ঢাকা ০৩:২৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১০ অগাস্ট ২০২৬, ২৬ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মরণে আলোচনা সভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মরণে আলোচনা সভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল লালমোহন সৃষ্টি মডেল একাডেমি পরিদর্শন করলেন শাহারুখ হাফিজ ডিকো লালমোহনে ৩ দিনব্যাপী বৃক্ষমেলার উদ্বোধন কোস্ট গার্ডের অভিযানে লালমোহনে ৪৮ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক ২৯ বছর ধরে নেই কমিটি, অব্যবস্থাপনায় ধুঁকছে দক্ষিণ আইচা বাজার লালমোহনে ফেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের উদ্বোধন লালমোহনে জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা লালমোহনে অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি, ডিলারকে অর্থদন্ড লালমোহন পৌরসভা বিএনপির সভাপতি জান্টু মিয়া উন্নত চিকিৎসার জন্য চীনে গেলেন

আসামে ছেলেদের সাহসী প্রতিবাদে বাবাকে ভারতীয় ঘোষণা! ১০ দিন পর দুলাল পালের মৃতদেহ সৎকার।

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০২:৪৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯ ৮৮ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

অবশেষে পরিবারের জেদে ঘোষিত বাংলাদেশী তকমাপ্রাপ্ত মৃত বৃদ্ধ দুলাল পালকে ভারতীয় ঘোষণা করতে বাধ্য হলো সরকার। তারপরেই পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হল তার দেহ। টানা দশদিন পর মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করলো পরিবার।

উল্লেখ করা যেতে পারে, গত দশদিন আগেই ডিটেনশন ক্যাম্পের ভিতরে মারা যান দুলাল চন্দ্র পাল। হাসপাতালে ভর্তির সময় তাকে বাংলাদেশের ঢাকার বাসিন্দা হিসাবে দেখানো হয়। কিন্তু তার মৃত্যুর পরেই শুরু হয় জল্পনা। পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হলেও বাবাকে যেহেতু বাংলাদেশি তকমা দেওয়া হয়েছে তাই কোনোরকমেই তার দেহ নিতে অস্বীকার করে পরিবার। টানা দশদিন ধরে হাসপাতালের মর্গেই পরে থাকে দেহ। উত্তাল হয়ে উঠে অসম। ছাত্র থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহল সকলেই অসম সরকারের এনআরসির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। অবশেষে নরম হতে বাধ্য হয় সরকার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। লিখিত ভাবে অসমের সোনিতপুর জেলার ঢেকিয়াজুলির অলিসিঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা দেখানোর পরেই দেহ নিয়ে তার সৎকার করে পরিবার। সূত্র:টিডিএন বাংলা ডেস্ক:

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

আসামে ছেলেদের সাহসী প্রতিবাদে বাবাকে ভারতীয় ঘোষণা! ১০ দিন পর দুলাল পালের মৃতদেহ সৎকার।

আপডেট : ০২:৪৭:৩৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৩ অক্টোবর ২০১৯

অবশেষে পরিবারের জেদে ঘোষিত বাংলাদেশী তকমাপ্রাপ্ত মৃত বৃদ্ধ দুলাল পালকে ভারতীয় ঘোষণা করতে বাধ্য হলো সরকার। তারপরেই পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হল তার দেহ। টানা দশদিন পর মৃতদেহ সৎকারের ব্যবস্থা করলো পরিবার।

উল্লেখ করা যেতে পারে, গত দশদিন আগেই ডিটেনশন ক্যাম্পের ভিতরে মারা যান দুলাল চন্দ্র পাল। হাসপাতালে ভর্তির সময় তাকে বাংলাদেশের ঢাকার বাসিন্দা হিসাবে দেখানো হয়। কিন্তু তার মৃত্যুর পরেই শুরু হয় জল্পনা। পরিবারের হাতে দেহ তুলে দেওয়ার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে চেষ্টা করা হলেও বাবাকে যেহেতু বাংলাদেশি তকমা দেওয়া হয়েছে তাই কোনোরকমেই তার দেহ নিতে অস্বীকার করে পরিবার। টানা দশদিন ধরে হাসপাতালের মর্গেই পরে থাকে দেহ। উত্তাল হয়ে উঠে অসম। ছাত্র থেকে শুরু করে রাজনৈতিক মহল সকলেই অসম সরকারের এনআরসির বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভ উগরে দেন। অবশেষে নরম হতে বাধ্য হয় সরকার ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। লিখিত ভাবে অসমের সোনিতপুর জেলার ঢেকিয়াজুলির অলিসিঙ্গা গ্রামের বাসিন্দা দেখানোর পরেই দেহ নিয়ে তার সৎকার করে পরিবার। সূত্র:টিডিএন বাংলা ডেস্ক: