লালমোহনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৩ সন্তানের জননীকে পিটিয়ে আহত
- আপডেট : ০৭:৩১:৩৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ মার্চ ২০২৬ ১৭৬ বার পড়া হয়েছে
জেলা প্রতিনিধি (ভোলা) :
ভোলার লালমোহনে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ৩ সন্তানের জননীকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার (১৬ মার্চ) দুপুরে উপজেলার ধলীগৌর নগর ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের মতু হাওলাদার বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে। পারভীন ওই বাড়ির মো. বশিরের স্ত্রী। বশির চট্রগামে সিএনজির ড্রাইভার হিসেবে কাজ করেন। আহত পারভীন (৪০) বর্তমানে লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছে।

লালমোহন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বেডে শুয়ে আহত পারভীন অভিযোগ করে বলেন, প্রায় এক মাস আগে আমাদের বাড়ির ইউসুফ আমার মেয়ের শ্লীলনতা হানির চেষ্টা করে। এনিয়ে আমাদের সাথে তাদের দ্বন্ধ চলে আসছে। আজ সোমবার দুপুরে আমি আমার ঘরের সামনে দাড়িয়ে ছিলাম। হঠাৎ দেখি ইউসুফের ছেলে সোহেল আমাদের ঘরের অঙ্গিনায় রোপনকৃত বোম্বাই মরিচের গাছটি উপড়িয়ে ফেলে। আমি দেখতে পেয়ে তাকে ডাক দিলে সে উত্তেজিত হয়ে চিৎকার দিয়ে আমার গায়ে আঘাত করে। এসময় ইউসুফ ও তার অন্য দুই ছেলে শান্ত, রানাসহ কয়েকজনে মিলে আমাকে বেদম প্রহার করে। আমি এক পর্যায়ে মাটিতে লুটিয়ে পড়ি। এরপর তারা সকলে মিলে আমাকে পা দিয়ে লাথি ও পাড়িয়ে চলে যায়। পরে বাড়ির লোকজন আমাকে উদ্ধার করে লালমোহন স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
পারভীনের স্বামী চট্রগ্রাম থেকে মুঠোফোনে জানান, ইউসুফ আমার মেয়ের শ্লীলনতা হানির চেষ্টার বিষয়টি বাড়ির সকলে জানে। লোকলজ্জাই আমরা বিচার চাইনি। আজ আবার আমার স্ত্রীকে পিটিয়ে ও পাড়িয়ে গুরুতর আহত করে। আমি উক্ত ঘটনার সুষ্ঠু বিচার চাই।
এ ব্যাপারে ইউসুফের ছেলে সোহেলের কাছে জানতে চাইলে তিনি মারধরের বিষয়টি শিকার করে বলেন, আমি একটি গাছের ডাল টেনে আনার সময় মরিচ গাছের একটি মচির ছিড়ে পড়ে। এই কারণে পারভীন আমাকে চড় মারে। তখন আমি তাকে পাল্টা আঘাত করি।
লালমোহন থানার অফিসার ইনচার্জ মো. অলিউল ইসলাম বলেন, ঘটনার ব্যাপারে অভিযোগ দাখিল করলে তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।
নিউজটি শেয়ার করুন





















