ঢাকা ০২:২২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১১ জুলাই ২০২৬, ২৬ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
লালমোহনে গজারিয়া বাজারের ভিটি বিরোধের জেরে হোটেলে হামলা-ভাঙচুর, লুটের অভিযোগ পাখি মেরে পৌচাশিক আনন্দ পান লালমোহনের জামাল চরফ্যাশনে রিং জালের ফাঁদে হারিয়ে যাচ্ছে দেশী প্রজাতির মাছ  ভোলায় কোস্ট গার্ডের অভিযানে নিষিদ্ধ পলিথিন ও কারেন্ট চরফ্যাশনে জেলেদের তালিকা হালনাগাদ করণে সভা অনুষ্ঠিত  বাস মালিক সমিতির হয়রানি বন্ধে লালমোহনে সিএনজি মালিক ও শ্রমিকদের প্রতিবাদ সভা নানা আয়োজনের মধ্য দিয়ে লালমোহনে জাতীয় পল্লী উন্নয়ন দিবস পালিত লালমোহন বদরপুর কলেজে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ মতো বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন চরফ্যাশনে নজরুল বর্ষের অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ লালমোহনে মোমবাতি জ্বালিয়ে চলছে অর্ধবার্ষিক পরীক্ষা

পঙ্গু ভিক্ষুক নূরে আলমের মুখে ফুটলো হাসি, ব্যবস্থা হলো বিকল্প কর্মসংস্থানের

নাজমুল খান সুজন
  • আপডেট : ০৭:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫ ৩১৬ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
কয়েকদিন আগেও হুইল চেয়ারে বসে ঘুরে ঘুরে ভিক্ষা করতেন ৪২ বছর বয়সী মো. নূরে আলম। দুই হাতে একটি হুইল চেয়ারের চাকা ঘুরিয়ে নূরে আলম ছুটে বেড়াতেন এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে। তার এ সংগ্রাম ছিল কেবল বৃদ্ধ মা-বাবা আর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকার।
ভোলার লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মহেষখালি এলাকার বাকলাই বাড়ির মো. ইমাম হোসেনের ছেলে মো. নূরে আলমের সেই কষ্ট এখন লাঘব হয়েছে। জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের অর্থায়নে ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় পঙ্গু নূরে আলমকে ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের আবুগঞ্জ বাজার সংলগ্ন এলাকায় ব্যবসার জন্য অর্ধলাখ টাকার মুদি মালামাল তুলে দিয়ে দোকানের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহ আজিজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ।

কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হওয়ায় খুশি অসহায় নূরে আলম। তিনি বলেন, আমি ১০ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় দুই পা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়ি। সংসার চালানোর জন্য বেছে নিই ভিক্ষার পেশা। তবে হুইল চেয়ারে বসে বিভিন্ন জায়গায় যেতে আমার অনেক কষ্ট হতো। আমার কষ্ট লাঘবে ও ভিক্ষার পেশা বন্ধে এগিয়ে এসেছে লালমোহন উপজেলা সমাজ সেবা অফিস। এই দোকানের জন্য অর্ধলাখ টাকার মালামাল পেয়েছি। উপজেলা প্রশাসন ও সমাজ সেবা অফিস থেকে এই টাকা দেওয়া হয়েছে। ইউএনও স্যার আমার দোকানটি উদ্বোধন করেছেন। তিনিসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সবাই দোয়া করবেন, এই দোকানটি পরিচালনা করে আমি যেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুন্দরভাবে চলতে পারি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

পঙ্গু ভিক্ষুক নূরে আলমের মুখে ফুটলো হাসি, ব্যবস্থা হলো বিকল্প কর্মসংস্থানের

আপডেট : ০৭:২৬:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ নভেম্বর ২০২৫

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
কয়েকদিন আগেও হুইল চেয়ারে বসে ঘুরে ঘুরে ভিক্ষা করতেন ৪২ বছর বয়সী মো. নূরে আলম। দুই হাতে একটি হুইল চেয়ারের চাকা ঘুরিয়ে নূরে আলম ছুটে বেড়াতেন এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে। তার এ সংগ্রাম ছিল কেবল বৃদ্ধ মা-বাবা আর স্ত্রী-সন্তানদের নিয়ে কোনো রকমে খেয়ে-পরে বেঁচে থাকার।
ভোলার লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের মহেষখালি এলাকার বাকলাই বাড়ির মো. ইমাম হোসেনের ছেলে মো. নূরে আলমের সেই কষ্ট এখন লাঘব হয়েছে। জাতীয় সমাজকল্যাণ পরিষদের অর্থায়নে ভিক্ষুক পুনর্বাসন ও বিকল্প কর্মসংস্থান শীর্ষক কর্মসূচির আওতায় পঙ্গু নূরে আলমকে ক্ষুদ্র ব্যবসার মাধ্যমে কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করে দেওয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় লালমোহন উপজেলার ফরাজগঞ্জ ইউনিয়নের ভোলা-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কের আবুগঞ্জ বাজার সংলগ্ন এলাকায় ব্যবসার জন্য অর্ধলাখ টাকার মুদি মালামাল তুলে দিয়ে দোকানের কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহ আজিজ। এ সময় উপস্থিত ছিলেন লালমোহন উপজেলা সমাজসেবা কর্মকর্তা মো. মাসুদ।

কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হওয়ায় খুশি অসহায় নূরে আলম। তিনি বলেন, আমি ১০ বছর আগে এক দুর্ঘটনায় দুই পা হারিয়ে অসহায় হয়ে পড়ি। সংসার চালানোর জন্য বেছে নিই ভিক্ষার পেশা। তবে হুইল চেয়ারে বসে বিভিন্ন জায়গায় যেতে আমার অনেক কষ্ট হতো। আমার কষ্ট লাঘবে ও ভিক্ষার পেশা বন্ধে এগিয়ে এসেছে লালমোহন উপজেলা সমাজ সেবা অফিস। এই দোকানের জন্য অর্ধলাখ টাকার মালামাল পেয়েছি। উপজেলা প্রশাসন ও সমাজ সেবা অফিস থেকে এই টাকা দেওয়া হয়েছে। ইউএনও স্যার আমার দোকানটি উদ্বোধন করেছেন। তিনিসহ সংশ্লিষ্ট সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করছি। সবাই দোয়া করবেন, এই দোকানটি পরিচালনা করে আমি যেন পরিবারের সদস্যদের নিয়ে সুন্দরভাবে চলতে পারি।