ঢাকা ০৭:৫৯ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৪ এপ্রিল ২০২৬, ১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
আহাম্মদিয়া দাখিল মাদ্রাসার ২০২৬ ইং সনের দাখিল পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও দোয়া অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত দক্ষিণ আইচা কলেজের গভর্নিং বডির কমিটি অনুমোদন লালমোহনে অপরাধ প্রতিরোধের লক্ষ্যে সুধী সমাবেশ অনুষ্ঠিত লালমোহন নয়ানীগ্রামে মসজিদের বাউন্ডারি ওয়াল ভাঙ্গার ঘটনায় ক্ষোভ হিউম্যান রাইটস অ্যালাইভের উপদেষ্টা কমিটিতে মোঃ সাহাবুদ্দিন খান, চাঁদপুরবাসীর অভিনন্দন মুন্সীগঞ্জের তিন সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশ লালমোহনে চালের ডিওতে সমঝোতা বাণিজ্য টনপ্রতি নূন্যতম ৫শ টাকা নেওয়ার অভিযোগ লালমোহনে ওরকাইতের বিরুদ্ধে ভুয়া ষ্টাম্প তৈরী করে জমি দখলে নিয়ে ভবন নির্মানের অভিযোগ নির্দোষ হয়েও হয়রানির শিকার হচ্ছি,তদন্তের দাবি জানালেন যুবদল নেতা ‎ অবরোধের ৪০ দিন পার হলেও চাল না পাওয়ায় জেলেদের বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

রাজাকারের তালিকার পুরো দায় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

দীপ্ত বার্তা ডেস্ক
  • আপডেট : ০৫:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯ ৩৮ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

রাজাকারদের তালিকা নিয়ে যে বিতর্ক উঠেছে তার পুরো দায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদাজ্জুমান খান কামাল।

তিনি বলেছেন, ‘এটি কোনও রাজাকারের তালিকায় নয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে রাজাকার, আলবদর, আল শামসের তালিকা দেওয়া হয়নি; দালাল আইনে অভিযুক্তদের তালিকা দেয়া হয়েছে। নোট দেয়া সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সবার নাম প্রকাশ করায় এর পুরো দায় ওই মন্ত্রণালয়ের।’

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সামনে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ‘রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও স্বাধীনতা বিরোধীদের’ নামের তালিকা নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেছেন, ‘দালাল আইনে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তাদের নামের তালিকা আমরা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলাম। মন্ত্রী তালিকা চেয়েছেন, আমরা দিয়েছি। কিন্তু তা প্রকাশ করবেন কিনা তা আমাদের বলেননি।’

ঠিকমতো যাচাইবাছাই না করেই এই তালিকা প্রকাশ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’ কিনা, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘তা আমি বলবো না। আমি বিশ্বাস করি তিনি হয়তো ভালো কিছু করার জন্যই এই তালিকাটি চেয়েছিলেন।’

এই তালিকা করার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ৬০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল, সেটা কোথায় খরচ হয়েছে- প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। কারণ তিনি একজন সিনিয়র মন্ত্রী।’

এই ধরনের বিতর্কিত তালিকা তৈরি করা ‘সাবোট্যাজ’ কিনা, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘সেটা খতিয়ে দেখা হবে। আমার মন্ত্রণালয় যে কাজ করেছে, তাতে ভুল হতে পারে। তবে এ ধরনের একটি বড় কাজে সেই ভুল কতখানি সহনীয় তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করা হবে।’

উল্লেখ্য, গত রবিবার ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। তালিকা প্রকাশের পরই নানা বিতর্ক ছড়াচ্ছে। দেশব্যাপী তুমুল সমালোচনা চলছে।

সেই তালিকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি গোলাম আরিফ টিপু, গ্রেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা তপন কুমার চক্রবর্ত্তী, আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ মজিবুল হকসহ অনেক ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের নাম উঠে এসেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

রাজাকারের তালিকার পুরো দায় মুক্তিযুদ্ধ মন্ত্রণালয়ের: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

আপডেট : ০৫:২৫:৪৫ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ ডিসেম্বর ২০১৯

রাজাকারদের তালিকা নিয়ে যে বিতর্ক উঠেছে তার পুরো দায় মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের বলে দাবি করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদাজ্জুমান খান কামাল।

তিনি বলেছেন, ‘এটি কোনও রাজাকারের তালিকায় নয়, মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়কে রাজাকার, আলবদর, আল শামসের তালিকা দেওয়া হয়নি; দালাল আইনে অভিযুক্তদের তালিকা দেয়া হয়েছে। নোট দেয়া সত্ত্বেও মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয় সবার নাম প্রকাশ করায় এর পুরো দায় ওই মন্ত্রণালয়ের।’

বুধবার (১৮ ডিসেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে নিজের কার্যালয়ে সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে সামনে এসব কথা বলেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় প্রকাশিত ‘রাজাকার, আলবদর, আলশামস ও স্বাধীনতা বিরোধীদের’ নামের তালিকা নিয়ে ক্ষোভও প্রকাশ করেছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল।

তিনি বলেছেন, ‘দালাল আইনে যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল তাদের নামের তালিকা আমরা মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলাম। মন্ত্রী তালিকা চেয়েছেন, আমরা দিয়েছি। কিন্তু তা প্রকাশ করবেন কিনা তা আমাদের বলেননি।’

ঠিকমতো যাচাইবাছাই না করেই এই তালিকা প্রকাশ মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রীর ‘রাজনৈতিক স্টান্টবাজি’ কিনা, সাংবাদিকদের এই প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘তা আমি বলবো না। আমি বিশ্বাস করি তিনি হয়তো ভালো কিছু করার জন্যই এই তালিকাটি চেয়েছিলেন।’

এই তালিকা করার মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়কে ৬০ কোটি টাকা দেওয়া হয়েছিল, সেটা কোথায় খরচ হয়েছে- প্রশ্ন করা হলে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘এ বিষয়ে আমি মন্তব্য করতে চাই না। কারণ তিনি একজন সিনিয়র মন্ত্রী।’

এই ধরনের বিতর্কিত তালিকা তৈরি করা ‘সাবোট্যাজ’ কিনা, জানতে চাইলে মন্ত্রী বলেন, ‘সেটা খতিয়ে দেখা হবে। আমার মন্ত্রণালয় যে কাজ করেছে, তাতে ভুল হতে পারে। তবে এ ধরনের একটি বড় কাজে সেই ভুল কতখানি সহনীয় তা খতিয়ে দেখতে তদন্ত কমিটি করা হবে।’

উল্লেখ্য, গত রবিবার ১০ হাজার ৭৮৯ জন রাজাকারের তালিকা প্রকাশ করেছে সরকার। তালিকা প্রকাশের পরই নানা বিতর্ক ছড়াচ্ছে। দেশব্যাপী তুমুল সমালোচনা চলছে।

সেই তালিকায় আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের কৌঁসুলি গোলাম আরিফ টিপু, গ্রেজেটভুক্ত মুক্তিযোদ্ধা তপন কুমার চক্রবর্ত্তী, আওয়ামী লীগের সাবেক সাংসদ মজিবুল হকসহ অনেক ভাতাপ্রাপ্ত মুক্তিযোদ্ধা ও আওয়ামী লীগ নেতাদের নাম উঠে এসেছে।