ঢাকা ০২:৫৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ জুলাই ২০২৬, ১৩ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
শ্রীনগরে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন এমপি আব্দুল্লাহ লালমোহনে ফ্যামিলি কার্ড খানা তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম বিষয়ক অবহিতকরণ সভা ফরাজগঞ্জ ইউনিয়ন বিএনপির নেতা মিলন হাওলাদারের ব্যক্তিগত অর্থায়নে রাস্তা মেরামত ব্যারিস্টার হলেন লালমোহনের কৃতি সন্তান মনিরুল ইসলাম লালমোহনে বাস চাপায় শিশু নিহত ক্যান্সার আক্রান্ত শিক্ষকের পাশে লালমোহন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষক সমিতি লালমোহন যুব রেড ক্রিসেন্টের ২০২৬–২০২৮ মেয়াদের নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হওয়ায় লালমোহনে আনন্দ মিছিল লালমোহনে বৃষ্টি উপেক্ষা করে হাজারো ভক্তের উল্টো রথযাত্রা হাঁস চুরির দায়ে আটক যুবককে নামাজ পড়িয়ে মুক্তি!

আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে লালমোহনে চাঁদা তোলার বৈধতা দিলেন পৌর প্রশাসক

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৮:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬ ৮০ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
হাইকোর্টের স্পষ্ট নির্দেশনা ও স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিপত্র থাকা সত্ত্বেও ভোলার লালমোহন পৌরসভার আওতাধীন সড়কে টোল আদায়ের জন্য ইজারা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অথচ লালমোহন পৌরসভাটির নিজস্ব কোনো স্ট্যান্ড/টার্মিনাল নেই। ফলে টোল আদায়ের বৈধতা নিয়ে দেখা দিয়েছে গুরুতর প্রশ্ন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের পৌর-১ শাখা ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জারি করা এক পরিপত্রে হাইকোর্ট বিভাগে দায়েরকৃত রিট পিটিশন নং-৪৬৪০/২০২২-এর ২১ এপ্রিল ২০২২ তারিখের আদেশের আলোকে দেশের সব পৌরসভাকে টার্মিনাল ব্যতীত কোনো সড়ক বা মহাসড়ক থেকে টোল আদায় না করার নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে পৌরসভা বিধিমালার ৯৮ ধারার ৭ নম্বর উপধারায় পৌর কর্তৃপক্ষ নির্মিত টার্মিনাল ছাড়া পার্কিং ফি বা টোল আদায়ের সুযোগ নেই বলে উল্লেখ রয়েছে।

 

সরেজমিনে লালমোহন হাসপাতালের সামনে তেরছি পোলের পাশে লালমোহন-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন থেকে টাকা/টোল আদায়ের দৃশ্য দেখা গেছে। আদায়কারীদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, পৌরসভার কাছ থেকে বৈধ ইজারা নিয়ে তারা টাকা আদায় করছেন।

তাদের ভাষ্য, আমরা পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি দেখে আবেদন করে দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা নিয়েছি। পৌরসভা আমাদেরকে ইজারা দিয়েছে বলেই টাকা আদায় করছি। যদি কোনো আইনগত জটিলতা থাকে, তাহলে তার জবাব পৌর কর্তৃপক্ষই দিতে পারবে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হওয়া সত্ত্বেও লালমোহন পৌরসভার নিজস্ব কোনো স্ট্যার্ড/টার্মিনাল নেই। অথচ ইজারার শর্তে যানবাহন থেকে ফি আদায়ের সুযোগ রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, টার্মিনাল না থাকলে কোন আইন বা বিধানের আওতায় মহাসড়কসংলগ্ন স্থান ইজারা দেওয়া হলো? আদালতের নির্দেশনা কার্যকর থাকা অবস্থায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পৌর প্রশাসন কোথা থেকে পেল?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আমার জানা নেই। এছাড়া দরপত্র আহবানসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম আমার পূর্ববর্তী প্রশাসকের সময়ে সম্পন্ন হয়েছে। আমার জানামতে, কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে বিষয়টি করা হয়েছে।

তবে পৌরসভার কোনো টার্মিনাল না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে স্ট্যান্ড/টার্মিনালের নামে বা মহাসড়কে টোল আদায়ের ইজারা দেওয়া হয়েছে—এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর তিনি দেননি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

