ঢাকা ০৯:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৬, ৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
স্কুল থেকে বাড়ি যাওয়ার পথে টমটমের চাপায় ৭ বছরের শিশুর মৃত্যু। স্কুল ফাঁকি দিয়ে প্রতিপক্ষের সঙ্গে বিরোধে জড়ালেন প্রধান শিক্ষক চারঘাটে VWB কর্মসূচির উপকারভোগীদের দক্ষতা উন্নয়নে প্রশিক্ষক প্রশিক্ষণ (TOT) অনুষ্ঠিত লালমোহনে হার্টের রোগে আক্রান্ত শিশু শাকিবকে বাঁচাতে বাবা মায়ের আকুতি পুলিশের নিষেধের পর ও কাজ/ দক্ষিণ আইচা বিরোধীয় জমিতে রাতের আঁধারে ঘর নির্মাণ লালমোহনে ৪০০ পিস ইয়াবাসহ মাদক কারবারি আটক লালমোহনে পদ্মা ডায়াগনস্টিক সেন্টার এন্ড ডক্টরস চেম্বারের উদ্বোধন লালমোহনে এসএসসির ফলাফলে শীর্ষে হা-মীম ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মরণে আলোচনা সভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল ব্যারিস্টার জমির উদ্দিন সরকারের স্মরণে আলোচনা সভা, কোরআন খতম ও দোয়া মাহফিল

ইন্দোনেশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করলেন লালমোহনের সন্তান ফাহিম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৭:৫১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ৯৪ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থী মাহবুবুর রহমান ফাহিম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ইন্দোনেশিয়ার স্টেট ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব জেম্বেরে সম্পূর্ণ বৃত্তির আওতায় (ফুল ফান্ডেড) উচ্চশিক্ষার সুযোগ লাভ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো আনুষ্ঠানিক ভর্তি অনুমোদনপত্রের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
চরভূতা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রুহুল আমিন হাজী বাড়ির সন্তান ফাহিমের শিক্ষাজীবন শুরু হয় লালমোহন মডেল মাদ্রাসায়। ২০১৭ সালে সেখান থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর তিনি টঙ্গীর তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় ভর্তি হন। ২০২৩ সালের দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৮৮ অর্জনের পর ২০২৫ সালে ঢাকার তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫.০০ পেয়ে নিজের মেধার প্রমাণ দেন।

 

ফাহিমের বাবা মো. ওমর ফারুক করিমগঞ্জ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক এবং মা জান্নাতুল ফেরদাউস একজন গৃহিণী। তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। ছোটবেলা থেকেই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন দেখতেন তিনি। সেই স্বপ্নই এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে।
নিজের অনুভূতি জানিয়ে ফাহিম বলেন, “মহান আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ, মা-বাবার দোয়া এবং শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া এই অর্জন সম্ভব হতো না। বিদেশে পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেকে আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে চাই। ভবিষ্যতে অর্জিত জ্ঞান দেশের শিক্ষা ও সমাজের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারলে সেটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় সাফল্য।”

 

ফাহিমের এই অর্জনের খবরে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, উচ্চশিক্ষা শেষে তিনি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরে জাতি ও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

ইন্দোনেশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করলেন লালমোহনের সন্তান ফাহিম

আপডেট : ০৭:৫১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থী মাহবুবুর রহমান ফাহিম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ইন্দোনেশিয়ার স্টেট ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব জেম্বেরে সম্পূর্ণ বৃত্তির আওতায় (ফুল ফান্ডেড) উচ্চশিক্ষার সুযোগ লাভ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো আনুষ্ঠানিক ভর্তি অনুমোদনপত্রের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
চরভূতা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রুহুল আমিন হাজী বাড়ির সন্তান ফাহিমের শিক্ষাজীবন শুরু হয় লালমোহন মডেল মাদ্রাসায়। ২০১৭ সালে সেখান থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর তিনি টঙ্গীর তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় ভর্তি হন। ২০২৩ সালের দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৮৮ অর্জনের পর ২০২৫ সালে ঢাকার তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫.০০ পেয়ে নিজের মেধার প্রমাণ দেন।

 

ফাহিমের বাবা মো. ওমর ফারুক করিমগঞ্জ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক এবং মা জান্নাতুল ফেরদাউস একজন গৃহিণী। তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। ছোটবেলা থেকেই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন দেখতেন তিনি। সেই স্বপ্নই এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে।
নিজের অনুভূতি জানিয়ে ফাহিম বলেন, “মহান আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ, মা-বাবার দোয়া এবং শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া এই অর্জন সম্ভব হতো না। বিদেশে পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেকে আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে চাই। ভবিষ্যতে অর্জিত জ্ঞান দেশের শিক্ষা ও সমাজের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারলে সেটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় সাফল্য।”

 

ফাহিমের এই অর্জনের খবরে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, উচ্চশিক্ষা শেষে তিনি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরে জাতি ও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।