের প্রধান কার্যালয়ে কাজ করছেন। তার ওপর নতুন দায়িত্ব দেওয়ার পরও পুরোনো দায়িত্বসংশ্লিষ্ট কাজ করতে হচ্ছে- এমন দাবি উঠেছে তার কাছ থেকেই। তাহলে প্রশ্ন থেকেই যায়- শাহীনুর রহমানের বদলির পথে বাধা কোথায়? কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত কি শুধুই দায়িত্ব পরিবর্তনের মধ্যে সীমাবদ্ধ, নাকি তাকে অন্যত্র পদায়নের কোনো প্রশাসনিক সিদ্ধান্তও আছে? আর যদি তাকে হেড অফিসেই রাখা হয়ে থাকে, তাহলে তার পেছনে সুনির্দিষ্ট প্রশাসনিক কারণ কী?