ঢাকা ১১:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬, ৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
সাংবাদিক বাচ্চুর উপর হামলাকারি কে গ্রেফতারের জন্য ২৪ ঘন্টার আল্টিমেটাম সাংবাদিক নেতাদের বিদ্যুৎস্পৃষ্টে ডান হাত হারিয়ে বাঁ হাতে পরীক্ষা দিচ্ছে মাদ্রাসা ছাত্র রেজভী দক্ষিণ আইচায় সিসি ক্যামেরার নিয়ন্ত্রণে এসএসসি ও দাখিল পরীক্ষা অনুষ্ঠিত চরফ্যাশনে নবাগত ইউএনওর সঙ্গে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত লালমোহনে হাম-রুবেলা টিকাদান ক্যাম্পেইনের উদ্বোধন ! চলবে ৯ মে পর্যন্ত লালমোহনে গরু ছাগল ও হাঁসমুরগীর বাজার, ব্যক্তিগত এবং মসজিদের দখলীয় জায়গা গোপনে চান্দিনা ভিটির নামে ডিসিআর প্রদানের অভিযোগ শ্রীনগরে বন্ধু মহলের ঈদ পুনর্মিলনী ডাঃ আজাহার উদ্দিন মাঃ বিদ্যালয়ের পরীক্ষার্থীদের বিদায় ও শিক্ষকদের ডিজিটাল হাজিরার উদ্বোধন গাজীপুরে সাংবাদিক মোসলেহ উদ্দিন বাচ্চু’র উপর সন্ত্রাসী হামলা লালমোহনে এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিদায় সংবর্ধনা

৫,৩০০ কোটি ব্যারেল তেলসমৃদ্ধ খনি আবিষ্কার করল ইরান

দীপ্ত বার্তা ডেস্ক
  • আপডেট : ০৮:৫২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯ ৪৪ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

৫,৩০০ কোটি ব্যারেল তেলসমৃদ্ধ একটি খনি আবিষ্কারের দাবি করেছে ইরান। রোববার নতুন তেলক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি।

খনিটিতে পাঁচ হাজার ৩০০ কোটি ব্যারেল তেল রয়েছে বলে জানান তিনি। কিন্তু একদিন পরই দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী তেলের পরিমাণের নতুন হিসেব তুলে ধরেন।

সোমবার তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানি জ্বালানিমন্ত্রী বাইজান নামদার জাঙ্গানেহ জানান, খনিটিতে ২২২০ কোটি ব্যারেল তেলের মজুদ রয়েছে।

তবে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এর মধ্যে মাত্র ২২ ২২০ কোটি ব্যারেল তেল উত্তোলন সম্ভব। খবর এএফপির।

রোববার ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় ইয়ায্দ শহরে এক সমাবেশে তেলের খনি আবিষ্কারের বিষয়টি তুলে ধরেন প্রেসিডেন্ট রুহানি।

তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শত্রুতা রাখলেও আমরা এই আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছি। কোনো শত্রুই ইরানের উন্নতি রুখে দিতে পারবে না। খনিটি আমাদের অন্যতম বৃহত্তম একটি খনি।

এটি এতটাই বিশাল যে বোস্তান থেকে শুরু করে উমিদেহ পর্যন্ত এটার বিস্তৃতি। এটি প্রায় ২,৪০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। খনি ভূগর্ভে প্রায় ৮০ মিটার পর্যন্ত গভীর।

বিশ্বের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানীয় ইরানের অর্থনীতি তেলের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির সবচেয়ে বড় তেলক্ষেত্র আহভাজে। এতে ছয় হাজার ৫০০ কোটি ব্যারেল তেল মজুদ আছে।

কিন্তু ইরানের সঙ্গে ছয় বিশ্বশক্তির করা ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি থেকে গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সরে গিয়ে দেশটির ওপর নানা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

বিশেষ করে ইরানের তেল রফতানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির তেল বিক্রি অনেক কমে গেছে। এর কারণ, যেসব দেশ ইরানের তেল কিনবে তাদের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তেহরানের দাবি, ইরান তেল উত্তোলন মাত্র ১ শতাংশ বাড়ালেই তাদের আয় ৩,২০০ কোটি মার্কিন ডলার বেড়ে যাবে। ইরানের অর্থনীতি মূলত তেলনির্ভর। ফলে নতুন এই তেলের খনি দেশের অর্থনীতিতে নয়া শক্তির সঞ্চার করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