আদালতের নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে লালমোহনে চাঁদা তোলার বৈধতা দিলেন পৌর প্রশাসক

আপডেট : ০৮:৪২:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ৮ জুন ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
হাইকোর্টের স্পষ্ট নির্দেশনা ও স্থানীয় সরকার বিভাগের পরিপত্র থাকা সত্ত্বেও ভোলার লালমোহন পৌরসভার আওতাধীন সড়কে টোল আদায়ের জন্য ইজারা দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। অথচ লালমোহন পৌরসভাটির নিজস্ব কোনো স্ট্যান্ড/টার্মিনাল নেই। ফলে টোল আদায়ের বৈধতা নিয়ে দেখা দিয়েছে গুরুতর প্রশ্ন।
স্থানীয় সরকার বিভাগের পৌর-১ শাখা ২০২২ সালের ২৫ সেপ্টেম্বর জারি করা এক পরিপত্রে হাইকোর্ট বিভাগে দায়েরকৃত রিট পিটিশন নং-৪৬৪০/২০২২-এর ২১ এপ্রিল ২০২২ তারিখের আদেশের আলোকে দেশের সব পৌরসভাকে টার্মিনাল ব্যতীত কোনো সড়ক বা মহাসড়ক থেকে টোল আদায় না করার নির্দেশ দেয়। একইসঙ্গে পৌরসভা বিধিমালার ৯৮ ধারার ৭ নম্বর উপধারায় পৌর কর্তৃপক্ষ নির্মিত টার্মিনাল ছাড়া পার্কিং ফি বা টোল আদায়ের সুযোগ নেই বলে উল্লেখ রয়েছে।

 

সরেজমিনে লালমোহন হাসপাতালের সামনে তেরছি পোলের পাশে লালমোহন-চরফ্যাশন আঞ্চলিক মহাসড়কে ট্রাক ও অন্যান্য যানবাহন থেকে টাকা/টোল আদায়ের দৃশ্য দেখা গেছে। আদায়কারীদের কাছে এ বিষয়ে জানতে চাইলে তারা জানান, পৌরসভার কাছ থেকে বৈধ ইজারা নিয়ে তারা টাকা আদায় করছেন।

তাদের ভাষ্য, আমরা পত্রিকার বিজ্ঞপ্তি দেখে আবেদন করে দরপত্রের মাধ্যমে ইজারা নিয়েছি। পৌরসভা আমাদেরকে ইজারা দিয়েছে বলেই টাকা আদায় করছি। যদি কোনো আইনগত জটিলতা থাকে, তাহলে তার জবাব পৌর কর্তৃপক্ষই দিতে পারবে।

অনুসন্ধানে জানা গেছে, প্রথম শ্রেণির পৌরসভা হওয়া সত্ত্বেও লালমোহন পৌরসভার নিজস্ব কোনো স্ট্যার্ড/টার্মিনাল নেই। অথচ ইজারার শর্তে যানবাহন থেকে ফি আদায়ের সুযোগ রাখা হয়েছে।

স্থানীয় সচেতন মহলের প্রশ্ন, টার্মিনাল না থাকলে কোন আইন বা বিধানের আওতায় মহাসড়কসংলগ্ন স্থান ইজারা দেওয়া হলো? আদালতের নির্দেশনা কার্যকর থাকা অবস্থায় এমন সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা পৌর প্রশাসন কোথা থেকে পেল?
এ বিষয়ে জানতে চাইলে লালমোহন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ও পৌর প্রশাসক মোহাম্মদ সিফাত বিন সাদেক বলেন, আদালতের নিষেধাজ্ঞার বিষয়টি আমার জানা নেই। এছাড়া দরপত্র আহবানসহ সংশ্লিষ্ট কার্যক্রম আমার পূর্ববর্তী প্রশাসকের সময়ে সম্পন্ন হয়েছে। আমার জানামতে, কমিটির অনুমোদনের মাধ্যমে বিষয়টি করা হয়েছে।

তবে পৌরসভার কোনো টার্মিনাল না থাকা সত্ত্বেও কীভাবে স্ট্যান্ড/টার্মিনালের নামে বা মহাসড়কে টোল আদায়ের ইজারা দেওয়া হয়েছে—এ প্রশ্নের সরাসরি উত্তর তিনি দেননি।