চরফ্যাশনে রিং জালের ফাঁদে হারিয়ে যাচ্ছে দেশী প্রজাতির মাছ
- আপডেট : ০৮:০২:৪০ অপরাহ্ন, বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬ ২২ বার পড়া হয়েছে
সেলিম রানা চরফ্যাশন প্রতিনিধি

দেশে এখন বর্ষাকাল। আর বর্ষাকাল মানেই পানিতে চারদিক থৈ থৈ। খালে-বিলে বর্ষার নতুন পানিতে দেখা মেলে দেশীয় প্রজাতির নানান জাতের মাছ। এ বর্ষাতে ও চরফ্যাশন উপজেলার খালে-বিলে তেমন দেখা মিলছে না দেশীয় প্রজাতির মাছের৷ বিপজ্জনক চায়না তৈরি রিং জাল ও কারেন্ট জালের অবাধ ব্যবহারে খালে বিলে কমে যাচ্ছে এসব দেশীয় প্রজাতির মাছ।
জানা যায়, এ উপজেলার ২১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভার বেশীর ভাগ এলাকাই খাল-বিলের দখলে। বর্ষা হলেই এসব খাল-বিল পানিতে পরিপূর্ণ হয়ে যায়। আর সে সময় বৃষ্টির পানিতে দেশীয় প্রজাতির নানান জাতের মাছ ধরতো মৎস্য শিকারীরা। গত ১০ বছর আগেও এ উপজেলায় মাছ ধরার জন্য দেশীয় ফাঁদ ব্যবহার করা হতো। ছাই,ফলোফা ,ঠেলা জাল,বর্শি ইত্যাদি ফাঁদ দিয়ে মাছ শিকার গেলে এতে মাছের কমে যাওয়া নিয়ে সংশয় ছিলো না। কিন্তু বর্তমানে চায়না তৈরি রিং জাল ও কারেন্ট জাল মাছের বংশ বিস্তার নি:শেষ করে দিচ্ছে।
গত কয়েকদিনে সরেজমিনে কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে, অসাধু শিকারীরা নিজেদের খাওয়া ও বিক্রয়ের জন্য কারেন্ট জাল এবং চায়না তৈরি রিং জাল ব্যবহার করে মাছ শিকার করছেন। এ সময় নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক চায়না রিং জাল ব্যবহার করা এক মৎস্য শিকারী জানান,এ জালে যেকোনো মাছের পাশাপাশি সাপ,ব্যাঙের সহ অন্যান্য জলজ প্রাণী ধরা দেয়। খালে-বিলে নতুন পানি আসলেই তারা এ জাল ব্যবহার করেন বলেও জানান তিনি।
উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা জয়ন্ত কুমার অপু
জানান, এ উপজেলায় গভীর খাল-বিলের সংখ্যা কম। এছাড়া শুকনো মৌসুমে এগুলোতে পানি না থাকা দেশী প্রজাতির মাছ কমে যাওয়ার একটি কারন৷ অভিযানের ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, চায়না তৈরি রিং জাল ও কারেন্ট জালের ব্যাপারে নিয়মিতি অভিযান পরিচালনা করে এগুলো পুড়িয়ে ফেলা হয়।
নিউজটি শেয়ার করুন
















