ঢাকা ১০:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ জুলাই ২০২৬, ১২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
শ্রীনগরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এমপি আব্দুল্লাহ লালমোহনে ফ্যামিলি কার্ড খানা তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম বিষয়ক অবহিতকরণ সভা ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হাওলাদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা মেরামত ব্যারিস্টার হলেন লালমোহনের কৃতি সন্তান মনিরুল ইসলাম লালমোহনে বাস চাপায় শিশু নিহত ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষকের পাশে লালমোহন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি লালমোহন যুব রেড ক্রিসেন্টের ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল লালমোহনে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজারো ভক্তের উল্টো রথযাত্রা হাঁস চুরির দায়ে আটক যুবককে নামাজ পড়িয়ে মুক্তি!

লালমোহনে বর্গাচাষি ভুয়া বায়না চুক্তি করে জোর করে জমি দখলের অভিযোগ

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
  • আপডেট : ১২:১১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫ ১৩২ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

প্রথমে ছিলেন বর্গা চাষি। এরপর বছর বছর লগ্নি চাষি। জমির মালিক মারা যাওয়ার পর হঠাৎ ভুয়া বায়না চুক্তি দাড় করিয়ে জোর করে জমি দখল করে রেখেছেন মো. রুহুল আমিন নামের এক বর্গা চাষি। ভুয়া বায়না চুক্তি ধরা পরার পর জেলও খেটেছেন রুহুল আমিন। জেল থেকে বের হয়ে পুনরায় জমি দখলে রেখেছেন তিনি। মানছেন না আইনকানুন, নিয়ম নীতি এবং সালিশ বিচার। এ যেন রুহুল আমিনের জোর জুলুমের রাজ্য। জমিতে মালিক পক্ষ গেলে তাদেরকে খুন, জখম করা হবে না হয় নিজের লোককে খুন করে জমির মালিকদেরকে ফাঁসানো হবে বলে হুমকি দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ঘটনাটি ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড চর ছকিনা এলাকার।
ভুক্তভোগী মো. রাশেদ খান অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা মৃত মো. ফরিদ উদ্দিন খান গত ২৯/০৪/১৯৯৫ ইং সালে ২৮০১ নং দলিল মূলে চর ছকিনা মৌজার ১০৩৯ নং খতিয়ানে ১.৩২ একর এবং একই মৌজার ১০৫৩ খতিয়ানের ২৮ শতাংশ মোট ১.৬০ একর জমি ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছেন। যার বর্তমান বিএস নং ৩৫৮৩। বাবা জীবিত থাকা অবস্থা থেকে জমির পাশের বাড়ির মো. রুহুল আমিন এই জমিটি বর্গা এবং বছর বছর লগ্নি রাখতেন। ২০১৯ সালে আমার বাবা হজ করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। বাবার মৃত্যুর পর রুহুল আমিনের নিকট জমি লগ্নির টাকা চাইতে গেলে তিনি দেয় দিচ্ছি বলে সময় পার করতে থাকেন। কিছু দিন পর রুহুল আমিন একশ টাকার ৩টি স্ট্যাম্পে আমার বাবার নামে একটি বায়না চুক্তি আমাদেরকে দেখায় এবং বলে বায়না চুক্তির মাধ্যমে তিনি আমাদের জমি ক্রয় করেছেন। তখন বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বসে মীমাংসা চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে বায়না চুক্তি বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় চুক্তির ফটোকপি নিয়ে আমি লালমোহন সাবরেজিষ্টার অফিসে তল্লাশি করলে তা না পাওয়ায়, ভোলা আদালতে ভুয়া বায়না চুক্তির বিরুদ্ধে মামলা করি। আদালতে মামলাটি তদন্ত করে এবং খুলনা ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে আমার বাবার আঙ্গুলের ছাপ বায়না চুক্তিতে আঙ্গুলের ছাপ না মেলায় বায়নাচুক্তিটি ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। এরপর ভুয়া বায়না চুক্তি করার কারণে মো. রুহুল আমিন জেল খাটেন। জেল থেকে তিনি আমাদের জমি আমাদেরকে বুঝিয়ে দিবেন এই অঙ্গীকার করে বের হন। কিন্তু জেল থেকে বের হয়ে তিনি আরো বেপরোয়া হয়ে যান এবং আমাদের জমিতে আমরা গেলে আমাদেরকে খুন জখম করবে। না হয় তিনি তার পরিবারের সদস্যদের জমিতে নিয়ে খুন করে আমাদেরকে ফাঁসাবে বলে হুমকি প্রদান করছেন। আদালতে মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে।
ভুয়া বায়নাকারী জুলুমবাজ রুহুল আমিনের জোর জুলুম হতে আমরা বাঁচতে চাই এবং আমাদের জমি আমরা যাতে নিরাপদে ভোগদখল করতে পারি তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

