ঢাকা ০২:৪০ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬, ১২ কার্তিক ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
লালমোহনে ৪ শতাধিক সরকারি গাছ কেটে নিলেন যুবদল নেতা অভিযোগ পেয়েও ইউএনও’র নিরবতা নিয়ে প্রশ্ন বাংলাদেশের হিন্দুরাও এই দেশের নাগরিক, নিজেদেরকে অসহায় ভাবার কোনো কারণ নেই- স্পিকার মেজর হাফিজ লালমোহনে নদীতে মাছ শিকারের দায়ে ৪ জেলের জেল লালমোহনে ‘স্পিকার মেজর হাফিজ ফুটবল টুর্নামেন্ট’র উদ্বোধন দীর্ঘ পরীক্ষাসূচি নিয়ে ক্ষোভ, সেশনজটের শঙ্কায় ডিসিইউর শিক্ষার্থীরা শেখ হাসিনা ও তার সন্ত্রাসী এমপিগুলো দেশে এতো লুটপাট করেছে যা বিশ্বের কোথাও হয়নি- স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ আগামীকাল মঙ্গলবার লালমোহনে শুরু হচ্ছে স্পিকার মেজর হাফিজ ফুটবল টুর্নামেন্ট চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী নিজাম উদ্দিন -আপনাদের ভালোবাসা নিয়ে সকলের হৃদয়ের বেঁচে থাকতে চাই একমাত্র সন্তানের স্ত্রীর অত্যাচারে ঘরে থাকাই কষ্টসাধ্য বৃদ্ধ মা রোকেয়া বেগমের শ্রীনগরে জাল টাকা ছাপানোর সরঞ্জাম ও টাকাসহ গ্রেফতার ১

লালমোহনে ৪ শতাধিক সরকারি গাছ কেটে নিলেন যুবদল নেতা অভিযোগ পেয়েও ইউএনও’র নিরবতা নিয়ে প্রশ্ন

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০১:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬ ১৫ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

স্টাফ রিপোর্টার :
ভোলার লালমোহনে সড়কের দুই পাশ থেকে চার শতাধিক সরকারি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এসব গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। দিনের পর দিন প্রকাশ্যে গাছ কাটা চললেও উপজেলা প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে উপজেলার কর্তারহাট থেকে রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদ বাজার পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ চলছে। এ জন্য সড়কের পাশের কিছু গাছ কাটার প্রয়োজন দেখা দিলে উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়ে কাটার উপযোগী গাছের সংখ্যা ও সম্ভাব্য মূল্য নির্ধারণের নির্দেশনা দেন ইউএনও।

উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, নির্দেশনা অনুযায়ী সরেজমিন পরিদর্শন করে ২৪টি গাছ কাটার প্রয়োজনীয়তা ও সেগুলোর টেন্ডারমূল্য নির্ধারণ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। তবে গাছগুলো বন বিভাগের মালিকানাধীন নয় বলেও জানান তিনি।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে, দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই সড়কের দুই পাশের গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। এ ঘটনায় রায়চাঁদ উদয়চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও রমাগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এবং তাঁর সহযোগী মাসুম বিল্লাহর নাম উঠে এসেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, রেইনট্রি, মেহগনি ও চাম্বুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চার শতাধিক গাছ ইতোমধ্যে কাটা হয়েছে। এসব গাছের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। অভিযোগ রয়েছে, কাটা গাছগুলোর অধিকাংশ রাতের আঁধারে কাভার্ড ভ্যানে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়েছে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছেও বিক্রি করা হয়েছে। কিছু কিছু গাছ স্থানীয় মো. মনিরের স-মিলে রেখে বিক্রয় করা হচ্ছে।

কাটা গাছের চিহ্ন আড়াল করতে অনেক গাছের গোড়া সড়কের চলমান কাজের মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। আবারও কিছু গাছ গোড়াসহ উপড়ে ফেলার অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয় স-মিল মালিক মো. মনিরের বিরুদ্ধেও গাছ কাটা ও বিক্রিতে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রমাগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল নেতা জসিম মাস্টার ও মাসুম বিল্লাহর কথামতো গাছ কাটার লোক ঠিক করে দিয়েছিলেন তিনি। তবে নিজে কোনো গাছ কাটেননি বলে দাবি করেন মনির।
গাছ কাটা শ্রমিক মো. মামুন বলেন, আমি পারিশ্রমিকে গাছ কাটার কাজ করি। জসিম মাস্টারের নির্দেশে কর্তারহাট-রমাগঞ্জ সড়কের পাশ থেকে গাছ কেটেছি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রমাগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. জসিম উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, তাঁর সহযোগী মাসুম বিল্লাহ দাবি করেন, কর্তাহাট-রমাগঞ্জ সড়কের পাশের ৪৮টি গাছ ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় দরপত্র পেয়েছেন এবং সেসব গাছই কেটে নিচ্ছেন তাঁরা।

