ঢাকা ০৫:৫৩ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৫ আশ্বিন ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
সর্বশেষ
লালমোহনে জমি নিয়ে বিরোধে হামলার অভিযোগ, আহত ১ লকডাউন’ কর্মসূচির প্রতিবাদে সোহরাওয়ার্দী কলেজ ছাত্রদলের বিক্ষোভ লালমোহনে সিরাত প্রতিযোগিতায় অংশগ্রহণকারী বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠিত ১৯ নং ঢালচর ইউনিয়নের সম্ভাব্য চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে কাজি নেছার উদ্দিনের গণসংযোগ লালমোহ হা-মীমের আট শিক্ষার্থীর নটরডেম ও সেন্ট জোসেফে ভর্তির সুযোগ লালমোহনে জিপিএ-৫ প্রাপ্ত ২০০ কৃর্তি শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা অনুষ্ঠিত লালমোহনে গ্রীষ্মকালীন ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় সাঁতারে প্রথম বাপ্পি ভোলা-চরফ্যাশন মহাসড়কের দুই পাশে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করলেন স্পিকার লালমোহনে শুদ্ধ বানান ও শুদ্ধ উচ্চারণ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত লালমোহন উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স আকস্মিক পরিদর্শন করলেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ

শ্রীনগরে সংখ্যালঘু পরিবারকে নির্যাতনের অভিযোগ

নিজস্ব প্রতিবেদক
  • আপডেট : ০৬:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১ ১৯ বার পড়া হয়েছে
দীপ্ত বার্তা অনলাইনের সর্বশেষ নিউজ পেতে অনুসরণ করুন গুগল নিউজ (Google News) ফিডটি

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে একটি সংখ্যালঘু পরিবারকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। উগ্র মৌলবাদীদের অত্যাচারে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে ওই পরিবারটি। উপজেলার সোন্ধ্যারদিয়া এলাকায় সনাতন পরিবারটির সদস্যদের হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হিন্দু পরিবারটির অভিযোগ জমিজমা দখলের পাঁয়তারার পাশাপাশি মন্দির ভাংচুরের চেষ্টা চালিয়ে আসছে প্রভাবশালী শফিউল্লাহ ও তার লোকজন। তবে শফিউল্লাহ শেখ তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সব মিথ্যা বলে দাবী করেছেন। যা জানা যায় মুন্সীগঞ্জ জেলার হিন্দু পৌরসভার প্রধান সদস্য অমর্ত দাসের কাছ থেকে। 

জানা গেছে, সোন্ধ্যারদিয়া কেশব মন্ডলের কৃষিজমি দখলের পাঁয়তারা করছে একটি কুচক্রীমহল। গত ২০২১ সাল থেকে মহলটি সনাতন পরিবারটির জায়গা জমি দখলের পাঁয়তারা করছে। গত ১৮ অক্টোবর ২০২১ তারিখে কুমিল্লা জেলার একটি মন্দিরে কোরআন অবমাননার নামে সারাদেশে বেশকিছু মন্দির ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরে মন্ডল বাড়িতে শফিউল্লাহর নেতৃত্বে উগ্র মৌলবাদীরা মন্দির ভাংচুর ও কেশব মন্ডলসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে মারধর করে। 

ভুক্তভোগী কেশব মন্ডলের পুত্র স্বপন মন্ডল ও শুভ মন্ডল জানান, শফিউল্লাহ শেখসহ তার খাস লোক তারেক মোল্লা এবং গ্রামের মৌলবাদীরা হঠাৎ করে তাদের বাড়িতে এসে মন্দির ভাংচুর করে। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদেরকে মারধর করা হয় এবং ঘরবাড়িতে লুটপাট করে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ নিয়ে যায়। এদিন আমার একমাত্র যুবতী বোনকেও জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে গুম করে ফেলে। সংশ্লিষ্ট উগ্র মৌলবাদীদের ভয়ে এলাকার লোকজন এগিয়ে আসতে সাহস পায়নি। আমাদের উপর ঘটে যাওয়া নির্মম অন্যায় অত্যাচারের ঘটনা আমরা থানায় গিয়ে জানাই। কিন্তু ইসলাম ধর্মের অবমাননা হয়েছে বলে আমাদের কোন আইনি সাহায্য করেনি। আমরা বাবাবার থানায় যাওয়ার কারণে পুলিশ জানান বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। যদিও আমরা কোনরকম আইনি সহযোগিতা পাইনি।