এ ব্যাপারে মো. রুহুল আমিনের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

লালমোহনে বর্গাচাষি ভুয়া বায়না চুক্তি করে জোর করে জমি দখলের অভিযোগ

আপডেট : ১২:১১:২৭ অপরাহ্ন, শনিবার, ৫ জুলাই ২০২৫

প্রথমে ছিলেন বর্গা চাষি। এরপর বছর বছর লগ্নি চাষি। জমির মালিক মারা যাওয়ার পর হঠাৎ ভুয়া বায়না চুক্তি দাড় করিয়ে জোর করে জমি দখল করে রেখেছেন মো. রুহুল আমিন নামের এক বর্গা চাষি। ভুয়া বায়না চুক্তি ধরা পরার পর জেলও খেটেছেন রুহুল আমিন। জেল থেকে বের হয়ে পুনরায় জমি দখলে রেখেছেন তিনি। মানছেন না আইনকানুন, নিয়ম নীতি এবং সালিশ বিচার। এ যেন রুহুল আমিনের জোর জুলুমের রাজ্য। জমিতে মালিক পক্ষ গেলে তাদেরকে খুন, জখম করা হবে না হয় নিজের লোককে খুন করে জমির মালিকদেরকে ফাঁসানো হবে বলে হুমকি দিচ্ছেন প্রতিনিয়ত। ঘটনাটি ভোলার লালমোহন উপজেলার কালমা ইউনিয়ন ৫নং ওয়ার্ড চর ছকিনা এলাকার।
ভুক্তভোগী মো. রাশেদ খান অভিযোগ করে বলেন, আমার বাবা মৃত মো. ফরিদ উদ্দিন খান গত ২৯/০৪/১৯৯৫ ইং সালে ২৮০১ নং দলিল মূলে চর ছকিনা মৌজার ১০৩৯ নং খতিয়ানে ১.৩২ একর এবং একই মৌজার ১০৫৩ খতিয়ানের ২৮ শতাংশ মোট ১.৬০ একর জমি ক্রয় করে ভোগ দখল করে আসছেন। যার বর্তমান বিএস নং ৩৫৮৩। বাবা জীবিত থাকা অবস্থা থেকে জমির পাশের বাড়ির মো. রুহুল আমিন এই জমিটি বর্গা এবং বছর বছর লগ্নি রাখতেন। ২০১৯ সালে আমার বাবা হজ করতে গিয়ে মৃত্যুবরণ করেন। বাবার মৃত্যুর পর রুহুল আমিনের নিকট জমি লগ্নির টাকা চাইতে গেলে তিনি দেয় দিচ্ছি বলে সময় পার করতে থাকেন। কিছু দিন পর রুহুল আমিন একশ টাকার ৩টি স্ট্যাম্পে আমার বাবার নামে একটি বায়না চুক্তি আমাদেরকে দেখায় এবং বলে বায়না চুক্তির মাধ্যমে তিনি আমাদের জমি ক্রয় করেছেন। তখন বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে সালিশ বসে মীমাংসা চেষ্টা ব্যর্থ হয়ে বায়না চুক্তি বিষয়টি সন্দেহজনক হওয়ায় চুক্তির ফটোকপি নিয়ে আমি লালমোহন সাবরেজিষ্টার অফিসে তল্লাশি করলে তা না পাওয়ায়, ভোলা আদালতে ভুয়া বায়না চুক্তির বিরুদ্ধে মামলা করি। আদালতে মামলাটি তদন্ত করে এবং খুলনা ফরেনসিক ল্যাবরেটরিতে আমার বাবার আঙ্গুলের ছাপ বায়না চুক্তিতে আঙ্গুলের ছাপ না মেলায় বায়নাচুক্তিটি ভুয়া বলে প্রমাণিত হয়। এরপর ভুয়া বায়না চুক্তি করার কারণে মো. রুহুল আমিন জেল খাটেন। জেল থেকে তিনি আমাদের জমি আমাদেরকে বুঝিয়ে দিবেন এই অঙ্গীকার করে বের হন। কিন্তু জেল থেকে বের হয়ে তিনি আরো বেপরোয়া হয়ে যান এবং আমাদের জমিতে আমরা গেলে আমাদেরকে খুন জখম করবে। না হয় তিনি তার পরিবারের সদস্যদের জমিতে নিয়ে খুন করে আমাদেরকে ফাঁসাবে বলে হুমকি প্রদান করছেন। আদালতে মামলাটি এখনো চলমান রয়েছে।
ভুয়া বায়নাকারী জুলুমবাজ রুহুল আমিনের জোর জুলুম হতে আমরা বাঁচতে চাই এবং আমাদের জমি আমরা যাতে নিরাপদে ভোগদখল করতে পারি তার জন্য আইনশৃঙ্খলা বাহিনীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের সহযোগিতা কামনা করছি।

এ ব্যাপারে মো. রুহুল আমিনের মুঠোফোনে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তার মোবাইল বন্ধ থাকায় তার বক্তব্য নেয়া সম্ভব হয়নি।