ঢাকা ০৫:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমোহনে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাঁতারে প্রথম বাপ্পি ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার লালমোহনে শুদ্ধ বানান ও শুদ্ধ উচ্চারণ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

শ্রীনগরে ব্যাটারীর নকল পানির কারখানার সন্ধান!

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ১০:৩৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২ ৯০ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে বিভিন্ন ব্যাটারীর নকল ও ভেজাল (ডিস্টিল ওয়াটার) পানি উৎপাদনের কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। সদর ইউনিয়নের দেউলভোগ গোন্ডেন সিটির রিক অফিসের বিপরীত পাশে অবস্থিত ছাড়পত্রবিহীনভাবে গড়ে উঠেছে কারখানাটি। এখানে নামিদামি কোম্পানীর ব্রান্ডের সাথে “গ্রেড” শব্দ ব্যবহার করে এসিডের সংমিশ্রনে ব্যাটারীর তৈরীকৃত নকল পানি প্লাষ্টিকের গ্যালনে ভরে বাজারজাত করা হচ্ছে। লাইসেন্সবিহীন কারখানাটি টোটাল প্লাস, ভলভো, টাইগার হাই পাওয়ারসহ বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের নামের আগে ছোট করে “গ্রেড” সংযোগকৃত স্টিকার ব্যবহার করছে। উপজেলার ফৈনপুর এলাকার বাসিন্দা আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। কয়েক বছর ধরে তিনি কারখানায় মানহীন নকল পানি উৎপাদন করে আসেছে। ব্যাটারীর এসব নকল পানি কিনে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের পূর্বপাশে বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন সংলগ্ন নিতাই মন্ডলের ছেলে সঞ্জয়ের জায়গা ভাড়া নিয়ে আবুল কাশেম নামে এক ব্যক্তি গড়ে তুলেন অবৈধভাবে কারখানাটি। প্রতিষ্ঠানের নামে নেই কোন সাইবোর্ড। লক্ষ্য করা যায়, সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামের আগে গ্রেড লেখা ব্যবহার করা স্টিকার লাগানো হচ্ছে কারখানায় তৈরীকৃত পানির গ্যালোনে। মনু মিয়া নামে এক শ্রমিক জানান, ব্যাটারীর পানি বিভিন্ন মার্কেটে পাঠানোর জন্য পিকআপ ভ্যানে উঠাচ্ছি। আমি মাসিক বেতনে কাজ করি। মোট ৪ জন শ্রমিক এখানে কাজ করছি। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মনু মিয়া বলেন, আপনাদের কোন কিছু জানার হলে মালিকের সাথে কথা বলেন।

কারখানার মালিক মো. আবুল কাশেমের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৪ বছর ধরে বিক্রমপুর ট্রেডার্স নামে কারখানাটি গড়ে তুলি। কারখানার লাইসেন্স সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার মাধ্যমে স্থানীয় ভূমি তহশিলদারের কাছে কারখানার ছাড়পত্রের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে। লাইসেন্স বিহীন কারখানায় নামিদামি ব্রান্ডের নাম ব্যবহার করে পণ্য উৎপাদন করা কতটা যুক্তিযুক্ত এমন প্রশ্নে উত্তরে তিনি বলেন, প্রতিটি নামের আগে আমি গ্রেড ব্যবহার করছি।

এ ব্যাপারে শ্রীনগর (সদর) ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার মো. নজরুল ইসলাম জানান, কারখানার মালিক মিথ্যা বলছে। ওই কারখানার বৈধতা দেওয়ার বিষয়ে আমার কাছে কোন প্রকার কাগজপত্র নেই।

শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন সাব-অফিসার শাহে আলম বলেন, কারখানাটির বিষয়টি আমাদের কাছে কোন রেকর্ড নেই। তেজষ্ক্রিয় পদার্থ ব্যবহার করে এমন প্রতিষ্ঠানের ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক।

নিউজটি শেয়ার করুন

2

slot gacor

শ্রীনগরে ব্যাটারীর নকল পানির কারখানার সন্ধান!

