ঢাকা ০৫:১৯ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমোহনে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাঁতারে প্রথম বাপ্পি ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার লালমোহনে শুদ্ধ বানান ও শুদ্ধ উচ্চারণ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

ইন্দোনেশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করলেন লালমোহনের সন্তান ফাহিম

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৭:৫১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬ ১৪৮ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থী মাহবুবুর রহমান ফাহিম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ইন্দোনেশিয়ার স্টেট ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব জেম্বেরে সম্পূর্ণ বৃত্তির আওতায় (ফুল ফান্ডেড) উচ্চশিক্ষার সুযোগ লাভ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো আনুষ্ঠানিক ভর্তি অনুমোদনপত্রের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
চরভূতা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রুহুল আমিন হাজী বাড়ির সন্তান ফাহিমের শিক্ষাজীবন শুরু হয় লালমোহন মডেল মাদ্রাসায়। ২০১৭ সালে সেখান থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর তিনি টঙ্গীর তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় ভর্তি হন। ২০২৩ সালের দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৮৮ অর্জনের পর ২০২৫ সালে ঢাকার তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫.০০ পেয়ে নিজের মেধার প্রমাণ দেন।

 

ফাহিমের বাবা মো. ওমর ফারুক করিমগঞ্জ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক এবং মা জান্নাতুল ফেরদাউস একজন গৃহিণী। তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। ছোটবেলা থেকেই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন দেখতেন তিনি। সেই স্বপ্নই এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে।
নিজের অনুভূতি জানিয়ে ফাহিম বলেন, “মহান আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ, মা-বাবার দোয়া এবং শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া এই অর্জন সম্ভব হতো না। বিদেশে পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেকে আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে চাই। ভবিষ্যতে অর্জিত জ্ঞান দেশের শিক্ষা ও সমাজের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারলে সেটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় সাফল্য।”

 

ফাহিমের এই অর্জনের খবরে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, উচ্চশিক্ষা শেষে তিনি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরে জাতি ও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

ইন্দোনেশিয়ার বিশ্ববিদ্যালয়ে ফুল ফান্ডেড স্কলারশিপ অর্জন করলেন লালমোহনের সন্তান ফাহিম

আপডেট : ০৭:৫১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২ অগাস্ট ২০২৬

জেলা প্রতিনিধি (ভোলা):
ভোলার লালমোহন উপজেলার মেধাবী শিক্ষার্থী মাহবুবুর রহমান ফাহিম আন্তর্জাতিক অঙ্গনে নতুন সাফল্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। তিনি ইন্দোনেশিয়ার স্টেট ইসলামিক ইউনিভার্সিটি অব জেম্বেরে সম্পূর্ণ বৃত্তির আওতায় (ফুল ফান্ডেড) উচ্চশিক্ষার সুযোগ লাভ করেছেন। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাঠানো আনুষ্ঠানিক ভর্তি অনুমোদনপত্রের মাধ্যমে বিষয়টি নিশ্চিত হয়েছে।
চরভূতা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের রুহুল আমিন হাজী বাড়ির সন্তান ফাহিমের শিক্ষাজীবন শুরু হয় লালমোহন মডেল মাদ্রাসায়। ২০১৭ সালে সেখান থেকে প্রাথমিক শিক্ষা শেষ করার পর তিনি টঙ্গীর তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসায় ভর্তি হন। ২০২৩ সালের দাখিল পরীক্ষায় জিপিএ-৪.৮৮ অর্জনের পর ২০২৫ সালে ঢাকার তা’মীরুল মিল্লাত কামিল মাদ্রাসা থেকে আলিম পরীক্ষায় জিপিএ-৫.০০ পেয়ে নিজের মেধার প্রমাণ দেন।

 

ফাহিমের বাবা মো. ওমর ফারুক করিমগঞ্জ ইসলামিয়া আলিম মাদ্রাসার শিক্ষক এবং মা জান্নাতুল ফেরদাউস একজন গৃহিণী। তিন ভাইবোনের মধ্যে তিনি দ্বিতীয়। ছোটবেলা থেকেই দেশের গণ্ডি পেরিয়ে আন্তর্জাতিক মানের উচ্চশিক্ষা অর্জনের স্বপ্ন দেখতেন তিনি। সেই স্বপ্নই এবার বাস্তবে রূপ নিতে যাচ্ছে।
নিজের অনুভূতি জানিয়ে ফাহিম বলেন, “মহান আল্লাহর অশেষ অনুগ্রহ, মা-বাবার দোয়া এবং শিক্ষকদের আন্তরিক সহযোগিতা ছাড়া এই অর্জন সম্ভব হতো না। বিদেশে পড়াশোনার মাধ্যমে নিজেকে আরও দক্ষ করে গড়ে তুলতে চাই। ভবিষ্যতে অর্জিত জ্ঞান দেশের শিক্ষা ও সমাজের উন্নয়নে কাজে লাগাতে পারলে সেটাই হবে আমার সবচেয়ে বড় সাফল্য।”

 

ফাহিমের এই অর্জনের খবরে পরিবার, শিক্ষক, সহপাঠী ও এলাকাবাসীর মধ্যে আনন্দের আবহ তৈরি হয়েছে। তাদের প্রত্যাশা, উচ্চশিক্ষা শেষে তিনি আন্তর্জাতিক অভিজ্ঞতা নিয়ে দেশে ফিরে জাতি ও সমাজের কল্যাণে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখবেন।