ঢাকা ০২:০০ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৫ মে ২০২৬, ১০ জ্যৈষ্ঠ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল! ষোলঘর ইউনিয়ন পরিষদের উন্মুক্ত বাজেট সভা শ্রীনগরে ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স সপ্তাহ  উপলক্ষে র‌্যালি লালমোহনে দুদক এর উদ্যোগে বিতর্ক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত ইউরোপীয়ান বাংলা জার্নালিস্ট এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠিত, মাহবুবুর রহমান সভাপতি- জহিরুল ইসলাম সাঃ সম্পাদক লালমোহনে বদরপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করলো সোহরাওয়ার্দী কলেজ হিসাববিজ্ঞান অ্যাসোসিয়েশন লালমোহনে মেডিকেল রিপ্রেজেন্টেটিভদের মানববন্ধন সংবাদ সম্মেলনে লালমোহনে ভূমিহীনদের জমি জোরপূর্বক দখলের চেষ্টার অভিযোগ লালমোহনে জমি বিরোধের জের ধরে প্রধান শিক্ষককে কুপিয়ে আহত

এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল!

নাজমুল খান সুজন
  • আপডেট : ০২:৫৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬ ৪০ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল হোসেন। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অভিযোগ যেন শেষ নেই। একের পর এক অনিয়ম করেই যাচ্ছেন তিনি। অনিয়ম যেন তার কাছে একধরনের নিয়মে পরিনত হয়েছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। তখন আবুল হোসেন তার বক্তব্যে বলেছিলেন আমি ভালো হয়ে গেছি। কিন্তু এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল হোসেন।
কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজারের কালমা ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি পুকুরের মাছ ধরে বিক্রি করে দিয়েছেন আবুল হোসেন ও তার স্ত্রী কালমা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্যাকমো জাকিয়া সুলতানা। এই ঘটনায় তদন্তে আবুল হোসেন ও তার স্ত্রীর বিরোদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হয়েছে। তবে এখনো এই ঘটনায় কার্য়করী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

 

মারামারির রোগী তানহাকে মামলা করার জন্য হাসপাতাল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরী করে দিবে বলে ২ হাজার টাকা নিয়েছেন তিনি। হাসপাতালে হাতের অঙ্গুল ভাংগা মো. জিদান নামের রোগীর প্লাষ্টার করার পর তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা দাবী করার পর ঝগড়া করে ৮শ টাকা জোর করে নিয়ে নেন আবুল হোসেন। সেকমো হয়ে তিনি কর্তব্যরত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ না করে রোগী ভর্তি ও চেকআপ করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

৫ আগস্টের পর লালমোহন হাসপাতালে আবুল হোসেন সেবার নামে রোগীদের কাছ থেকে চাঁদাবজীর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর প্রথমে বরখাস্ত হয়, পরে তাকে লালমোহন থেকে বদলী করা হয়। এর কিছুদিন পর তিনি সবাইকে ম্যানেজ করে আবার লালমোহন হাসপাতালে চলে আসেন। এসেই তিনি পূর্বের চেয়েও কৌশুলী হয়ে লালমোহন হাসপাতলে অনিয়য়কে সৌন্দর্য্যরে শিল্পে দাড় করিয়েছেন। এখন প্রতিদিনই তার বিরুদ্ধে রোগীরা কোন না কোন অভিযোগ করেই যাচ্ছেন।

 

অভিযোগের ব্যাপারে সেকমো আবুল হোসেনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, আমাকে রোগীরা খুশি হয়ে যা দেয় তা আমি গ্রহণ করি। কারো সাথে কোন বার্গেডিং করে টাকা পয়সা নেইনা। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়।

 

সেকমো আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের বিষয়ে লালমোহন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত টিএইচ ডাঃ মোহসীন জানান, সেকমো আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল!

আপডেট : ০২:৫৬:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৪ মে ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল হোসেন। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম ও অভিযোগ যেন শেষ নেই। একের পর এক অনিয়ম করেই যাচ্ছেন তিনি। অনিয়ম যেন তার কাছে একধরনের নিয়মে পরিনত হয়েছে। এর আগে তার বিরুদ্ধে একাধিক পত্রিকায় সংবাদ প্রকাশিত হয়। তখন আবুল হোসেন তার বক্তব্যে বলেছিলেন আমি ভালো হয়ে গেছি। কিন্তু এখনো ভালো হয়নি লালমোহন হাসপাতালের সেকমো আবুল হোসেন।
কালমা ইউনিয়নের ডাওরী বাজারের কালমা ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের সরকারি পুকুরের মাছ ধরে বিক্রি করে দিয়েছেন আবুল হোসেন ও তার স্ত্রী কালমা উপস্বাস্থ্য কেন্দ্রের স্যাকমো জাকিয়া সুলতানা। এই ঘটনায় তদন্তে আবুল হোসেন ও তার স্ত্রীর বিরোদ্ধে অভিযোগের সত্যতা প্রমানিত হয়েছে। তবে এখনো এই ঘটনায় কার্য়করী পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি।

 

মারামারির রোগী তানহাকে মামলা করার জন্য হাসপাতাল প্রয়োজনীয় কাগজপত্র তৈরী করে দিবে বলে ২ হাজার টাকা নিয়েছেন তিনি। হাসপাতালে হাতের অঙ্গুল ভাংগা মো. জিদান নামের রোগীর প্লাষ্টার করার পর তার কাছ থেকে ১ হাজার টাকা দাবী করার পর ঝগড়া করে ৮শ টাকা জোর করে নিয়ে নেন আবুল হোসেন। সেকমো হয়ে তিনি কর্তব্যরত ডাক্তারের সাথে যোগাযোগ না করে রোগী ভর্তি ও চেকআপ করার একাধিক অভিযোগ রয়েছে তার বিরুদ্ধে।

 

৫ আগস্টের পর লালমোহন হাসপাতালে আবুল হোসেন সেবার নামে রোগীদের কাছ থেকে চাঁদাবজীর অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর প্রথমে বরখাস্ত হয়, পরে তাকে লালমোহন থেকে বদলী করা হয়। এর কিছুদিন পর তিনি সবাইকে ম্যানেজ করে আবার লালমোহন হাসপাতালে চলে আসেন। এসেই তিনি পূর্বের চেয়েও কৌশুলী হয়ে লালমোহন হাসপাতলে অনিয়য়কে সৌন্দর্য্যরে শিল্পে দাড় করিয়েছেন। এখন প্রতিদিনই তার বিরুদ্ধে রোগীরা কোন না কোন অভিযোগ করেই যাচ্ছেন।

 

অভিযোগের ব্যাপারে সেকমো আবুল হোসেনকে জিজ্ঞাসা করলে তিনি জানান, আমাকে রোগীরা খুশি হয়ে যা দেয় তা আমি গ্রহণ করি। কারো সাথে কোন বার্গেডিং করে টাকা পয়সা নেইনা। আমার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সঠিক নয়।

 

সেকমো আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগের বিষয়ে লালমোহন হাসপাতালের ভারপ্রাপ্ত টিএইচ ডাঃ মোহসীন জানান, সেকমো আবুল হোসেনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। এ ব্যাপারে তদন্ত কমিটি গঠন প্রক্রিয়াধীন। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।