আপডেট : ১০:৩৮:১৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অক্টোবর ২০২২

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে বিভিন্ন ব্যাটারীর নকল ও ভেজাল (ডিস্টিল ওয়াটার) পানি উৎপাদনের কারখানার সন্ধান পাওয়া গেছে। সদর ইউনিয়নের দেউলভোগ গোন্ডেন সিটির রিক অফিসের বিপরীত পাশে অবস্থিত ছাড়পত্রবিহীনভাবে গড়ে উঠেছে কারখানাটি। এখানে নামিদামি কোম্পানীর ব্রান্ডের সাথে “গ্রেড” শব্দ ব্যবহার করে এসিডের সংমিশ্রনে ব্যাটারীর তৈরীকৃত নকল পানি প্লাষ্টিকের গ্যালনে ভরে বাজারজাত করা হচ্ছে। লাইসেন্সবিহীন কারখানাটি টোটাল প্লাস, ভলভো, টাইগার হাই পাওয়ারসহ বিভিন্ন নামিদামি ব্র্যান্ডের নামের আগে ছোট করে “গ্রেড” সংযোগকৃত স্টিকার ব্যবহার করছে। উপজেলার ফৈনপুর এলাকার বাসিন্দা আবুল কাশেমের বিরুদ্ধে এই অভিযোগ উঠেছে। কয়েক বছর ধরে তিনি কারখানায় মানহীন নকল পানি উৎপাদন করে আসেছে। ব্যাটারীর এসব নকল পানি কিনে প্রতারণার শিকার হচ্ছেন বলে অভিযোগ ক্রেতাদের।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, উপজেলা পরিষদের পূর্বপাশে বিদ্যুৎ সাব-স্টেশন সংলগ্ন নিতাই মন্ডলের ছেলে সঞ্জয়ের জায়গা ভাড়া নিয়ে আবুল কাশেম নামে এক ব্যক্তি গড়ে তুলেন অবৈধভাবে কারখানাটি। প্রতিষ্ঠানের নামে নেই কোন সাইবোর্ড। লক্ষ্য করা যায়, সালফিউরিক এসিড ব্যবহার করে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের নামের আগে গ্রেড লেখা ব্যবহার করা স্টিকার লাগানো হচ্ছে কারখানায় তৈরীকৃত পানির গ্যালোনে। মনু মিয়া নামে এক শ্রমিক জানান, ব্যাটারীর পানি বিভিন্ন মার্কেটে পাঠানোর জন্য পিকআপ ভ্যানে উঠাচ্ছি। আমি মাসিক বেতনে কাজ করি। মোট ৪ জন শ্রমিক এখানে কাজ করছি। সাংবাদিক পরিচয় পেয়ে মনু মিয়া বলেন, আপনাদের কোন কিছু জানার হলে মালিকের সাথে কথা বলেন।

কারখানার মালিক মো. আবুল কাশেমের কাছে এ ব্যাপারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ৪ বছর ধরে বিক্রমপুর ট্রেডার্স নামে কারখানাটি গড়ে তুলি। কারখানার লাইসেন্স সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, উপজেলা ভূমি কর্মকর্তার মাধ্যমে স্থানীয় ভূমি তহশিলদারের কাছে কারখানার ছাড়পত্রের প্রয়োজনীয় কাগজপত্র আছে। লাইসেন্স বিহীন কারখানায় নামিদামি ব্রান্ডের নাম ব্যবহার করে পণ্য উৎপাদন করা কতটা যুক্তিযুক্ত এমন প্রশ্নে উত্তরে তিনি বলেন, প্রতিটি নামের আগে আমি গ্রেড ব্যবহার করছি।

এ ব্যাপারে শ্রীনগর (সদর) ইউনিয়ন ভূমি অফিসের তহশিলদার মো. নজরুল ইসলাম জানান, কারখানার মালিক মিথ্যা বলছে। ওই কারখানার বৈধতা দেওয়ার বিষয়ে আমার কাছে কোন প্রকার কাগজপত্র নেই।

শ্রীনগর ফায়ার সার্ভিস স্টেশন সাব-অফিসার শাহে আলম বলেন, কারখানাটির বিষয়টি আমাদের কাছে কোন রেকর্ড নেই। তেজষ্ক্রিয় পদার্থ ব্যবহার করে এমন প্রতিষ্ঠানের ফায়ার সার্ভিসের ছাড়পত্র নেওয়া বাধ্যতামূলক।