ঢাকা ১০:৫৪ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩০ মে ২০২৬, ১৬ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
লালমোহনে সড়ক পাকা করণের দাবিতে মানববন্ধন কৃষি উন্নয়নে খাল খননের বিকল্প নেই — এমপি নুরুল ইসলাম নয়ন লালমোহনে ধলীগৌর নগর আদ্-দ্বীন ফাউন্ডেশনের পক্ষ থেকে দুস্থদের মধ্যে মাংস বিতরণ চরফ্যাশনে মাছ চুরিকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষ/ ‎আহত কলেজছাত্রের মৃত্যু লালমোহনে মেধা, সর্বোচ্চ উপস্থিতি ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ এবং অভিভাবক সমাবেশ অনুষ্ঠিত লালমোহনে কোরবানিকে সামনে রেখে ব্যস্ত সময় পার করছেন কামাররা এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল! ষোলঘর ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট সভা শ্রীনগরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ  উপলক্ষে র‌্যালি লালমোহনে দুদক এর উদ্যোগে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত

লালমোহনে পৌর মাল্টি-পারপাস মার্কেট বরাদ্দের নামে দুই কোটি টাকা হাতালেন মেয়র!

নাজমুল খান সুজন
  • আপডেট : ০৬:২১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫ ১১৪ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

ভোলার লালমোহন পৌরসভার একটি মাল্টি-পারপাস মার্কেটের ঘর বরাদ্দের নামে প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর মেয়র এমদাদুল ইসলাম তুহিনের বিরুদ্ধে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌর শহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন প্রধান খাল থেকে থানার মোড় পর্যন্ত বয়ে যাওয়া সংযোগ খালের ওপর পৌর মাল্টি-পারপাস মার্কেট নির্মাণ করেন মেয়র এমদাদুল ইসলাম তুহিন।

ওই মার্কেটের ১২৪টি ঘর বরাদ্দের জন্য গ্রাহক প্রতি আড়াই থেকে তিনলক্ষ টাকা করে নিয়ে মাত্র একলক্ষ টাকা পৌর কোষাগারে জমা দেখান তিনি। ঘরপ্রতি বাকি দেড়-দুইলক্ষ টাকা করে ১২৪টি ঘরের প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেন মেয়র তুহিন।
এদিকে বরাদ্দ হলেও জেলা পরিষদের বাঁধার কারণে মার্কেটের ঘরগুলো গ্রাহকদের বুঝিয়ে দিতে পারেননি। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পরে ১৮ আগস্ট পৌরসভার মেয়রদেরকে অপসারণ করে সংশ্লিষ্ট স্থানে প্রশাসক নিয়োগ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। পরে পৌর প্রশাসক কর্তৃক ওই মার্কেটের ঘরগুলো গ্রাহকদের বুঝিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিলে প্রকাশ পায় মেয়রের টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা।

ওই মার্কেটে বরাদ্দ পাওয়া একাধিক গ্রাহকের সাথে আলাপকালে পৌরসভায় ঘরপ্রতি আড়াই থেকে তিনলক্ষ টাকা দেয়ার কথা জানান তারা। তবে ঘর হারানোর ভয়ে প্রকাশ্যে আসতে চান না তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এমদাদুল ইসলাম তুহিন বলেন, একলক্ষ টাকা করে পৌরসভার ফান্ডে জমা হয়েছে। আর যে বাড়তি টাকা নিছে, সেই টাকা আমি নিয়েছি এরকম না। সাবেক এমপি অফিসিয়াল খরচের কথা বলে এ টাকাটা নিছে। এ অফিস কোনটা? এমন প্রশ্নের জবাবে ‘পেট অফিস’ বলে আখ্যা দেন তিনি।

এদিকে সাবেক এ মেয়রের বিরুদ্ধে পূর্বেরও দুর্নীতির মামলা রয়েছে এবং খোঁজ নিলে আরও দুর্নীতি বেরিয়ে আসবে। তাই দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতনমহল।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

লালমোহনে পৌর মাল্টি-পারপাস মার্কেট বরাদ্দের নামে দুই কোটি টাকা হাতালেন মেয়র!

আপডেট : ০৬:২১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫

ভোলার লালমোহন পৌরসভার একটি মাল্টি-পারপাস মার্কেটের ঘর বরাদ্দের নামে প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে পৌর মেয়র এমদাদুল ইসলাম তুহিনের বিরুদ্ধে।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, পৌর শহরের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স সংলগ্ন প্রধান খাল থেকে থানার মোড় পর্যন্ত বয়ে যাওয়া সংযোগ খালের ওপর পৌর মাল্টি-পারপাস মার্কেট নির্মাণ করেন মেয়র এমদাদুল ইসলাম তুহিন।

ওই মার্কেটের ১২৪টি ঘর বরাদ্দের জন্য গ্রাহক প্রতি আড়াই থেকে তিনলক্ষ টাকা করে নিয়ে মাত্র একলক্ষ টাকা পৌর কোষাগারে জমা দেখান তিনি। ঘরপ্রতি বাকি দেড়-দুইলক্ষ টাকা করে ১২৪টি ঘরের প্রায় দুই কোটি টাকা হাতিয়ে নেন মেয়র তুহিন।
এদিকে বরাদ্দ হলেও জেলা পরিষদের বাঁধার কারণে মার্কেটের ঘরগুলো গ্রাহকদের বুঝিয়ে দিতে পারেননি। ৫ আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের পরে ১৮ আগস্ট পৌরসভার মেয়রদেরকে অপসারণ করে সংশ্লিষ্ট স্থানে প্রশাসক নিয়োগ করে স্থানীয় সরকার বিভাগ। পরে পৌর প্রশাসক কর্তৃক ওই মার্কেটের ঘরগুলো গ্রাহকদের বুঝিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নিলে প্রকাশ পায় মেয়রের টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনা।

ওই মার্কেটে বরাদ্দ পাওয়া একাধিক গ্রাহকের সাথে আলাপকালে পৌরসভায় ঘরপ্রতি আড়াই থেকে তিনলক্ষ টাকা দেয়ার কথা জানান তারা। তবে ঘর হারানোর ভয়ে প্রকাশ্যে আসতে চান না তারা।

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এমদাদুল ইসলাম তুহিন বলেন, একলক্ষ টাকা করে পৌরসভার ফান্ডে জমা হয়েছে। আর যে বাড়তি টাকা নিছে, সেই টাকা আমি নিয়েছি এরকম না। সাবেক এমপি অফিসিয়াল খরচের কথা বলে এ টাকাটা নিছে। এ অফিস কোনটা? এমন প্রশ্নের জবাবে ‘পেট অফিস’ বলে আখ্যা দেন তিনি।

এদিকে সাবেক এ মেয়রের বিরুদ্ধে পূর্বেরও দুর্নীতির মামলা রয়েছে এবং খোঁজ নিলে আরও দুর্নীতি বেরিয়ে আসবে। তাই দুর্নীতি দমন কমিশনের দৃষ্টি কামনা করেছেন স্থানীয় সচেতনমহল।