নিউজটি শেয়ার করুন

ট্যাগস :

2

slot gacor

শ্রীনগরে সংখ্যালঘু পরিবারকে নির্যাতনের অভিযোগ

আপডেট : ০৬:৩৭:১৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৬ অক্টোবর ২০২১

মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে একটি সংখ্যালঘু পরিবারকে নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। উগ্র মৌলবাদীদের অত্যাচারে কোণঠাসা হয়ে পড়েছে ওই পরিবারটি। উপজেলার সোন্ধ্যারদিয়া এলাকায় সনাতন পরিবারটির সদস্যদের হুমকি ধামকি দেওয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ উঠেছে। হিন্দু পরিবারটির অভিযোগ জমিজমা দখলের পাঁয়তারার পাশাপাশি মন্দির ভাংচুরের চেষ্টা চালিয়ে আসছে প্রভাবশালী শফিউল্লাহ ও তার লোকজন। তবে শফিউল্লাহ শেখ তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগ সব মিথ্যা বলে দাবী করেছেন। যা জানা যায় মুন্সীগঞ্জ জেলার হিন্দু পৌরসভার প্রধান সদস্য অমর্ত দাসের কাছ থেকে। 

জানা গেছে, সোন্ধ্যারদিয়া কেশব মন্ডলের কৃষিজমি দখলের পাঁয়তারা করছে একটি কুচক্রীমহল। গত ২০২১ সাল থেকে মহলটি সনাতন পরিবারটির জায়গা জমি দখলের পাঁয়তারা করছে। গত ১৮ অক্টোবর ২০২১ তারিখে কুমিল্লা জেলার একটি মন্দিরে কোরআন অবমাননার নামে সারাদেশে বেশকিছু মন্দির ভাংচুরের ঘটনা ঘটে। এই সুযোগকে কাজে লাগিয়ে পরে মন্ডল বাড়িতে শফিউল্লাহর নেতৃত্বে উগ্র মৌলবাদীরা মন্দির ভাংচুর ও কেশব মন্ডলসহ পরিবারের কয়েকজন সদস্যকে মারধর করে। 

ভুক্তভোগী কেশব মন্ডলের পুত্র স্বপন মন্ডল ও শুভ মন্ডল জানান, শফিউল্লাহ শেখসহ তার খাস লোক তারেক মোল্লা এবং গ্রামের মৌলবাদীরা হঠাৎ করে তাদের বাড়িতে এসে মন্দির ভাংচুর করে। বাধা দেওয়ার চেষ্টা করলে তাদেরকে মারধর করা হয় এবং ঘরবাড়িতে লুটপাট করে স্বর্ণালংকার ও নগদ অর্থ নিয়ে যায়। এদিন আমার একমাত্র যুবতী বোনকেও জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে গুম করে ফেলে। সংশ্লিষ্ট উগ্র মৌলবাদীদের ভয়ে এলাকার লোকজন এগিয়ে আসতে সাহস পায়নি। আমাদের উপর ঘটে যাওয়া নির্মম অন্যায় অত্যাচারের ঘটনা আমরা থানায় গিয়ে জানাই। কিন্তু ইসলাম ধর্মের অবমাননা হয়েছে বলে আমাদের কোন আইনি সাহায্য করেনি। আমরা বাবাবার থানায় যাওয়ার কারণে পুলিশ জানান বিষয়টি খতিয়ে দেখছে। যদিও আমরা কোনরকম আইনি সহযোগিতা পাইনি।