খুজেস্তান প্রদেশে আবিষ্কৃত নতুন খনিটি সেদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেলের খনি হতে চলেছে। এখানে যে পরিমাণ তেল মজুদ রয়েছে বলে তথ্য মিলেছে তাতে ইরানের মোট সঞ্চিত তৈল ভাণ্ডার এক ধাক্কায় এক-তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি পাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

৫,৩০০ কোটি ব্যারেল তেলসমৃদ্ধ খনি আবিষ্কার করল ইরান

আপডেট : ০৮:৫২:৫০ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ নভেম্বর ২০১৯

৫,৩০০ কোটি ব্যারেল তেলসমৃদ্ধ একটি খনি আবিষ্কারের দাবি করেছে ইরান। রোববার নতুন তেলক্ষেত্র আবিষ্কারের ঘোষণা দেন ইরানের প্রেসিডেন্ট ড. হাসান রুহানি।

খনিটিতে পাঁচ হাজার ৩০০ কোটি ব্যারেল তেল রয়েছে বলে জানান তিনি। কিন্তু একদিন পরই দেশটির জ্বালানিমন্ত্রী তেলের পরিমাণের নতুন হিসেব তুলে ধরেন।

সোমবার তেহরানে এক সংবাদ সম্মেলনে ইরানি জ্বালানিমন্ত্রী বাইজান নামদার জাঙ্গানেহ জানান, খনিটিতে ২২২০ কোটি ব্যারেল তেলের মজুদ রয়েছে।

তবে প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতার কারণে এর মধ্যে মাত্র ২২ ২২০ কোটি ব্যারেল তেল উত্তোলন সম্ভব। খবর এএফপির।

রোববার ইরানের মধ্যাঞ্চলীয় ইয়ায্দ শহরে এক সমাবেশে তেলের খনি আবিষ্কারের বিষয়টি তুলে ধরেন প্রেসিডেন্ট রুহানি।

তিনি বলেন, মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র শত্রুতা রাখলেও আমরা এই আবিষ্কার করতে সক্ষম হয়েছি। কোনো শত্রুই ইরানের উন্নতি রুখে দিতে পারবে না। খনিটি আমাদের অন্যতম বৃহত্তম একটি খনি।

এটি এতটাই বিশাল যে বোস্তান থেকে শুরু করে উমিদেহ পর্যন্ত এটার বিস্তৃতি। এটি প্রায় ২,৪০০ বর্গ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে অবস্থিত। খনি ভূগর্ভে প্রায় ৮০ মিটার পর্যন্ত গভীর।

বিশ্বের তেল উৎপাদনকারী দেশগুলোর মধ্যে শীর্ষস্থানীয় ইরানের অর্থনীতি তেলের ওপর নির্ভরশীল। দেশটির সবচেয়ে বড় তেলক্ষেত্র আহভাজে। এতে ছয় হাজার ৫০০ কোটি ব্যারেল তেল মজুদ আছে।

কিন্তু ইরানের সঙ্গে ছয় বিশ্বশক্তির করা ২০১৫ সালের পরমাণু চুক্তি থেকে গত বছর যুক্তরাষ্ট্র সরে গিয়ে দেশটির ওপর নানা নিষেধাজ্ঞা আরোপ করে।

বিশেষ করে ইরানের তেল রফতানির ওপর কঠোর নিষেধাজ্ঞার কারণে দেশটির তেল বিক্রি অনেক কমে গেছে। এর কারণ, যেসব দেশ ইরানের তেল কিনবে তাদের ওপরও যুক্তরাষ্ট্রের নিষেধাজ্ঞা রয়েছে।

তেহরানের দাবি, ইরান তেল উত্তোলন মাত্র ১ শতাংশ বাড়ালেই তাদের আয় ৩,২০০ কোটি মার্কিন ডলার বেড়ে যাবে। ইরানের অর্থনীতি মূলত তেলনির্ভর। ফলে নতুন এই তেলের খনি দেশের অর্থনীতিতে নয়া শক্তির সঞ্চার করবে বলে মনে করা হচ্ছে।

খুজেস্তান প্রদেশে আবিষ্কৃত নতুন খনিটি সেদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম তেলের খনি হতে চলেছে। এখানে যে পরিমাণ তেল মজুদ রয়েছে বলে তথ্য মিলেছে তাতে ইরানের মোট সঞ্চিত তৈল ভাণ্ডার এক ধাক্কায় এক-তৃতীয়াংশ বৃদ্ধি পাবে বলেই মনে করা হচ্ছে।