এদিকে সড়কের পাশের গাছগুলোর মালিকানা নিয়ে জটিলতার কথা জানিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী মো. মাইদুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, গাছগুলোর মালিকানা নিয়ে দ্বিধা রয়েছে এবং এ বিষয়ে বন বিভাগের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সড়কের পাশ থেকে গাছ কাটা হচ্ছে, বিষয়টি তিনি জানেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও অবহিত করেছেন বলে জানান এই কর্মকর্তা।
তবে গাছ কাটার অনুমোদন ও দরপত্রের বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক।
তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী একটি গাছ কাটলে পাঁচটি গাছ রোপণের নির্দেশনা রয়েছে। এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় দরপত্র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে ১০ থেকে ১২ দিন আগে সড়কের পাশ থেকে গাছ কেটে নেওয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনকে বিষয়টি জানানোর পরও যথাসময়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে ইতোমধ্যে অধিকাংশ গাছ কাটা শেষ হয়েছে এবং এখনো প্রকাশ্যে গাছ কাটা চলছে। এতে ইউএনও’র ইন্ধন না থাকলে এভাবে প্রকাশ্যে শতশত গাছ কেটে ফেলা অসম্ভব।
তাঁদের প্রশ্ন, দরপত্র ও অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই যদি গাছ কাটা হয়ে থাকে, তাহলে এর দায় কার? যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো অনুষ্ঠানে গেলে ছোটবড় সকলকে গাছ রোপণে উদ্ধুদ্ধ করেন, সেখানে একজন যুবদল নেতা দিনেদুপুরে শতশত গাছ কেটে সাবার করছেন। তাই এ ঘটনার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

লালমোহনে ৪ শতাধিক সরকারি গাছ কেটে নিলেন যুবদল নেতা অভিযোগ পেয়েও ইউএনও’র নিরবতা নিয়ে প্রশ্ন

আপডেট : ০১:১৪:৩৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২৬

স্টাফ রিপোর্টার :
ভোলার লালমোহনে সড়কের দুই পাশ থেকে চার শতাধিক সরকারি গাছ কেটে ফেলার অভিযোগ উঠেছে। এসব গাছের আনুমানিক বাজারমূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা বলে দাবি করেছেন স্থানীয়রা। দিনের পর দিন প্রকাশ্যে গাছ কাটা চললেও উপজেলা প্রশাসনের কার্যকর পদক্ষেপ না থাকায় স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। এ ঘটনায় লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।

স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের (এলজিইডি) উদ্যোগে উপজেলার কর্তারহাট থেকে রমাগঞ্জ ইউনিয়নের রায়চাঁদ বাজার পর্যন্ত প্রায় পাঁচ কিলোমিটার সড়ক প্রশস্তকরণের কাজ চলছে। এ জন্য সড়কের পাশের কিছু গাছ কাটার প্রয়োজন দেখা দিলে উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তাকে চিঠি দিয়ে কাটার উপযোগী গাছের সংখ্যা ও সম্ভাব্য মূল্য নির্ধারণের নির্দেশনা দেন ইউএনও।

উপজেলা রেঞ্জ কর্মকর্তা আবদুল্লাহ আল মামুন জানান, নির্দেশনা অনুযায়ী সরেজমিন পরিদর্শন করে ২৪টি গাছ কাটার প্রয়োজনীয়তা ও সেগুলোর টেন্ডারমূল্য নির্ধারণ করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কার্যালয়ে চিঠি দেওয়া হয়েছিল। তবে গাছগুলো বন বিভাগের মালিকানাধীন নয় বলেও জানান তিনি।

এদিকে অভিযোগ উঠেছে, দরপত্র প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার আগেই সড়কের দুই পাশের গাছ কেটে ফেলা হচ্ছে। এ ঘটনায় রায়চাঁদ উদয়চন্দ্র মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও রমাগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদলের সভাপতি মো. জসিম উদ্দিন এবং তাঁর সহযোগী মাসুম বিল্লাহর নাম উঠে এসেছে।
স্থানীয় একাধিক সূত্রের দাবি, রেইনট্রি, মেহগনি ও চাম্বুলসহ বিভিন্ন প্রজাতির চার শতাধিক গাছ ইতোমধ্যে কাটা হয়েছে। এসব গাছের আনুমানিক মূল্য প্রায় ৫০ লাখ টাকা। অভিযোগ রয়েছে, কাটা গাছগুলোর অধিকাংশ রাতের আঁধারে কাভার্ড ভ্যানে দেশের বিভিন্ন জেলায় পাঠানো হয়েছে এবং স্থানীয় ব্যবসায়ীদের কাছেও বিক্রি করা হয়েছে। কিছু কিছু গাছ স্থানীয় মো. মনিরের স-মিলে রেখে বিক্রয় করা হচ্ছে।

কাটা গাছের চিহ্ন আড়াল করতে অনেক গাছের গোড়া সড়কের চলমান কাজের মাটি দিয়ে ঢেকে দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেছেন স্থানীয়রা। আবারও কিছু গাছ গোড়াসহ উপড়ে ফেলার অভিযোগও রয়েছে।
স্থানীয় স-মিল মালিক মো. মনিরের বিরুদ্ধেও গাছ কাটা ও বিক্রিতে সহযোগিতার অভিযোগ উঠেছে। এ বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, রমাগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল নেতা জসিম মাস্টার ও মাসুম বিল্লাহর কথামতো গাছ কাটার লোক ঠিক করে দিয়েছিলেন তিনি। তবে নিজে কোনো গাছ কাটেননি বলে দাবি করেন মনির।
গাছ কাটা শ্রমিক মো. মামুন বলেন, আমি পারিশ্রমিকে গাছ কাটার কাজ করি। জসিম মাস্টারের নির্দেশে কর্তারহাট-রমাগঞ্জ সড়কের পাশ থেকে গাছ কেটেছি।
এ বিষয়ে বক্তব্য জানতে রমাগঞ্জ ইউনিয়ন যুবদল নেতা মো. জসিম উদ্দিনের মুঠোফোনে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাঁকে পাওয়া যায়নি। অন্যদিকে, তাঁর সহযোগী মাসুম বিল্লাহ দাবি করেন, কর্তাহাট-রমাগঞ্জ সড়কের পাশের ৪৮টি গাছ ১ লাখ ৮৬ হাজার টাকায় দরপত্র পেয়েছেন এবং সেসব গাছই কেটে নিচ্ছেন তাঁরা।

এদিকে সড়কের পাশের গাছগুলোর মালিকানা নিয়ে জটিলতার কথা জানিয়েছেন উপজেলা প্রকৌশলী মো. মাইদুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, গাছগুলোর মালিকানা নিয়ে দ্বিধা রয়েছে এবং এ বিষয়ে বন বিভাগের সঙ্গে আলোচনা চলছে। সড়কের পাশ থেকে গাছ কাটা হচ্ছে, বিষয়টি তিনি জানেন এবং উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকেও অবহিত করেছেন বলে জানান এই কর্মকর্তা।
তবে গাছ কাটার অনুমোদন ও দরপত্রের বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনিক প্রক্রিয়া এখনো সম্পন্ন হয়নি বলে জানিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক।
তিনি বলেন, নিয়ম অনুযায়ী একটি গাছ কাটলে পাঁচটি গাছ রোপণের নির্দেশনা রয়েছে। এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না হওয়ায় দরপত্র প্রক্রিয়াধীন রয়েছে। তবে ১০ থেকে ১২ দিন আগে সড়কের পাশ থেকে গাছ কেটে নেওয়ার বিষয়ে লিখিত অভিযোগ পেয়েছেন বলে জানান তিনি।

এদিকে স্থানীয়দের অভিযোগ, প্রশাসনকে বিষয়টি জানানোর পরও যথাসময়ে কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ফলে ইতোমধ্যে অধিকাংশ গাছ কাটা শেষ হয়েছে এবং এখনো প্রকাশ্যে গাছ কাটা চলছে। এতে ইউএনও’র ইন্ধন না থাকলে এভাবে প্রকাশ্যে শতশত গাছ কেটে ফেলা অসম্ভব।
তাঁদের প্রশ্ন, দরপত্র ও অনুমোদন প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার আগেই যদি গাছ কাটা হয়ে থাকে, তাহলে এর দায় কার? যেখানে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেকোনো অনুষ্ঠানে গেলে ছোটবড় সকলকে গাছ রোপণে উদ্ধুদ্ধ করেন, সেখানে একজন যুবদল নেতা দিনেদুপুরে শতশত গাছ কেটে সাবার করছেন। তাই এ ঘটনার দ্রুত পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।