লালমোহনে খাল খননের মাটি রাস্তার পাশে ও খালের পাড়ে ফেলায় জনদুর্ভোগ
- আপডেট : ০৯:৩৯:৫৪ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৭ মে ২০২৬ ৮০ বার পড়া হয়েছে
েজেলা প্রতিনিধি (ভোলা) :
দীর্ঘদিনের দাবির পর ভোলার লালমোহনে খাল খনন কাজ শুরু হলেও সেই কাজের মাটি রাস্তার পাশে ও খালের পাড়ে ফেলে রাখায় জনদুর্ভোগের সৃষ্টি হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বিশেষ করে বৃষ্টির কারণে কাদামাটি পাকা সড়কে ছড়িয়ে পড়ায় স্থানীয়দের চলাচলে চরম ভোগান্তি তৈরি হয়েছে।

উপজেলার লালমোহন ইউনিয়নের কালিরটেক বাজার থেকে পশ্চিম দিকে অবস্থিত লালন খাল খননের কাজ বৃহস্পতিবার (৭ মে) সকাল থেকে শুরু করে সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। খনন কাজে দুটি ভেকু মেশিন ব্যবহার করা হয়।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, কাজের শুরুতে ১০০ মিটার খালের নরম মাটি ট্রাকে করে ঠিকাদার অন্যত্র সরিয়ে নিলেও। পরে অংশের মাটি খালের পাড় ও সড়কের পাশে ফেলে রাখা হয়। এতে বৃষ্টির পানিতে মাটি গলে সড়কের ওপর ছড়িয়ে পড়ে এবং পুরো রাস্তা কাদায় পরিণত হয়।
এছাড়া কয়েকটি বড় বাড়ির চলালের মুল ফটকে মাটি রেখে বন্ধ করায় কয়েকটি পরিবারের চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ফলে বাড়ীর লোকজন, পথচারী ও যানবাহন চলাচলে চরম দুর্ভোগ দেখা দেয়।
স্থানীয় বাসিন্দা নাসির, রুবেল ও ফকরুদ্দিন বেপারী অভিযোগ করে বলেন, সকালে ঠিকাদার মাটি অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছিলেন। কিন্তু দুপুরের পর থেকে রাস্তার পাশে ও খালের পাড়ে মাটি জমা করতে শুরু করেন। এখন বৃষ্টির পানিতে সেই মাটি আবার খালে ও রাস্তায় চলে আসছে। পাকা সড়ক কাদায় ভরে গেছে। সাধারণ মানুষের চলাচল খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
খাল খননের দায়িত্বে থাকা ঠিকাদার রাজিব বলেন, প্রথমে আমরা ১০০ ফিট খাল খননের নরম মাটি ট্রাকে করে অন্যত্র সরিয়ে নিচ্ছিলাম, যাতে খালে আবার মাটি না পড়ে এবং রাস্তারও ক্ষতি না হয়। কিন্তু পরে উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তার মাধ্যমে জানতে পারি, ইউএনও স্যারের নির্দেশে মাটি অন্যত্র নেওয়া যাবে না।
ভিজিটের জন্য মাটি খালের পাশে রাখতে বলা হয়েছে। তাই বাধ্য হয়ে রাস্তার পাশেই মাটি রাখা হচ্ছে।
এদিকে স্থানীয়দের দাবি, দ্রুত সড়ক থেকে মাটি অপসারণ ও খালের পাড় সুরক্ষিত করা না হলে বর্ষাকালে পরিস্থিতি আরও ভয়াবহ হতে পারে। তারা জনদুর্ভোগ কমাতে প্রশাসনের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা পলাশ সমাদ্দার জানান, একটি কাজটি করতে গেলে একটু সাময়িক অসুবিধা হতে পারে। মাটি অন্য যায়গা রাখার সুযোগ নেই। তাই আমরা ওখানে রাখার পরামর্শ দিয়েছে। কারণ ওই মাটিগুলো সরকারি ভাবে নিলামে দেয়া হবে।
এ বিষয়ে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক এর মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা হলেও তিনি রিসিভ না করায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।
নিউজটি শেয়ার করুন


















